হিন্ট দিচ্ছি...
পিচ্চি মেয়েটা পৃথিবীতে আসার দুই দিন পরে যখন তাকে গৃহে বরণের সময় আসল, তখন দেড় বছর বয়সী ছেলেটা আনন্দে আত্মহারা। হাসপাতালে গিয়ে তো তার পুরোপুরি মাথা খারাপ। এত্ত গুলো বাবু তার? জোড় গলায় দাবি করল, সবগুলোকে তার চাই। কপাল খারাপ তার, একটাকে নিয়েই বাড়ি ফিরতে হল। বাড়ি ফিরে ইঁদুরের ছানার মত গোলাপী পিচ্চিটার পাশে শুয়ে নানা ভঙ্গিতে ছবি তুলল, যা একুশ বছর পরে উলটে পালটে দেখে সে বড় আনন্দ পায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই শিখে গেল, ওই গোলাপী ইদুর ছানাটা তার 'আপু'। 'আপু'র জন্য টানের বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য তার মা কিছুদিন পরে একটা ছোট খাট অগি্ন পরীক্ষা করলেন। দু'সপ্তাহের শিশু কন্যাকে লুকিয়ে রেখে নির্বিকার মুখে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। শিশুপুত্র যতই জিজ্ঞাসা করে, আপু কোথায়? তিনি ততই নির্বিকার ভাবে কাঁধ ঝাকান। ছেলে শুকনো মুখে এ ঘর ও ঘর ঘুরে, অত:পর ঠোঁট ভেঙে কান্না: "মামণি আমার আপুকে খুঁজে পাই না..." অগি্নপরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট হয়ে মাতা অবশেষে শিশু কন্যাকে এনে দিলেন।
ছবিটা ঘটনার দু'বছর পরে তোলা।
কাল: জুলাই'88।
স্থান: প্যারিস। প্যারিসের কোন জায়গা তা ছবির পিছনে লেখা নেই বিধায় কহিতে পারিলাম না। শাওনকে জিজ্ঞাসা করিয়া নিলে সন্তোষজনক উত্তর মিলিবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
বিশেষ ঘোষণা: ছবির লাইটিং একেবারেই ভাল ছিল না। কোন এক অজ্ঞাত কারণে মুখের রং লালচে এসেছে। প্রকৃত ঘটনা তা না। ছবিটির ফটোগ্রাফিক মান যাচাই না করে সাবজেক্টের দিকে মনযোগ দেয়ার আহবান করা হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


