ডিপার্টমেন্টের সবচেয়ে সিনিয়র টীচার যেদিন ক্লাসে কথাটা বললেন তখন সবাই বেশ চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম।কারণ এত বড় হয়েছি কেউ কখনো এইভাবে বলেনি।আর আমরাতো কখনো চিন্তাই করিনি।স্যার বললেন জীবনে যদি কিছু করতে চাও তাহলে তোমাকে কথা বলতে জানতে হবে।না,বন্ধুরা মিলে সারাক্ষণ যে অর্থহীন বকবক করি তা নয়।নিজের চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ করতে হবে গোছানো ভাষায়,যা অন্যকে আকর্ষণ করবে তোমার কথা শুনতে,তোমার প্রতি মনোযোগ দিতে।আর জানতে হবে লিখতে।শুদ্ধ ভাষায়,গুছিয়ে।প্রতিদিনই লিখতে হবে কিছু না কিছু।হোক সেটা 10লাইন,15লাইন কিংবা মাত্র 1লাইন।
চিন্তায় পড়ে গেলাম কী লিখবো?সমাধানও স্যার দিয়ে দিয়েছিলেন।যা খুশি লেখো,ইচ্ছে হলে কবিতা কিংবা চিঠি,চাইলে প্রেমের চিঠি।দেখাও যে কাউকে,দরকার হলে আমাকেই।ঠিক করেছিলাম রোজ বুড়া মিয়াকে একটা করে প্রেমপত্র দিবো।কিন্তু করা আর হয়নি।বাপরে কার ঘাড়ে কয়টা মাথা যে স্যারের হাতে চিঠি দিয়ে আসবে?
কিন্তু স্যারের কথাটা ভুলতেও পারিনি।
হয়তো অনেক কথাই লেখা হয়ে গেল।কিন্তু তারপরও মাথায় কেবলই ঘুরছে কী লিখবো?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



