somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি অনুর্বর মস্তিস্ক-প্রসূত অবাস্তব কল্পনা

১৫ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




'ভুয়া মফিজ…এ্যাই ভুয়া মফিজ, তুমি কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?'

চরম ভয় পেয়ে বাবাগো, মাগো বলে বিছানায় উঠে বসলো মফিজ। এই নিয়ে পর পর তিনটা রাত ভয় পেয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলো ও। বিছানার পাশের সাইড টেবিলটাতে চার্জে দিয়ে রাখা মোবাইলে সময় দেখলো। আগেই ধারনা করেছিল, রাত তিনটা বাজে সম্ভবতঃ। ধারনা ঠিকই আছে, তিনটাই বাজে। গত দু’রাতেও ঠিক এ’সময়টাতেই ভয় পেয়ে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল ওর। ঘুম আর আসবে না এখন। দরজা খুলে রুম-লাগোয়া বারান্দাটায় এসে দাড়ালো। ভয়ের ঘামে ভিজে যাওয়া শরীরটা একেবারে জুড়িয়ে গেল শীতল মৃদুমন্দ বাতাসে।

নীচে মৃদু গর গর শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখে দু’টা কুকুর প্রেম করছে, আর আরও তিনটা কুকুর ঘিরে দাড়িয়ে লাইভ দেখছে। কারবার দেখে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল মফিজের। নাহ্, এই বেশরম কুত্তার বাচ্চাগুলোর জন্য শান্তিতে একটু বারান্দায় দাড়ানোরও উপায় নাই। অগত্যা রুমে ফিরে এলো আবার। বিছানায় বসলো। সাইড টেবিলে রাখা পানিভর্তি গ্লাসটা নিয়ে ঢক ঢক করে একবারে পুরোটা পানি খেয়ে ফেললো। এতোক্ষনে টের পেল, গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে ছিল ওর। এরপর ভাবলো, পুরো বিষয়টা নিয়ে একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করা দরকার।

আজ নিয়ে পর পর তিন রাত একই ঘটনা! মানেটা কি? যতোটা মনে করতে পারে ও; স্বপ্নের একদম শুরুতে কেমন যেন একটা কান্নার মতো বিলম্বিত সুর শোনা যায়। তারপর আবছামতো কিছু একটার নড়াচড়া, তারপরই ঝপ করে একটা হলোগ্রাফিক ইমেজের মতো অবয়ব সামনে চলে আসে। অবয়বটা সম্ভবতঃ ওকে কিছু একটা বলতে চায়। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো, জিনিসটা ওকে মফিজ বলে না, বলে 'ভুয়া মফিজ'। তারমানে, ও যে ব্লগিং করে সেটা ওটা জানে! হলি কাউ! মাথা পুরাই আউলায়ে গেল মফিজের। ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে, জিনিসটার চেহারা। অপার্থিব কিছু একটা আছে। মনে করেই একটা ঢোক গিললো ও।

আজ চতুর্থরাত। ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মফিজ। এমনিতে ভীতু হিসাবে তেমন কোন বদনাম নাই ওর। আজ মোটামুটি ডিটারমাইন্ড, জিনিসটা কি বলতে চায়, শুনবে। চিন্তা করতে করতে একসময় ঘুমিয়ে গেল ও। যথারীতি জিনিসটা সামনে চলে এলো, এবং যথারীতি ভয়ে আত্মারাম খাচাছাড়া হওয়ার উপক্রম হলো মফিজের। এমন সময় শুনলো, জিনিসটা বলছে, এ্যাই শালার ব্যাটা ভুয়া, খবরদার ভয় পাবি না! কথা শোন আগে, ডরপোক কোথাকার!!

ডায়লগ শুনে এই প্রথম ভয়ের সাথে সাথে কৌতুহলও হলো মফিজের। কাপা কাপা গলায় বললো, আপনে কে ভাইজান? গালাগালি করেন ক্যান?

গালাগালি করবো না! কতো কষ্ট করে তোমার ব্রেইনে আলফা ওয়েভ তৈরী করি যোগাযোগ করার জন্য। আর তুমি ভয় পেয়ে জেগে সব পন্ড করে দাও। জেগে গেলে কথা বলবো কিভাবে?

আচ্ছা যান, আর জাগুম না। কিন্তু আপনেরে দেখলে তো ডর লাগে। দ্যাহেন না, ডরের চোটে শুদ্ধ বাংলা ভুইলা গেছি গা!! যাউক গা, এই আলফা ওয়েভ কি জিনিস? আপনেই বা কে? কি চান আমার কাছে?

