somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া জুটির পথে তামিম–ইমরুল।

০১ লা মে, ২০১৫ রাত ৯:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া জুটির পথে তামিম–ইমরুল।

ফিল্ডিং করেছেন প্রায় ১৬৯ ওভার। বাকি সতীর্থরা সাজ ঘরের আরামদায়ক শীতলতায় কাটালেও এই দুজন মিনিট কয়েক বিরতির পরই আবার নেমেছেন ব্যাট হাতে। সেখানেও ব্যাট করে গেলেন ৬১ ওভার। প্রায় ২৩০ ওভার টানা খেলার ধকল। কিন্তু ​কী আশ্চর্য, সাজঘরে ফেরার সময় মরে যাওয়া রোদের তির্যক আলোতে উদ্ভাসিতই দেখাল তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েসকে। তৃপ্তির সতেজ বাতাসে সব ক্লান্তি উধাও!

অথচ ব্যাট হাতে নেমেছিলেন পাহাড় সমান চাপ মাথায় নিয়ে। পাকিস্তানের ২৯৬ রানের লিড। ম্যাচের চতুর্থ দিন। প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়া পাকিস্তানের স্পিনারদের হাত নিশ্চয়ই উশখুশ করছে! পাড়ি দিতে হবে পাঁচ-পাঁচটি দীর্ঘ সেশন।
কী আশ্চর্য, সেই বাংলাদেশ পাঁচ সেশনের প্রথম দুটোতেই পাকিস্তানের বিশাল লিডের আকারটা নামিয়ে আনল মাত্র ২৩ রানে, সেটিও একটি উইকেট না হারিয়েও! ১৩৮ রানে অপরাজিত তামিম, ১৩২ রানে ইমরুল। উদ্বোধনী জুটিতে ২৭৩ রান, যেকোনো জুটিতেই বাংলাদেশের পক্ষে নতুন রেকর্ড। আগের টেস্টেও এই দুজন সেঞ্চুরি করেছিলেন, উদ্বোধনী জুটিতে ২২৪ রান এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঁচ মাস আগের সেই টেস্টে প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে, সেটি ছিল ম্যাচের প্রথম ইনিংসও।
সব ক্লান্তির ধকল সামলে, চাপকে পাঁপড় ভাজার মতো মুচড়ে দিয়ে টেস্টেও নতুন বাংলাদেশের গান শোনাচ্ছে মুশফিকুর রহিমের দল, আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, সেই মুশফিকই ‘টেকনিক্যালি’ অধিনায়ক হিসেবে এখনো অনুপস্থিত! ফলাফল? মার খেতে খেতে ক্লান্ত পাকিস্তানিরা মাঠ ছাড়ল একেবারে নুয়ে পড়ে। ২৮টি চার আর সাতটি ছক্কা হজম করতে হয়েছে। তামিম-ইমরুল কখনো রিভার্স সুইপ কখনো ডাউন দ্য উইকেটে এসে বুঝিয়ে দিয়েছেন—অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স নীতি নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। পুরো ইনিংসে পাকিস্তানের মেডেন ওভার মাত্র দুটি! ওভার প্রতি রান প্রায় সাড়ে চার!
এই খুলনায় গত নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিম সেঞ্চুরি পেলেও সেটা ছিল এক মন্থর গতির ইনিংস। ৪৭৩ মিনিট উইকেটে থেকে ৩৩২ বলে করেছিলেন ১০৯ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেও ২৫ রান করলেন ৭৪ বল খেলে। সেই তামিম আজ স্বরূপে, স্বভাবসুলভ সেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রতিচ্ছবি। কিছুক্ষণ পরপর চোখ জুড়ানো সব শটে একেকটা বাউন্ডারিতে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের ভরা গ্যালারি নাচিয়ে তুলছেন। তুলে নিয়েছেন সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম। টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরিটা এলো ১২১ বলে। বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ৬২ রান। এখনো অপরাজিত ১৩৮ রানে।
তামিমের দিনে শুরুতে পার্শ্বনায়ক হয়ে ছিলেন ইমরুল। কিন্তু তিনিও খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন দ্রুতই। তুলে নিয়েছেন তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। তামিম-ইমরুলের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে পেছনে ফেলেছে ২০১৩ সালে গল টেস্টে আশরাফুল-মুশফিকুর রহিমের পঞ্চম উইকেটে তোলা ২৬৭ রানের জুটিকে।
উইকেটের চরিত্র আসলে কী, সেটাই এক বিরাট ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালে খানিকটা বৃষ্টি হয়েছিল। এ ছাড়া আজ অবশিষ্ট ৫ উইকেটে ৯১ রান যোগ করে পাকিস্তান অলআউট হওয়ার পরও বাংলাদেশের এমন আক্রমণাত্মক শুরু! প্রথম ইনিংস আর দ্বিতীয় ইনিংসের বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে এমন পার্থক্য!
দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে উঠল ১৩৬ রান। রানরেট পাঁচের ওপর! রানের চাকা একই গতিতে ছুটেছে শেষ সেশনেও। শেষ সেশনে ১৩১। মোট রানের ১৫৪ এসেছে বাউন্ডারি থেকে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া জুটির পথে তামিম–ইমরুল। ছবি: শামসুল হক

