পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে নারীরা লড়াই করে যাচ্ছে, অন্যান্য মানুষের মতো ভালোভাবে বাঁচতে।
কিন্তু নানা কারণে তারা ব্যর্থ হচ্ছে।
আগে হিন্দু নারীদের তার মৃত স্বামীর সাথে
তাকেও জীবন্ত আগুনে পোড়া হতো।
নারীরা সেচ্ছায় তা বরণ করতো।
তারা বিশ্বাস করতো
তাতে তারা স্বর্গে যাবে।
কালের পরিবর্তনে তাদের সেই ভুল ভেঙেছে।
বেঁচে গেছে অনেক নারী।
তারপরেও বিভিন্ন ধর্মের অজুহাত দেখিয়ে,
ধর্মকে অপব্যাখ্যা করে নারীকে ভোগ করছে বহুভাবে।
যদিও কিছু কিছু ধর্মে নারীকে ভোগ করার কথায় বেশি বলা হয়েছে,
কিন্তু ইসলাম ধর্ম নারীকে দিয়েছে সর্বোত্তম মর্যাদা।
সেটাকেও অনেকে অপব্যাখ্যা করে
নারীকে ভোগ-অত্যাচার করছে নির্মমভাবে।
আমি কোনো ধর্মীয় জ্ঞান দিতে চাচ্ছি না।
কারণ আমি নিজেও ধর্ম সম্পর্কে বেশি জানি না।
তবে জানতে চাই।
ধর্মের কোথায় আছে "স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত"?
কিছু ভণ্ড ধর্ম ব্যাবসায়ী আজ এই ফতোয়া দিয়ে নারীদেরকে এখনো ইতর প্রাণীর মতো ব্যাবহার করতে চায়।
আর আমাদের এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজও তা মেনে নিচ্ছে।
এটায় স্বাভাবিক।
একজন মানুষের বেহেশত একটায়।
সেটা হচ্ছে "মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত "।
আসুন কুসংস্কার আর ধর্মীয় অপব্যাখ্যা থেকে সমাজকে রক্ষা করি।
তবে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবে না।
নোট: কারো ভিন্নমত থাকলে রেফারেন্স দিয়ে মতামত জানাবেন। দয়া করে বিতর্কে যাবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


