হাড়ি কৃষনা হাড়ি কৃষনা
হাড়ি হাড়ি কৃষনা রে...
একটু এদিক সেদিক তাকিয়ে খুব মজা নিয়ে আবিষ্কার করলাম বাস স্ট্যান্ডের পাশেই এক শ্বেতাংগ ভদ্রলোক হাতে ধাতব একটা বাজনা নিয়ে টুংটাং শব্দ করছেন আর মাথা নেড়ে নেড়ে গান গাচ্ছেন। সব চেয়ে মজার ভদ্রলোকের পোশাক। গোলাপী রঙের আটপৌরে ফতুয়া, ধুতি, মাথায় পাগড়ি আর... পায়ে লাল টকটকে মোজা, সাথে কেডস! ঢাকার রাস্তায় অতি প্রাতে কিছু বিত্তবান নানী-শ্রেনীর ভদ্রমহিলা দেখা যায়, শেষ বয়সে স্বাস্থ্য রক্ষায় শাড়ি কেডস পড়ে হনহনিয়ে হাঁটতে থাকেন। দেখে বরাবরই মজা পেয়েছি। তবে খয়েরী কেডসের সাথে লাল টকটকে মোজা পড়ার সাহস কাউকে এই প্রথম দেখাতে দেখলাম। পাশের ভারতীয় ভদ্রলোকের গলায় একদম বাংলার বাউলদের ঢঙে ঢোল ঝুলানো। শ্বেতাংগের অন্য উচ্চারণে সমস্যা থাকলেও 'রে...' টানটা দিচ্ছিলেন একদম খাটি ভারতীয় ভজনের সুরে... মাঝে মাঝে ঢোলের তাকদুম শব্দ, টুংটাং (ভাংড়া?) শব্দ, শ্বেতাংগের অজি একসেন্টে "হাড়ি কৃষনা রে..." শুনতে শুনতে মাথায় ঢুকে গেল... এখনও মাথা থেকে বেরুচ্ছে না... কি যন্ত্রনা!
বি:দ্র: দয়া করে কেউ মনে করবেন না আমি ব্যঙ্গ করা জন্য 'হরি কৃষ্ণ' কে 'হাড়ি কৃষনা' লিখেছি, আমি নেহায়তই উচ্চারণের পার্থক্যটা তুলে ধরার জন্য এভাবে লিখেছি। শুনতে আসলেই মিষ্টি লাগছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৬ সকাল ৭:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