খিক খিক করে হাসলো জিনিসটা। বললো, এই তো লাইনে আইছো মনু। ওকে, সংক্ষেপে বলি। তোমাদের মস্তিষ্কে যে নিউরোন আছে, এ’গুলাকে কাজ করাতে হলে একধরনের বৈদ্যুতিক উদ্দীপনার দরকার হয়। এই উদ্দীপনা একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌছালে ব্রেন সবচেয়ে ভালো কাজ করতে পারে। এটাই আলফা ওয়েভ। তোমাদের ব্রেইন এই নির্দিষ্ট মাত্রায় না আসলে আমরা ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারি না। আমি কে? সোজা বাংলায়, তোমাদের পাশের ইউনিভার্সের বাসিন্দা। আর আমি কি চাই? কিছুই না। তোমার সাথে একটু টাইম পাস করি আর কি!

বড় করে একটা ঢোক গিললো মফিজ। জিনিসটার মতিগতি সুবিধার ঠেকছে না ওর কাছে। এইটার টাইম পাস করার কি জায়গার অভাব? ওর ব্রেইনরে আলফা লেভেলে নিয়ে তিনদিনের চেষ্টার পরে কথা বলতে পারছে; খালি টাইম পাসের জন্য? উহু! কিছু একটা ভজঘট তো আছেই। কিন্তু এটাকে তো চেতানোও যাবে না। আবার বলে পাশের ইউনিভার্স! গলা খাকারী দিল মফিজ। আমাগো এই পুরা ইউনিভার্সে আমারেই পাইলেন টাইম পাস করনের লাইগা?

আসলে আমাদের ইন্টুকনেটে, মানে ইন্টার-ইউনিভার্স কমিউনিকেশান নেটওয়ার্ক – তোমাদের যেইটা ইন্টারনেট আরকি, কিছু ইনপুট দিয়ে বললাম, এই ইউনিভার্সের একজনকে খুজে দিতে। তো তোমাকেই দিল। তবে, মনে হচ্ছে ঠিকমতো খোজে নাই। বলেছিলাম সামু‘র ব্লগার হতে হবে, প্যারালাল ইউনিভার্স নিয়ে ন্যুনতম জ্ঞান থাকতে হবে, একটু বেকুব টাইপের হতে হবে আর প্রশ্ন কম করে, এমন কেউ যেন হয়। তোমার সবই ঠিক আছে, কিন্তু প্রশ্ন তুমি খুব বেশী করো।

বেকুব বলাতে মফিজের মনটা একটু খারাপ হলেও মেনে নিল। নিজেকে ও সাধাসিধা হিসাবে ভাবতেই পছন্দ করে সবসময়। কিন্তু বছর তিনেক আগে শমী ব্রেকাপের কারন হিসাবে যখন বলেছিল, তুমি একটা আস্তা বেকুব। রামছাগলও তোমার থিকা ভালো। তাই তোমার সাথে সারাজীবন ঘর-সংসার করা সম্ভব না। সেদিনই ও আসলে বুঝতে পেরেছিল, ও যতোটা না সাধাসিধা, তার চেয়েও বেশী বেকুব। না হলে শমীর মতো মেয়ে এতোদিন প্রেম করার পর ওকে বেকুব বলে কিভাবে? আগে হাল্কা করে দাড়ি রাখতো। ব্রেকাপের পর থেকে ক্লিন শেভ করে সবসময়। একটু দাড়ি গজালেই রামছাগলের মতো মনে হয় নিজেকে। সে যা হোক, পুরানো আপদের কথা বাদ দিয়ে নতুন আপদের দিকে নজর দিল ও। ভয়ে ভয়ে বললো, কিন্তু আপনে যদি সবকিছু খুইলা না কন, তাইলে আপনের টাইমপাসে আমি সাহায্য করুম কেমনে?

জিনিসটাকে এইবার একটু খুশী খুশী মনে হলো। বললো, এই একটা বুদ্ধিমানের মতো কথা বললা। ঠিক আছে, বেশী প্রশ্ন করবা না। সংক্ষেপে বলো, কি জানতে চাও!

প্রথমতঃ, টাইম পাসের জন্য আপনের ব্লগার দরকার কেন? দ্বিতীয়তঃ, আপনারা আপনাদের ইউনিভার্সের বাইরে যোগাযোগ করেন কেমনে, আমরা তো পারি না, তৃতীয়তঃ……..

