somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জিভ পুড়লে সবই তিতা

১৮ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাইফ শেরিফ যা শুরু করলেন, তাতে রীতিমত বিরক্ত লাগছে। তসলিমা নাসরিনের বইয়ের কিছু কিছু অংশ পড়ে ওমন বিরক্তি এসেছিল।

নিজের স্ট্যান্সটা পরিষ্কার করে নেই:

1. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার: নারী পুরুষ একে অন্যের পরিপূরক। শত্রু না মোটেই। শারিরীক এবং মানসিক দুই দিক দিয়েই পরিপূরক অর্থ্যাৎ নিতান্তই প্রয়োজনীয়, পূর্ণতা দেয়ার জন্য। য়িং এবং য়াং।

2. নারী পুরুষের সম্পর্কের পবিত্রতায় বিশ্বাসী আমি। পবিত্রতা বলতেই মানুষ প্লেটোনিক সম্পর্ক বুঝায়। মূলত খ্রিষ্টিয়ানিটি থেকে এসেছে ধারণাটা: শারিরীক সম্পর্ক মাত্রই 'খারাপ', ঘিনঘিনে কিছু। অথচ মানসিক এবং শারিরীক দুই দিক নিয়ে পূর্ণ একজন মানুষ, শারিরীক সম্পর্ককে ঘেন্না করলে, মানুষের অস্তিত্বের বড় একটা দিককে অস্বীকার করা হয়। পবিত্রতা বলতে আমি বুঝি, যার সাথে যেই সম্পর্ক স্থাপন শোভন সেই সম্পর্ক স্থাপন। স্কুলে মহসিন স্যার ছিল দারুণ হ্যান্ডসাম। বেশ কিছু মেয়ে মারাত্মক দুর্বল ছিল (বিবাহিত, তিন সন্তানের জনক) স্যারের ব্যপারে। একটা মেয়ে তো গোলাপ ফুল নিয়ে গেছে স্যারকে ভ্যালেন্টাইনস ডে তে দেয়ার জন্য। এটা অশোভন।

নারী পুরুষের একে অন্যের সম্পর্কে কৌতুহলী হওয়া... বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি কৌতুহল আসবেই, সুস্থতা থাকলে। নির্লিপ্ততা থাকবে না। কিন্তু কৌতুহল ঠিক কোন পর্যায়ে নিবর্ৃত্ত করা শোভন হবে, সেটা সম্পর্কের বিচারে বিচার করতে হবে। আমার কাছে হিসাব সোজা, ইসলাম আমাকে সীমাটুকু বেঁধে দিয়েছে। এই সীমাটুকু লংঘনই অশোভন, অন্যায়। তবু এরও প্রকার ভেদ আছে। ইসলামে বিবাহিত নারী পুরুষদের বিবাহ বহির্ভুত শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন অবিবাহিতদের শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনের চেয়ে অনেক গুণ বেশি ঘৃনিত।

3. অসুস্থ মানুষের অভাব নেই সমাজে। নিজের প্লেইটের খাবার এঁটো করে রেখে পাশের জনের প্লেইটে হাত দেয়, সে রকম মানুষ আছেই। সেই অভদ্ররা নারী হোক কি পুরুষ হোক ঘৃণা করি। শিশু কন্যারা নির্যাতিত হয়, তেমনি প্রচুর শিশু পুত্ররাও নির্যাতিত হয়। আনরিপোর্টেড থেকে যায় অনেক ঘটনাই, তবু হয়। এটা আমাদের সমাজের লজ্জা। ক্ষত। এতে নির্যাতিতের ঘা খুচিয়ে অপরাধীর সাফাই গাওয়ার ব্যপারটা বুঝলাম না সত্যিই!

নিজের দোষ বা বোকামিতে ছঁ্যাকা খেয়ে জিভ পুড়ে গেলে সবই খুব তিতা লাগে জানি!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৫০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৮০

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯



গতকাল রাত ১২ টায় খুব মেজাজ খারাপ হয়েছে।
বাসায় এসে বসেছি মাত্র। আর গলির ভিতর ঢুকেছে মিছিল। ধানের শীষের মিছিল। রাত ১২ টায় কেন মিছিল করতে হবে? ফাজলামোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

লিখেছেন নতুন নকিব, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৪

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

ছবি সংগৃহীত।

বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেছে। দুই পরিবার আনন্দে ব্যস্ত। বর ও কনে দুজনেই সুস্থ, শিক্ষিত, স্বাভাবিক জীবনযাপনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাল হাদিস ধরার একটি এপ্লিকেশনের আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩২

জাল হাদিস ধরার একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এপ্লিকেশন বানানোর ছক আঁকার পরে এখন ইনভেস্টর খুঁজছি। দিন কয়েক আগের ঘটনা। সামুতে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, অসুস্থ্য থাকায় আল্লাহর নির্দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে কারণে ১১ দলীয় বা জামায়েত ইসলাম জোটকে ক্ষমতায় আনা উচিৎ

লিখেছেন সূচরিতা সেন, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৫


এটা সত্য যে জামায়েত ও এনসিপি দূরনীতি গ্রস্থ সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা তাদের নেই আর এইটাই তাদের সব থেকে বড় শক্তি। তারা বিশেষজ্ঞর জন্য ও সচ্চতা জন্য এবং সংস্কারের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×