
........ ২০১৩ সালে এক পোষাকশ্রমিক ধর্ষিত হন বাসে।অপরাধীরা (২জন) সাজা পেলেও একজন জামিন নিয়ে এখন বীরের মতো বাস চালাচ্ছে আবার।
........ ২০১৫ সালে ঢাকায় মাইক্রোবাসে এক তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়।
বিচার নাই।
........ ২০১৫ সালে গাজিপুরে নৌকার মধ্যে ৪ মাঝি মিলে এক নারীকে ধর্ষণ করে।
বিচার নাই।
........ ২০১৬ সালে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রোডে বাসের ভেতর নারীকে ধর্ষণ করা হয়।
বিচার নাই।
........ গত বছর বরিশালে বাসে দুই বোনকে একই সাথে ধর্ষণ করা হয়।
বিচার নাই।
........ কুমিল্লায় তনু নামের এক মেয়েকে গত বছর ভাল্লুক মেরে ফেলেছে।ভাল্লুকের বিচার হয়নি।

........ কয়েকদিন আগে টাঙ্গাইলে বাসের মধ্যে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে ঘাড় মটকে তাকে মেরে বনের মধ্যে ফেলে দেয়া হলো।বিচার হবে কি..........?
আপনার মা,বোন,বউ......... কেউ কি সেফ?
গণপরিবহনেও যখন ধর্ষণ হয় তাহলে আর বাকি রইলো কি!?
তারপরেও সবাই চুপচাপ।
দেশ কত নিরব!

যে মেয়েটা ধর্ষণের শিকার হয়েছে সে কিন্তু অনেক শিক্ষিত ছিলো।গরীব ছিলো.... তবে মাসে ১৮ হাজার টাকা আয় করতো,পরিবার চালাতো,নিজের পড়াশোনার খরচ চালাতো।
তাকে ধর্ষণ করে ঘাড় মটকে মেরে ফেলা হয়েছে.......
তারপর ওই ধর্ষকরা আরো দুইদিন বাস চালিয়েছে।
পরিবারের লোকদের সাথে স্বাভাবিক আচরণ করেছে!
...... তাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই!

ফেসবুকে/ব্লগে লেখালেখি করে লাভ হবেনা।
বিচার তো আর আমাদের হাতে না।বিচার না হলে আমাদের কিছুই করার থাকবেনা ( অন্যান্য ধর্ষণের ক্ষেত্রে যা হয়েছে )।
তবে এটা সবাইকে জানিয়ে দেয়া উচিত যে............ 'ধর্ষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান'!
.......... খবরের কিছু অংশ .......
বাসটি সিরাজগঞ্জে আসার পর শুধু ওই তরুণী ছাড়া আর কোনো যাত্রী ছিল না। বাস এলেঙ্গা পার হওয়ার পর চালকের সহকারী শামীম প্রথমে তরুণীকে অশোভন প্রস্তাব দেন। পরে জোর করে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যান। তখন তরুণী তাঁর মুঠোফোন এবং সঙ্গে থাকা পাঁচ হাজার টাকা শামীমকে দিয়ে অনুরোধ করেন, তাঁর কোনো ক্ষতি যেন না হয়। টাকা ও মুঠোফোন নেওয়ার পর শামীম তরুণীকে হত্যা করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বাসের অপর দুই সহকারী আকরাম ও জাহাঙ্গীরও তাঁকে ধর্ষণ করেন। বাস মধুপুর উপজেলা সদরের কাছাকাছি পৌঁছালে তরুণী চিৎকার করে ওঠেন। এ সময় শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাঁর ঘাড় মটকে হত্যা করেন। পরে মধুপুর শহর পার হয়ে বনাঞ্চলে প্রবেশের পর পঁচিশ মাইল এলাকার সুমি নার্সারির কাছে তরুণীর মরদেহ ফেলে দেন!

.....এসব নিউজ দেখে ওই জায়গায় নিজের বউ/গার্লফ্রেন্ড /মা/বোনকে চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন কেমন লাগে।
ওই জানোয়ারদের ধর্ষণ প্রমাণিত হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফাঁসির বিধান করা হোক।
আর যারা পর্দা না করার কারণে ধর্ষণ হয় মনে করেন তাদের একটা ব্যাপারে বলে দেই সেটা হচ্ছে ওইসব জানোয়াররা পর্দা-বেপর্দা মেনে চলেনা।
এরা জানে মেয়েদের কাপড়ের নিচে কি আছে।সেই কাপড় হোক পর্দার কিংবা পর্দা ছাড়া (আমি পর্দা করবেন না বলছিনা।পর্দা করা সবচেয়ে ভালো এবং পর্দা করা উচিত)!
অনেকেই পর্দার ব্যাপারটা টেনে নিয়ে আসবেন বলে পর্দার ব্যাপারটা ক্লিয়ার করলাম।
ধর্ষণ বন্ধ করার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে।
নিজের বন্ধুকেও এসব ব্যাপারে আলোচনা করতে দেখলে শাস্তি দিয়ে দিবেন।
সেটা হোক বুঝিয়ে কিংবা গায়ে হাত তুলে।
প্রয়োজনে তার পরিবারে জানিয়ে দিয়ে তাকে বিয়ে করানোর ব্যবস্থা করুন।
অপরাধীদের সাপোর্ট দিলে আপনিও ধর্ষক!
পুরো জাতীকেই ধর্ষণ করছে ওরা।
এর শেষ হোক!
আজকেই এবং এখনই!
দেশের প্রতিটা জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে যান বন্ধুদের নিয়ে।
বাংলাদেশ হয়ে উঠুক সুন্দর।
সবশেষে একটা কথা....
ধর্ষণকে না বলুন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



