সমীকরণটা অনেক পুরোনো।
দেশে কাকের চেয়ে কবির সংখ্যা বেশি!
যদিও কাকের গায়ের রঙ কালো কিন্তু কবিগন বিচিত্র। তাদের গায়ের রঙ বিভিন্ন। ঢং ভিন্ন। চলন ভিন্ন। বলন ভিন্ন।
তাদের কলমে উঠে আসে নিমিষেই সব তাপ-পাপ।
তাদের কলমের তলানিতে পড়ে আকাশ হয়ে ওঠে কখনো নীল, কখনো সবুজ এমনকি কখনো কখনো হলুদও!
যুক্তিটাও অবশ্য মোক্ষম: আকাশের জন্ডিস হয়েছে!
বটে, জন্ডিস হলে তো শরীরের রঙ হলুদ হবেই। সে মানুষ আকাশের শরীর হোক আর মাথার ওপর থাকা আকাশ হোক! কবির কলম বলে কথা।
সেই কলমে উঠে আসে নারীর শরীর, দেখা যায় হাজারো বর্ণিল বাঁক। উঠে আসে বিষন্নতার ধোঁয়া। ব্যবচ্ছেদ হয় যৌণতার স্যান্ডউইচ।
এক্ষেত্রেও একটি সংক্ষিপ্ত পাদটীকা: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য রচিত!
কবিগন কহেন জনগণ সহেন।
তাদের কলমে থাকে ধার, সে ধারে কেটে যায় রাত, কেটে যায় হাত। কাটে প্রেম। কাটে সংসার। কাটে ধর্ম। কর্মও!
সেই কলমের জোরে আকাশ হয়ে ওঠে সৃষ্টিশীল। বৃষ্টিস্নাত তান্ডবী রাত হয়ে যায় জোসনা কাপানো।
কিন্তু, হাতের নাগালে, ধূসর রাস্তার ওপর কিংবা ঝোপ-জঙ্গলের আড়ালে, বিদ্দুতের খাম্বাতে, শিকারীর ইচ্ছার, প্রকৃতির কিচ্ছার বলি হয়ে দিন-রাত্রিতে অসহায় মরে পড়ে থাকে যে কাক-পক্ষী...
তাদের কথা কয় না কবির কলম। কইলেও তার ভেতর থাকে নারীর বাঁক। যুবতীর ডাক। অবাক। আশ্চর্য!!
হায়, কথাটি বোধহয় সবাই ভুলতেই বসেছি...
মুগ্ধতা শুধু শুদ্ধতাতেই মেলে না। মৃত আশাও স্বপ্ন দেখাতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




