আজ কোরআন পড়ে মন ভরে গিয়েছে। বার বার পড়েছি, মনে হয়েছে আল্লাহ যেন আমার জন্যই লিখেছে। কি অদ্ভূত, একই আয়াত যেন এক এক জনের জন্য পারসোনালাইজড। স্রষ্টার প্রতি গোপন ভালবাসার অশ্রূ ফেলার পরে এখন আসলাম আজকের পড়া আয়াতগুলো পোস্ট করে দিতে। জানি অন্য কারোই হয়তো আমার মত একই প্রতিক্রিয়া হবে না... তবু...
"তোমরা কি দেখো না, আল্লাহ ভূমি ও আকাশের সব কিছু তোমাদের জন্য ব্যবহারোপযোগী করে রেখেছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও গোপন নেয়ামতগুলো সম্পূর্ন করে দিয়েছেন?
এরপর অবস্থা হচ্ছে এই যে মানুষের মধ্যে এমস কিছু লোক আছে যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তাদের নেই কোন রকম জ্ঞান, পথনির্দেশনা বা আলোকপ্রদর্শনকারী কিতাব।
আর যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তার আনুগত্য কর, তখন তারা বলে, আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে যে রীতির উপর পেয়েছি তার আনুগত্য করব। শয়তান যদি তাদের জ্বলন্ত আগুনের দিক্ওে আহবান করতে থাকে তবুও কি তারা তারই আনুগত্য করবে?
যে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্্পন করে এবং সতকর্মশীল হয়, সে তো সত্যিই শক্ত করে অাঁকড়ে আছে একটি নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। আর সব ব্যপারের শেষ ফয়সালা আছে আল্লাহরই হাতে। এরপর যে কুফরী করে, তার কুফরী যেন তোমাকে বিষন্ন না করে। তাদেরকে ফিরে তো আসতেই হবে আমারই দিকে। তখন আমি তাদেরকে জানিয়ে দেবো তারা কিসব কাজ করে এসেছে। অবশ্যই আল্লাহ অন্তরের গোপন খবরও জানেন। আমি স্বল্পকাল তাদেরকে দুনিয়ায় ভোগ করার সুযোগ দিচ্ছি, তারপর তাদেরকে টেনে নিয়ে যাবো একটি কঠিন শাস্তির দিকে।
তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, পৃথিবী ও আকাশমন্ডলী কে সৃষ্টি করেছেন? তাহলে তারা নিশ্চয়ই বলবে আল্লাহ। বলো, সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশ লোক জানে না।
আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা আল্লাহরই। নি:সন্দেহে আল্লাহ অমুখাপেক্ষী এবং নিজে নিজেই প্রশংসিত। পৃথিবীতে যত গাছ আছে তা সবই যদি কলম হয়ে যায় এবং সমুদ্র (দোয়াত হয়ে যায়), তাকে আরো সাতটি সমুদ্র কালি সরবরাহ করে তবুও আল্লাহর কথা লিখে শেষ হবে না।
অবশ্যই আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী ও জ্ঞানী। তোমাদের সমগ্র মানবজাতি সৃষ্টি করা এবং তারপর আবার তাদেরকে জীবিত করা (তাঁর জন্য) নিছক একটিমাত্র প্রানী (সৃষ্টি করা এবং তাকে পুনরুজ্জীবিত) করার মতই। আসলে আল্লাহ সবকিছু শোনেন ্ও দেখেন।
তুমি কি দিন ও রাতের আবর্তন দেখ না? তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়মের অধীন করে রেখেছেন। আর (তুমি কি জান না) তোমরা যা কিছুই কর না কেন আল্লাহ তা জানেন। কারন আল্লাহই হচ্ছেন সত্য এবং তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য যেসব জিনিসকে এরা ডাকে তা সবই মিথ্যা। আল্লাহ সমুচ্চ ও শ্রেষ্ঠ।"
সুরা লুকমান (20-30)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



