আজ সন্ধ্যায় ন্যাডুর ফোন, দোস্ত কালকা কি করতাছস?
- একটু ইউনিতে যাব ভাবতেছি।
- কি?? কালকের দিন ইউনি? তোর মতি গতি তো সুবিধার না!
- আচ্ছা বাবা যা, যাবো না। তুই যেখানে নিয়ে যাবি যাব।
অত:পর ঠিক হলো ন্যাড আসবে, ইশি আসবে, তাসিন আসবে, ইমু আসবে, আমি যাব। ন্যান্ডোজে দুপুরের খাবার ভক্ষন করিব। আমি একটু ভয়ে আছি, ফকিরের নিজের খাবারের পয়সা দিতেও আধুলীতে টান পড়ে, আমার ওরকম অবস্থা। বন্ধুরা দয়াবান না হলে সমস্যা হবে।
কালকে শুভেচ্ছা পাব অনেক। এই এরা, বাংলাদেশের বন্ধুরা দিবে শুভেচ্ছা। আর গ্রুপ ইমেইল হিসেবে আসবে আরও অনেকের মেইল।
তবে 'ভ্যালেন্টাইন' ডেকে কেউ হাতে ফুল ধরিয়ে দিবে না, চিঠি লিখবে না, ফোনের প্রতীক্ষায় থাকবে না, রাত বারোটায় এসএমএস করে ঘুম ভাঙিয়ে দিবে না। * **** *** এর রহস্যভেদ করতে চাপাচাপি করবে না।
সবাইকে দেখছি এই নিয়ে হা হুতাশ করছে। আমার যে অদ্ভূত রকমের স্বস্তি লাগছে! বুক ভরে নি:শ্বাস নিচ্ছি মুক্ত বাতাসে।
একটু দূর থেকে মিটিমিটি হেসে কপোত কপোতীদের প্রেম দেখব কাল। আর সারা বিশ্বকে ভালবাসব।
বুকের এক পাশের ছোট্ট রক্ত পাম্পিং মেশিনটাকে নিয়ে বড় ঝামেলায় আছি। ভাবতে ভাল লাগছে, কালকে ওটা নিরাপদেই থাকবে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


