সাইফ শেরিফ যা শুরু করলেন, তাতে রীতিমত বিরক্ত লাগছে। তসলিমা নাসরিনের বইয়ের কিছু কিছু অংশ পড়ে ওমন বিরক্তি এসেছিল।
নিজের স্ট্যান্সটা পরিষ্কার করে নেই:
1. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার: নারী পুরুষ একে অন্যের পরিপূরক। শত্রু না মোটেই। শারিরীক এবং মানসিক দুই দিক দিয়েই পরিপূরক অর্থ্যাৎ নিতান্তই প্রয়োজনীয়, পূর্ণতা দেয়ার জন্য। য়িং এবং য়াং।
2. নারী পুরুষের সম্পর্কের পবিত্রতায় বিশ্বাসী আমি। পবিত্রতা বলতেই মানুষ প্লেটোনিক সম্পর্ক বুঝায়। মূলত খ্রিষ্টিয়ানিটি থেকে এসেছে ধারণাটা: শারিরীক সম্পর্ক মাত্রই 'খারাপ', ঘিনঘিনে কিছু। অথচ মানসিক এবং শারিরীক দুই দিক নিয়ে পূর্ণ একজন মানুষ, শারিরীক সম্পর্ককে ঘেন্না করলে, মানুষের অস্তিত্বের বড় একটা দিককে অস্বীকার করা হয়। পবিত্রতা বলতে আমি বুঝি, যার সাথে যেই সম্পর্ক স্থাপন শোভন সেই সম্পর্ক স্থাপন। স্কুলে মহসিন স্যার ছিল দারুণ হ্যান্ডসাম। বেশ কিছু মেয়ে মারাত্মক দুর্বল ছিল (বিবাহিত, তিন সন্তানের জনক) স্যারের ব্যপারে। একটা মেয়ে তো গোলাপ ফুল নিয়ে গেছে স্যারকে ভ্যালেন্টাইনস ডে তে দেয়ার জন্য। এটা অশোভন।
নারী পুরুষের একে অন্যের সম্পর্কে কৌতুহলী হওয়া... বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি কৌতুহল আসবেই, সুস্থতা থাকলে। নির্লিপ্ততা থাকবে না। কিন্তু কৌতুহল ঠিক কোন পর্যায়ে নিবর্ৃত্ত করা শোভন হবে, সেটা সম্পর্কের বিচারে বিচার করতে হবে। আমার কাছে হিসাব সোজা, ইসলাম আমাকে সীমাটুকু বেঁধে দিয়েছে। এই সীমাটুকু লংঘনই অশোভন, অন্যায়। তবু এরও প্রকার ভেদ আছে। ইসলামে বিবাহিত নারী পুরুষদের বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন অবিবাহিতদের শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনের চেয়ে অনেক গুণ বেশি ঘৃনিত।
3. অসুস্থ মানুষের অভাব নেই সমাজে। নিজের প্লেইটের খাবার এঁটো করে রেখে পাশের জনের প্লেইটে হাত দেয়, সে রকম মানুষ আছেই। সেই অভদ্ররা নারী হোক কি পুরুষ হোক ঘৃণা করি। শিশু কন্যারা নির্যাতিত হয়, তেমনি প্রচুর শিশু পুত্ররাও নির্যাতিত হয়। আনরিপোর্টেড থেকে যায় অনেক ঘটনাই, তবু হয়। এটা আমাদের সমাজের লজ্জা। ক্ষত। এতে নির্যাতিতের ঘা খুচিয়ে অপরাধীর সাফাই গাওয়ার ব্যপারটা বুঝলাম না সত্যিই!
নিজের দোষ বা বোকামিতে ছঁ্যাকা খেয়ে জিভ পুড়ে গেলে সবই খুব তিতা লাগে জানি!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



