ক'দিন ধরে খুব গরম। নীল আকাশে গনগনে সূর্য। দিনে দুইবার শাওয়ার করেও মন ভরে না। আজ দুপুরেও বাইরে বেরিয়ে মাথা ব্যাথা হয়ে গেছে গরমে। দুপুরের পরে কি হলো, আকাশের মুডটা ট্যান কার্ভের মত হঠাৎই পালটে পুরো ধূসর। মেঘে মেঘে আকাশ নিচে নেমে এসেছে, যেন বাসার সামনের ইউকেলিপটাসের মাথা ঠেকে যাবে আরেকটু পরেই। আমার অদ্ভূত আনন্দ হচ্ছে। ঝির ঝির বৃষ্টি শুরু হতেই ব্যাকইয়ার্ডের নরম সবুজ ঘাসে কয়েক পাক ঘুরে আসলাম। মাটির গন্ধটা এত আপন আপন! আকাশের দিকে মুখ তুলে চোখ বন্ধ করে নাক টানতেই অন্য রকম আবেশ। মুখে বৃষ্টির আদর, নাকে সোঁদা গন্ধটা। গন্ধটা নাকে আসলেই আমি এক টানে কয়েক বছর পিছনে চলে যাই। তখন প্রথম বৃষ্টিকে আবিষ্কার করছি। এসএমহলের বাসায় আমার ছোট্ট জানালা থেকে দূরের রেইন ট্রির বৃষ্টির তালে তালে নাচা দেখতাম। সামনের উঠান, মেঠো পথ বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হতো আর সারা পৃথিবী মাটির গন্ধে ভরে উঠতো। আমি জানালায় বসে বসে মেঠো পথের আইসক্রীমের মত দ্রুত গলে যাওয়া দেখতাম।
বৃষ্টিতে একা একা ভিজতে কম ভালো লাগে। তাই প্রিয় কাউকে ফোন করে বৃষ্টির শব্দ শোনাই। ফোন ভিজে যাক, ফোন নিয়েই বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে মাখি। এখন জ্বালানের মত কাউকে খুঁজে পাচ্ছি না, তাই ব্লগেই পেঁৗছে দিলাম বৃষ্টির নিমন্ত্রন!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




