আলিফ এর ঘুম ভাঙলো দেরিতে। চোখটা খুলেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল তার। জানালা দিয়ে ঘরের ভেতর সূর্যের আলো ঢুকছে। রুমটা একদম ফকফকে। আজকে শুক্রবার, এটা ভেবে তার মেজাজ আরো খারাপ হয়ে গেল। মোবাইলের স্ক্রীন অন করে দেখতে পেল 9:45 বাজে। টেবিলের উপর রাখা এনালগ ঘড়িটার দিকে বিতৃষ্ণা নিয়ে তাকালো। ঘড়িটার একটা বিশেষত্ব হলো এইটার এলার্ম সাউন্ড খুব জঘন্য। এটার যখন এলার্ম বাজা শুরু করে তখন কোন ভাবে বিছানায় শুয়ে থাকা যায় না । মূলত এই কারণেই আলিফের রুমে ঘড়িটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ আলিফের ঘুম অনেক বেশি। সে ঘুমালে দিন দুনিয়ার কোন খবর থাকে না। ভালো ঘুম নাকি নেয়ামত। এটা ভেবে সে ঘুমের উপর রাগ করতে পারে না। কিন্তু এই মুহূর্তে আসলে অনেক রাগ হচ্ছে। কারণ সকালের ফজর নামাজ মিস গেছে। আর সেই মিস করাটা শুক্রবারেই হতে হলো। আলিফের বিশ্বাস নামাজ মিস করা মানে অশুভ লক্ষণ। কয়েকটা বাজে ব্যাপার তো ঘটেই গেল। সকালের মূল্যবান তিনটা ঘন্টা ঘুমের মধ্যে কেটে গেল। অথচ প্ল্যান ছিল একটু পড়াশোনা করতে হবে। আলিফের এখন বেকার জীবন। বেকার জীবনের অনেক জ্বালা। বাড়ি থেকে টাকা নিতে হয়। বয়স 27 এর উপর। এই বয়সেও টাকা আনতে তার খুব কষ্ট লাগে কিন্তু, কি করবে, টিউশনির টাকা দিয়ে সে ঠিকঠাক চলতে পারে না। ফজর নামাজ মিস করলে সারাটাদিন খারাপ যায় আলিফের। মাথার মধ্যে খালি খচখচ করে যে এই বুঝি আরো আকাম হয় তার দ্বারা। ফজর নামাজ সময় মত পড়তে গেলে আসলে অনেক প্ল্যান থাকা লাগে, গতরাতে প্লান মোতাবেক কাজ হয়নি দেখে এই অবস্থা। ফজর নামাজ পড়তে গেলে অবশ্যই বারোটার মধ্যে ঘুমিয়ে যেতে হবে। কিন্তু সে তো গতরাতে বারোটার মধ্যে ঘুমায় নাই, সে বসে বসে মুভি দেখছে। মুভির নাম হচ্ছে টারজান। অ্যানিমেশন মুভি। মুভি দেখা আসলে কিন্তু ঠিক না। মুভিতে সুন্দর সুন্দর নায়িকা দেখলে আলিফের মত বেকার দুর্বল ঈমানের যুবকের ভেজাল লেগে যাওয়ার কথা, এজন্য গতরাতে মুভি দেখার সময় সে চিন্তা করেছে এটাতো এনিমেশন মুভি, এখানে পাপ কম। এখন সে শয়তানের কারসাজিটা ভালোভাবেই বুঝতে পারছে। মুভিটা পুরোটা শেষ করে ঘুমাতে গেছে সে রাত দুইটায়। শয়তান সফল। এলার্ম দিতে ও ভুলে গিয়েছিল সে। ফজর নামাজ না পড়ার কারণে স্বাভাবিকভাবে অন্যান্য কাজকর্ম দেরিতে শুরু হবে। দেরিতে শুরু হলে হোক, কিন্তু বাকি কাজগুলাতে শয়তানের খপ্পরে পড়া যাবে না। আলিফ চায় বাকি দিনটা অন্তত প্লান মোতাবেক হোক।
আলিফ এর শুক্রবার সকাল
মাও সে তুং-এর 'পিপলস কমিউন' ব্যবস্থা যেভাবে ৩-৪ কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়

চীনের আধুনিকায়নে মাও সে তুং-এর নেওয়া সবচেয়ে বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষাগুলোর একটি ছিল কৃষির সমবায়িকরণ এবং "পিপলস কমিউন" ব্যবস্থা, ১৯৫০-এর দশকে শুরু হওয়া এই ব্যবস্থার মূল... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার রিসাচ পেপার পাবলিশভ
Hailstorm, Rain, Dust The effect of Climate Change in Bangladesh
XXXX
IOSR Journal of Environmental Science, Toxicology and Food Technology
2319-2402
International Organization of Scientific Research
www.iosrjournals.org
Open Access Publishing
Blind Peer Review Process
Indexed Refereed Journal
20
06
10.9790/2402-2006020106 ...বাকিটুকু পড়ুন
সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না
সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না
একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সব সময় যুদ্ধ লাগে না।
তার ভাষা, সাহিত্য, গান, নাটক, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করে দিলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুমুখোচিন্তা
সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।