somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

If you don't do Politics, Politics will do you

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৪:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দেশের আইন কানুন সব কিছু জনগণের বিপক্ষে । সংবিধান জনগণের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার কোন ভাবেই নিশ্চিত করতে পারছে না। এই কাটা ছেড়া অসম্পূর্ণ সংবিধান কোন ভাবেই জনগণের উপকারে আসছে না। নতুন ভাবে দেশের ও জনগণের জন্য পরিপূর্ণ সংবিধান প্রণয়নয় এখন সময়ের দাবী। সংবিধান জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা করতে পারেনি। আবার ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকেলও জনগণ তাঁদের ভোট যথাযথ যোগ্য ব্যাক্তিকে দিতে পারে না। যেমন একদল কোন সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, অবৈধ ভাবে উপার্জিত অঢেল অর্থের মালিক ও অসৎ ব্যাক্তিকে নমিনেশন দিলে অন্য দলগুলো তার সাথে পেড়ে ওঠার জন্য ঠিক তেমনি আরেক জন সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজ, অবৈধ ভাবে উপার্জিত অঢেল অর্থের মালিক ও অসৎ ব্যাক্তিকে নমিনেশন দেয়। আবার সৎ লোক যেন নির্বাচনে না আসতে পারে সেই পথও রুদ্র করে রাখে। ফলে জনগণ সংবিধানিক ভাবে অসৎ ব্যাক্তিকেই ভোট দিতে বাধ্য। আবার যদি জনগণ সৎ লোক না পেয়ে ভোট প্রদানে বিরত থাকে তাহলে বিনা ভোটেই সংবিধান প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে। গত কেয়ারটেকার সরকারের সময় ব্যালট পেপারে "না" ভোট প্রতীক রেখেছিল যদি কোন প্রার্থীই যোগ্য না হয় তাহলে জনগণ "না" ভোট দিয়ে অসৎ প্রার্থীদের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করবে। কিন্তু আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গিয়ে প্রথম সংসদ অধিবেশনে আইন টি রহিত করেছে। আবার যদি কেহ প্রার্থী হতে চাই জাতীয় নির্বাচনে তাহলে দেশের যে কোন স্থানে নির্বাচন করতে পারবে সংবিধান তাঁকে সেই অধিকার দিয়েছে কিন্তু জনগণ/ ভোটার দেশের যে কোন স্থানে তাঁর ভোট প্রদান করতে পারবে না নিজের এলাকা ছাড়া । সংবিধান জনগণের সেই অধিকার হরণ করেছে। সারা বিশ্ব যখন সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা বারবার পিছনে ফিরে যাচ্ছি। আমরা চল্লিশ বছর পরে আবার ৭২'র সংবিধানে ফিরে গেছি শুধু রাজনৈতিক হীন উদ্দেশে। যে সংবিধান জনগণের অধিকার সংরক্ষণ করে না, যে সংবিধান সুশাসন ও গণতন্ত্র নিশ্চিত করে না, যে সংবিধান দলের প্রধান আর রাষ্ট্র প্রধান আলাদা করতে পারে না সেটি আসলে কিসের সংবিধান? তবে ভুলে গেলে চলবে না যে এই সংবিধান আমাদের দেশের রাজনীতিকরাই প্রণয়নয় করেছে তাদের নিজেদের সুবিধার জন্য। কাটা ছেড়া সংবিধান দিয়ে তো আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না। পশ্চিমা বিশ্বে কমবেশি সব দেশেই প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্র আছে তারপরেও জার্মান বংশদ্ভুদ আমেরিকান কবি ও লেখক চার্লস বুকওয়স্কি বলেছেন যে, "গণতন্ত্র আর স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য হল গণতন্ত্রের জন্য আগে ভোট দিতে হয় তারপর শোষিত হতে হয় আর স্বৈরতন্ত্রের জন্য ভোট দিয়ে সময় নষ্ট করতে হয় না"। অপেক্ষাকৃত প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রের প্রতি তিনি এমন ধরনা ব্যাক্ত করেছিলেন তাহলে কল্পনা করা যাই আমরা কোন গণতন্ত্রের মধ্যে বাস করছি। ব্রিটেনে আগামী ৭ মে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী আমেজে দেশ মুখরিত সেখানে বিভিন্ন মাধ্যমে এই কথাগুলো খুব বেশি শোনা যাচ্ছে ...If you don't do Politics, Politics will do you,your vote is most valuable..... তাই ব্রিটিশ-বাংলাদেশীরাও বসে নেই তাঁরাও ব্রিটেনে মূলধারার রাজনীতি করছে। এবার ১১জন ব্রিটিশ-বাংলাদেশী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাঁদের মধ্য অধিকাংশ বিজয়ী হওয়ার সম্ভবনা আছে। বিজয়ী হলে অনেকে মন্ত্রী হওয়ার প্রবল সম্ভবনা আছে। রাজনীতি আপনি না করলেও রাজনীতি আপনাকে করবে। তাই আসুন দেশ ও জনগণের ভাল হয় এমন কাজের জন্য আমরা রাজনীতি করি।
জয় হোক মেহানতি মানুষের।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৪:১৩
৯টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×