ফিল্ডিং করেছেন প্রায় ১৬৯ ওভার। বাকি সতীর্থরা সাজ ঘরের আরামদায়ক শীতলতায় কাটালেও এই দুজন মিনিট কয়েক বিরতির পরই আবার নেমেছেন ব্যাট হাতে। সেখানেও ব্যাট করে গেলেন ৬১ ওভার। প্রায় ২৩০ ওভার টানা খেলার ধকল। কিন্তু ​কী আশ্চর্য, সাজঘরে ফেরার সময় মরে যাওয়া রোদের তির্যক আলোতে উদ্ভাসিতই দেখাল তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েসকে। তৃপ্তির সতেজ বাতাসে সব ক্লান্তি উধাও!

অথচ ব্যাট হাতে নেমেছিলেন পাহাড় সমান চাপ মাথায় নিয়ে। পাকিস্তানের ২৯৬ রানের লিড। ম্যাচের চতুর্থ দিন। প্রথম ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়া পাকিস্তানের স্পিনারদের হাত নিশ্চয়ই উশখুশ করছে! পাড়ি দিতে হবে পাঁচ-পাঁচটি দীর্ঘ সেশন।
কী আশ্চর্য, সেই বাংলাদেশ পাঁচ সেশনের প্রথম দুটোতেই পাকিস্তানের বিশাল লিডের আকারটা নামিয়ে আনল মাত্র ২৩ রানে, সেটিও একটি উইকেট না হারিয়েও! ১৩৮ রানে অপরাজিত তামিম, ১৩২ রানে ইমরুল। উদ্বোধনী জুটিতে ২৭৩ রান, যেকোনো জুটিতেই বাংলাদেশের পক্ষে নতুন রেকর্ড। আগের টেস্টেও এই দুজন সেঞ্চুরি করেছিলেন, উদ্বোধনী জুটিতে ২২৪ রান এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু পাঁচ মাস আগের সেই টেস্টে প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে, সেটি ছিল ম্যাচের প্রথম ইনিংসও।
সব ক্লান্তির ধকল সামলে, চাপকে পাঁপড় ভাজার মতো মুচড়ে দিয়ে টেস্টেও নতুন বাংলাদেশের গান শোনাচ্ছে মুশফিকুর রহিমের দল, আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, সেই মুশফিকই ‘টেকনিক্যালি’ অধিনায়ক হিসেবে এখনো অনুপস্থিত! ফলাফল? মার খেতে খেতে ক্লান্ত পাকিস্তানিরা মাঠ ছাড়ল একেবারে নুয়ে পড়ে। ২৮টি চার আর সাতটি ছক্কা হজম করতে হয়েছে। তামিম-ইমরুল কখনো রিভার্স সুইপ কখনো ডাউন দ্য উইকেটে এসে বুঝিয়ে দিয়েছেন—অ্যাটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স নীতি নিয়েই মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। পুরো ইনিংসে পাকিস্তানের মেডেন ওভার মাত্র দুটি! ওভার প্রতি রান প্রায় সাড়ে চার!
এই খুলনায় গত নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিম সেঞ্চুরি পেলেও সেটা ছিল এক মন্থর গতির ইনিংস। ৪৭৩ মিনিট উইকেটে থেকে ৩৩২ বলে করেছিলেন ১০৯ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসেও ২৫ রান করলেন ৭৪ বল খেলে। সেই তামিম আজ স্বরূপে, স্বভাবসুলভ সেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রতিচ্ছবি। কিছুক্ষণ পরপর চোখ জুড়ানো সব শটে একেকটা বাউন্ডারিতে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের ভরা গ্যালারি নাচিয়ে তুলছেন। তুলে নিয়েছেন সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম। টানা তিন টেস্টে সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরিটা এলো ১২১ বলে। বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ৬২ রান। এখনো অপরাজিত ১৩৮ রানে।
তামিমের দিনে শুরুতে পার্শ্বনায়ক হয়ে ছিলেন ইমরুল। কিন্তু তিনিও খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন দ্রুতই। তুলে নিয়েছেন তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। তামিম-ইমরুলের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে পেছনে ফেলেছে ২০১৩ সালে গল টেস্টে আশরাফুল-মুশফিকুর রহিমের পঞ্চম উইকেটে তোলা ২৬৭ রানের জুটিকে।
উইকেটের চরিত্র আসলে কী, সেটাই এক বিরাট ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালে খানিকটা বৃষ্টি হয়েছিল। এ ছাড়া আজ অবশিষ্ট ৫ উইকেটে ৯১ রান যোগ করে পাকিস্তান অলআউট হওয়ার পরও বাংলাদেশের এমন আক্রমণাত্মক শুরু! প্রথম ইনিংস আর দ্বিতীয় ইনিংসের বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে এমন পার্থক্য!
দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট না হারিয়ে উঠল ১৩৬ রান। রানরেট পাঁচের ওপর! রানের চাকা একই গতিতে ছুটেছে শেষ সেশনেও। শেষ সেশনে ১৩১। মোট রানের ১৫৪ এসেছে বাউন্ডারি থেকে।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×