জলবিদ্যুত উৎপাদনে দেশ দুটিতে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে নতুন এই কোম্পানি গঠন করা হচ্ছে। বিদ্যুত বিভাগ বলছে, নেপাল এবং ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুত কেন্দ্র করা হবে প্রয়োজনে তৃতীয় কোন অভিজ্ঞ কোম্পানি থাকবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে। বিদ্যুতের একটি অংশ বাংলাদেশ পাবে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী বিদ্যুত উৎপাদন পরিকল্পনাতেও ছয় হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুত আমদানির লক্ষ্য রয়েছে।
বিদ্যুত বিভাগ বলছে, ভারত, নেপাল, ভুটান এবং বাংলাদেশ মিলে একটি বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে সকল দিনক চূড়ান্ত হবে। তবে এর আগে দ্বিপক্ষীয়ভাবে আলোচনা করে যে কোন দুই দেশ সম্মত হলে তারা কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বিনিয়োগ করতে পারবে। কোন দেশে বিদ্যুত নিতে তৃতীয় কোন দেশের সহায়তা প্রয়োজন হলেও তা করার বিষয়ে দেশগুলো নীতিগতভাবে সম্মত রয়েছে।
ইতোমধ্যে ভুটানে একটি জলবিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রাথমিক আলোচনা অনুসারে কুড়ি-১ নামের এ বিদ্যুত প্রকল্পটি হবে এক হাজার ১২৫ মেগাওয়াটের। এজন্য বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) সইয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এমওইউ-এর একটি খসড়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ এবং ভারতে পাঠায় ভুটান। খসড়া নিজেদের মতামত যুক্ত করে তা আবার থিম্পু ও দিল্লীতে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুত বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, শীঘ্রই ওই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবে দেশগুলো।
বর্তমানে ভুটান দেড় হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুত উৎপাদন করছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় কেন্দ্রটি হলো তালা ১ হাজার ২০ মেগাওয়াটে ক্ষমতার। ভুটানের বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো অধিকাংশই ভারতের অনুদানে ও বিনিয়োগে নির্মিত। উৎপাদিত বিদ্যুতের বেশি অংশই ভারতে রফতানি হয়।
অন্যদিকে নেপালে ৩০ হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুত উৎপাদনের সম্ভাবনা থাকলেও দেশটি বর্তমানে মাত্র ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করছে। এখানেও ভারতের বিভিন্ন কোম্পানি কয়েকটি জলবিদ্যুত প্রকল্প নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগের সঙ্গে মিয়ানমারকে যুক্ত করতে পারলে আরও বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে।
দেশের একমাত্র জলবিদ্যুত কেন্দ্র রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। বর্ষা মৌসুমে ২৩০ মেগাওয়াটের কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুত পাওয়া গেলেও শুষ্ক মৌসুমে জলের অভাবে কেন্দ্রটি পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদন করতে পারে না। এছাড়া দেশের মধ্যে আর কোন জল বিদ্যুত উৎপাদনের সম্ভাবনা নেই। সংবাদ ভাষ্যে প্রকাশ ভুটান ও নেপালে জলবিদ্যুত খাতে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন রয়েছে।
সুত্র : জনকন্ঠ ,প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬
এতদিনে মনে হয় বুঝা যাচ্ছে রামপাল নিয়ে ধোয়াশা পয়দা করে বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের রাস্তা পরিস্কার করা হয়েছে, এখনতো সুন্দরবন ধংস বা দেশের পরিবেশ বিনস্টের কথা কেও বলতে পাববেনা ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




