somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এইম ইন লাইফ

২৭ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




এইম ইন লাইফ-জীবনের লক্ষ্য।ছোটবেলায় আমরা সবাই এটা নিয়ে অনেক রচনা লিখেছি।তখন বেশি মার্ক পাওয়ার জন্য অনেক বড় বড় কথা লিখতাম।যেমন-আমি বড় হয়ে ভাল ডাক্তার হব,গরিবদের বিনা টাকায় চিকিৎসা করব।আবার কেউ কেউ লিখতাম আমি বড় হয়ে একজন আদর্শ শিক্ষক হব ইত্যাদি।কিন্তু বড় হবার পর আমাদের কারো কি এসব আদর্শ এর কথা মনে থাকে?



প্রথমে আসি ডাক্তার এর কথায়। এখন অনেক ডাক্তার পাওয়া যাবে যাদের আসল উদ্দেশ্য রোগীদের সেবা করা নয়,ওদের একমাত্র উদ্দেশ্য কিভাবে বেশী টাকা আয় করা যায়। কয়জন ই এখন গরিবদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করছেন......হাতুড়ে ডাক্তার এর সংখাও বেড়ে গেছে এখন। এইসব হাতুড়ে ডাক্তার এর কি একবারও মনে হয় না যে ওদের ভুল চিকিৎসার কারনে কত মানুষ মারা যাচ্ছে।ওদের ত কোন অধিকার নেই কারো জীবন নষ্ট করার।



শিক্ষক-মানুষ গড়ার কারিগড়।ছোটবেলা থেকে তাই শুনে আসছি।কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন। এখনত স্কুলে কোন পড়ালেখা হয়না,সব পড়ালেখা হয় শিক্ষক এর বাসায়। এটা শিক্ষক এর জন্য একটা এক্সট্রা ইনকাম,কিন্তু ওই শিক্ষক কিভাবে ভুলে যান যে সরকার ওনাকে বেতন দেয় স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য। আমি এমনও শিক্ষক দেখেছি যে ছাত্র-ছাত্রী কে বলে দেয় পরীক্ষায় কি কি আসবে তবে সবাই কে না শুধু তাদের কে যারা যারা ওই শিক্ষক এর বাসায় পড়ে। যাদের সামর্থ আছে তারা অনায়াসে ৪-৫ টা শিক্ষক এর কাছে টিউশনী পড়তে পারবে কিন্তু যাদের সামর্থ নেই তাদের মনে সবসময় একটা আফসোস থেকে যাবে।
আমি যে স্কুলে পড়েছি ওইটা একটা সরকারি স্কুল ছিলো। হয়ত সরকারি স্কুল বলে পড়ালেখার মান এত ভাল ছিলোনা। টীচার ক্লাসে আসতেন, কিছু মুখস্ত করতে বলতেন।ছাত্রীরা বসে বসে মুখস্ত করত আর ওদিকে ২-৩ জন টীচার একসাথে বসে গল্প করতেন.....ব্যস শেষ। যখন পরীক্ষা চলত তখন ও টীচাররা ক্লাসে বসে নাস্তা করতেন আর গল্প করতেন। এ সুযোগ এ কেউ নকল করছে আবার কিছু ছাত্রী একজন আরেকজনের দেখাদেখি করে লিখছে।এসবের দিকে কারো কোন খেয়াল ছিলোনা। এখানে (লন্ডন) যখন আমি প্রথম পরীক্ষা দেই তখন কিরকম জানি লাগত...এত নীরব, নিস্তব্দ পরিবেশে কখনও পরীক্ষা দেইনি।পরীক্ষার হলে দরকার ছাড়া কোন টীচারই একজন আরেকজনের সাথে কথা বলতেন না।

বাসায় যারা পড়াতে আসেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষক এর নিয়ত খারাপ থাকে।ওদের মনে কি থাকে সেটা নতুন করে আর কিছু বলার নেই, সবাই জানে এই ব্যাপারে। ভাবতেই অনেক ঘৃ্না লাগে।

ছোটবেলায় আমরা যেসব নীতির কথা মুখস্ত করি বড় হয়ে সেগুলো কেন ভুলে যাই? আমাদের বাবা-মা ছোটবেলায় আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছেন বড় হওয়ার পর সেটা কি আমরা মনে রাখছি?
আমি কখনোই অসৎ পথে চলতে চাই না...আর এটাই আমার জীবনের লক্ষ্য......
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৪
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

“Epstein “ বুঝতে পারেন ! কিন্তু রাজাকার,আলবদর,আলশামস আর আজকের Extension লালবদর বুঝতে পারেন না ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:০৮

মূলত এটি একটি ছবি ব্লগ। এক একটি ছবি একটি করে ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কস্টের অধ্যায়।

এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:০১

শুধু উপবাস নয়, আত্মশুদ্ধি অর্জনই রোজার মূল উদ্দেশ্য

ছবি, সংগৃহিত।

সারসংক্ষেপ

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। সাধারণ মুসলিম সমাজে রোজা ভঙ্গের ধারণা প্রধানত পানাহার ও যৌন সংসর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অথচ কুরআন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×