
“মানুষের উৎপত্তি হয়েছে বানর জাতীয় প্রাণী(Ape) থেকে, পর্যায়ক্রমে মিলিয়ন বছরের মাধ্যমে”। চার্লস ডারউইন তার The Origin of Species (১৮৫৯) বইয়ে প্রানী জগতের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই theory এর অবতারণা করেন। ডারউইনের The Origin of Species এর বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী পৃথিবীর সকল প্রানীই এবং উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়েছে বিবর্তনের মাধ্যমে, পর্যায় ক্রমে মিলিয়ন বছরের মাধ্যমে।
অন্যদিকে প্রায় সব প্রকৃত ধর্মতত্ব অনুসারে মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে সেই গঠন ও আকৃতি দিয়ে যে গঠন ও আকৃতি সৃষ্টির আদিকাল থেকে একই রকম দেখা যায় এবং যা এখন পর্যন্ত অবিকৃতই আছে।
সিভিলাইজেশন(Civilization) বা মানব সভ্যতার শুরুতে মানুষের বেঁচে থাকাটাই ছিল মুখ্য বিষয়। মূলতঃ যাযাবর, শিকারী ও ফলমূল সংগ্রহকারী মানুষ যখন চাষাবাদ করতে শেখে এবং দলবদ্ধ হয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে তখন থেকেই মানবজাতির সভ্যতার যাত্রা।
এই আধুনিক মানব সভ্যতার অগ্রগতি বা ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব’র অগ্রগতি কোথায় গিয়ে থামবে তা আমরা জানিনা। শুধু অনুমান করতে পারি যে যার মত করে।
আমার কিঞ্চিৎ অনুমান; এমনও কি হতে পারে না যে, আধুনিক সমাজ ব্যাবস্থা বা সভ্যতার যুগে মানুষ ভাল ভাবে বেঁচে থাকার তাগিদে যেমন বুন্য পরিবেশ, হিংস্রতা, হানাহানি, পাহাড়ের গুহা, অথবা যাকে আমরা অসভ্য সমাজ ব্যাবস্থা বলে থাকি যেখান থেকে মানব সভ্যতার শুরু, সেই শেকড়ে ফিরে যাবে আবার। অনিয়ম, অশান্তি, দুর্নীতি, দুঃশাসন,যুদ্ধ,হানাহানি, অতি অশান্ত পৃথিবী থেকে এক সময় মানুষ, প্রাণী এবং উদ্ভিদ মুখ ফিরিয়ে নিয়ে যাবে যে ক্রমবর্ধমান বিবর্তন তত্ত্ব এর ভিত্তিতে বানর থেকে মানুষ! ও মানব সভ্যতার পরিবর্তন আদি থেকে অত্যাধুনিক হয়েছে, সেই শেকড়ে।
অর্থাৎ মানুষ কি আবার বানর হবে(যদি ডারউইন এর বিবর্তনতত্ত্ব ঠিক ধরে নেওয়া হয়) আর সভ্যতা আবার অসভ্যতায় ফিরে যাবে!!! যেমনটা নিচের চিত্রে প্রতীয়মান হয়।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




