পত্রিকাটি বলছে, ভারতের ‘দুধের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত গুজরাট রাজ্যের আনন্দ শহর গর্ভ ভাড়ার ব্যবসায় শীর্ষে রয়েছে। শুধু তাই নয়- শহরটি এখন ‘ফার্টিলিটি ক্লিনিক কাম হোস্টেলে’ পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য হিন্দু। এ শহরের ‘আকাঙ্ক্ষা ফার্টিলিটি ক্লিনিক’ গর্ভ ভাড়া দেয়ার মাধ্যমে ৫শ’তম শিশু জন্মের উৎসব পালন করেছে গত মাসে। এ উপলক্ষে ক্লিনিকটি ভারতের প্রধান দৈনিকগুলোর প্রথম পাতায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে।
ভারতে গর্ভ ভাড়ার মাধ্যমে যেসব সন্তান জন্ম দেয়া হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই তুলে দেয়া হয় বিদেশি দম্পতির হাতে। এ ব্যবসার মধ্যদিয়ে কোটি কোটি ডলার আয় করা হলেও গর্ভধারণকারী ভারতীয় নারী একবার গর্ভ ভাড়ার বিনিময়ে সাড়ে তিন লাখ রুপির বেশি পান না। অবশ্য, যমজ সন্তান জন্ম দিলে গর্ভ ভাড়া দানকারী নারীকে আরো ২০ শতাংশ বেশি অর্থ দিতে হয়। কিন্তু, এভাবে একটা সন্তান পেতে হলে দম্পতিকে গড়ে ৮ থেকে ১০ লাখ রুপি খরচ করতে হয়। এ ছাড়া, গর্ভকালীন এ ধরনের নারীদেরকে এক প্রতি মাসে মাত্র এক হাজার রুপি দেয়া হয়। সবচেয়ে উদ্বেগের দিকটি হচ্ছে- গর্ভকালীন কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তা সামাল দেয়ার জন্য কোনো বীমার ব্যবস্থা নেই।
আমেরিকা বা ব্রিটেনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক খরচে ভারতে গর্ভ ভাড়া পাওয়া যায়। তবে, বিশেষ কারণ ছাড়া ওই দু’দেশে গর্ভ ভাড়া নেয়া যায় না। কিন্তু, ইউরোপের অন্য দেশগুলোতে কোনো অবস্থাতেই গর্ভ ভাড়া দেয়ার বিধান নেই।
ভারতের সিপিআই-এম নেতা বৃন্দা কারাত বলেছেন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গর্ভ ভাড়া দেয়ার সঙ্গে নৈতিকতার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি আরো বলেন, ফার্টিলিটি ক্লিনিকগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতে কোনো কার্যকর আইন না থাকা সরকারের দায়িত্ব-জ্ঞানহীনতার পরিচয় এবং সরকারের জন্য গভীর লজ্জার বিষয়।
নিচের এই লিন্ক থেকে নেওয়া.....
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