থাম! কথা পুরোটা শেষ করার আগেই একটা ধমক খেল মফিজ। তোমারে না বললাম প্রশ্ন কম করবা! একটু চান্স দিলাম, আর একনাগাড়ে প্রশ্ন করা শুরু করছো?

বিরাট আকারের ধমকটা খেয়ে আর কিছু বলতে সাহস পেল না ও, অসহায়ের মতো চুপ করে রইলো। প্রশ্ন না করে কি করবে, পেটের মধ্যে হাজারো জিজ্ঞাসা ঘুটঘাট শব্দ করছে। একেবারে ডায়েরিয়ার রোগীর মতো অবস্থা!

ওকে চুপ থাকতে দেখে একটু মায়া হলো প্রতিবেশীর। বললো, ঠিক আছে, শোনো। তোমাদের বিজ্ঞানীরা যেভাবে ভাবছে তেমনটা না হলেও প্যারালাল ইউনিভার্স হিসাবে অনেকটাই মিল আছে আমাদের মধ্যে, আবার অমিলও আছে। যেমন, আমাদের আকাশের রং গোলাপী। জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমরা তোমাদের থেকে অনেক অনেক এডভান্স। তবে আমরা অনেকটাই আত্মকেন্দ্রিক। জ্ঞান বিতরন দুরে থাক, ইউনিভার্সের বাইরে যোগাযোগ করাটাই নিরুৎসাহিত করা হয় আমাদের এখানে। আর যোগাযোগ? এটা আমাদের কাছে ডালভাত। আমরা যোগাযোগ করি ব্ল্যাকহোলকে কাজে লাগিয়ে। জানো তো, ব্ল্যাকহোলে সময় থমকে থাকে। আর মহাবিশ্ব যেমন সদা-সম্প্রসারণশীল, তেমনি ব্ল্যাকহোল সদা-সংকোচনশীল। তো, এই দুই বৈশিষ্ট্যকে কাজে লাগিয়েই একটা যোগাযোগ মডিউল তৈরী করেছে আমাদের বিজ্ঞানীরা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা যে কোনও জায়গায় ভ্রমনও করতে পারি।

জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা শুনতে শুনতে ঘুমের মধ্যেই একটু ঝিমুনি এসে গিয়েছিল মফিজের। হাল্কা একটু নাকও ডেকে ফেলেছিল। ওর নাক ডাকা শুনে ভয়ানক চটে গেল জিনিসটা। মেঘ-গর্জন করে বললো, দরকারী কথা শুনলেই ঘুম আসে! ফাজিল কোথাকার!! তোমাদের চাদগাজী ঠিকই বলে। সব প্রশ্নফাস জেনারেশানের সদস্য।

আরে! এতো দেখি চাদগাজীরেও চিনে। এবার ঘুমের মধ্যেই আবার সজাগ হয়ে গেল মফিজ। মাথায় একটা ঝাকি দিয়ে বললো, না না ঘুমাই নাই। বলেন শুনতাছি।

হ্যা, যা বলছিলাম। আসলে আমিও একজন ব্লগার। আমার নিক হলো, 'আসল রমিজ', আর আমাদের ব্লগের নাম 'যা পামু, তাই খামু', সংক্ষেপে খামু ব্লগ। আমি জানি, তোমাদের ব্লগ এখন একটা খারাপ সময় অতিবাহিত করছে। কিছুদিন আগে আমাদের ব্লগও এমনিভাবে ব্লকের খপ্পরে পড়েছিল। গাব্বার নামে এক ভয়ানক ক্ষমতাধর ধুরন্ধর প্রকৃতির লোকের রোষের শিকার হয়েছিলাম আমরা। যাইহোক, আমাদের ব্লগের কর্ণধার, অত্যন্ত বুদ্ধিমান ডানা ভাই সেখান থেকে আমাদের বের করে আনেন। ভাবলাম, আমাদের অভিজ্ঞতা তোমাদের কাজে লাগতে পারে। তাই তোমাদের সাথে যোগাযোগ করার চিন্তা মাথায় আসলো। তবে, আমি যে তোমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি, এটা আমাদের ’নজরদারী বিভাগ’ এর নজরে এসেছে ইতোমধ্যেই। হয়তো আমাকে 'নিরুৎসাহিতকরন নোটিশ' পাঠানো হতে পারে। তাই কাজের কথা আগে শেষ করি, তারপরে আড্ডা দেওয়া যাবেক্ষণ।

কথা শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গেল মফিজ। আসল রমিজের দেয়া বুদ্ধি যদি কাজে লেগে যায় তাহলে ওর সামু ব্লগের সুপারস্টার হয়ে ওঠা এখন ঠেকাবে কে? কৃতজ্ঞতায় গদ গদ হয়ে বললো, আপনের এই উপকার আমরা হাজার জনমেও শোধ করতে পারবো না রমিজ ভাই। আপনে তো দেবদূতের মতো আবির্ভাব হইছেন আমাদের ভাগ্যাকাশে। আপনে হইলেন আমাগো ধ্রুবতারা। কাল্পনিক ভালোবাসা দেখতে দেখতে আমরা টায়ার্ড। আমাগো দরকার আপনের মতো একজনের সত্যিকারের ভালোবাসা। এই ভালোবাসা দিয়া আপনেই দুর থিকা আমাগো ব্লগরে কন্ট্রোল করবেন। আমারে খালি আপনের পাশে একটু জায়গা দিয়েন এসিস্ট্যান্ট হিসাবে।

চুপ কর শালার পো শালা! তেল মারিস না। কথা শোন আগে! হাল্কা ধমক দিলেও রমিজ ভাইয়ের চেহারায় একটা তেলতেলে উজ্জল আভা দেখা দিল। ''তেল আসলে সব শালারই পছন্দ'' মনে মনে হাসলো মফিজ।


তারপর হঠাৎ……….প্রচন্ড শব্দে বাজ পরলো কাছেপিঠেই কোথায় যেন। পুরাপুরি সজাগ হয়ে ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলো মফিজ, আর সেইসঙ্গে যোগাযোগটাও কেটে গেল। মাথায় হাত পরলো মফিজের। হায় হায়! আসল কথাটাই তো শোনা হলো না!!!


একটা ডিসক্লেইমারঃ আগেই বলেছি, এটা একটি অনুর্বর মস্তিস্ক-প্রসূত অবাস্তব কল্পনা। এর সাথে বাস্তবজগতের কোনকিছুর সাথেই কোন রকমের মিল যদি পাওয়া যায়, ধরে নিবেন…….এটা আপনার উর্বর মস্তিষ্কের কল্পনা এবং একটা কাকতালিয় ব্যাপার-স্যাপার।


ছবিঃ নেট থেকে সংগৃহীত।।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:২১
২৭টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেষ বিজয়

লিখেছেন রুমী ইয়াসমীন, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৪৬



শুধু আর একটা বিজয় চাই, শেষ বিজয়!
যে বিজয়ে আমরা মরে গিয়েও বেঁচে রবো,
ম্রিয়মাণ হয়েও দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবো,
ভেঙে দিয়ে তোমাদের যতো সংশয়, যতো ভ্রুকুটি।
যে জন্মের শুরু থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধূষর দিনে উড়াউড়ি

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

সকাল থেকে তুমুল বরফের উড়াউড়ি দেখছি। যত না তুষার পরছে তার চেয়ে বেশি উড়ছে, মাটিতে শুয়ে থাকা বরফ।
ঘন মেঘের কুণ্ডলি পাকিয়ে ধূষর অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে দৃষ্টি সীমানা। দূরে দিগন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

সু চির বক্তব্য নিয়ে ব্লগাররা যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩০



যিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা করা মানুষ, যিনি শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন তিনিই কিনা আজ নির্যাতিতদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে অসত্য বক্তব্য দিচ্ছেন। সুচি সামরিক শাসকের পুতুল।এমন নিকৃষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধীর কঠোর বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইফ ইন্ডিয়া ওয়াজ নট ডিভাইডেড, জিন্নাহ উড বি অনলি ফাদার অব হিজ ওন চিল্ড্রেন

লিখেছেন সায়েমুজজ্জামান, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩২

আমি কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্ডাষ্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড পলিসি বিষয়ে পড়ছি। একই বিষয়ের আগের ব্যাচের আফগান ছাত্র আবদুল হামিদ নজরি। তিনিও আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা। আমাদের দেখা হয় ডরমিটরির হালাল কিচেনে। কথায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেকুব (ও দুষ্ট) বন্ধুর চেয়ে শিক্ষিত শত্রু ভালো

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩



বেগম জিয়া সবচেয়ে কম-শিক্ষিত ও কম-বুদ্ধিমান মানুষ, যিনি আধুনিক যুগে, মুক্তিযুদ্ধে-জয়ী একটি জাতিকে অনেকটা একজন রাণীর মতো চালায়েছেন প্রায় ৩৫ বছর; এটা রূপকথার রাণীদের চেয়েও বড় ধরণের মীথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×