কেমন ছিল ২০১৫ এর বাংলাদেশ ?
২০১৪ সালের মত ২০১৫ সালও শুরু হয় রাজনৈতিক সহিংসতা দিয়ে । প্রধান বিরোধী দলগুলো ৫ ই জানুয়ারী ২০১৪ এর নির্বাচন বর্জন করে এবং তথাকতিথ লোক দেখান যে নির্বাচন হয় তার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সেই নির্বাচন বাতিল করে নতুন করে নির্বাচন দেবার দাবিতে ৫ ই জানুয়ারী ২০১৫ বিরোধী দলগুলো এক বিশাল সভাবেশর ডাক দেয় । কিন্তু জালিম সরকার তার অনুমতি না দিয়ে উল্টো বিএনপি এর নেত্রীকে তার কারযালয়ে আবরুধও করা হয় । যদিও সরকার থেকে বলা হয় নাশতকা এড়াতে ঐ অনুমতি দেয়া হয়নি । আর বিরোধীদল শুরু করে টানা লাগাতার অবরোধ ও নাশকতা যা ৬৬ দিন চলেছিল । ঐ সময় ৭০ টি তাজা প্রাণ পেট্রোল বোমার কারনে প্রাণ হারায় ।
এর বিপরীতে সরকারি বিভিন্ন বাহিনীর বলপ্রয়োগের মাত্রাও বেড়ে যায় যাতে ৪৭ জন হয় গুম আর ১৫৩ জন কথিত “ক্রসফায়ার” এ মারা যান । আর বলা বাহুল্য যার বেশিরভাগ লোক বিরোধীদলীয় নেতা – কর্মী ।
মত প্রকাশের স্বাধীনতায় মুক্তমনা লেখকদের উপর হামলা ছিল উদবেকজনক । ২৬ ফেব্রুয়ারী বই মেলা থেকে ফিরার সময় হত্যা করা হয় মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়কে । এই পর্যন্ত ৫ টি মুক্তমনা লেখক প্রাণ হারায় সন্ত্রাসীর দারাল চাপাতি এর আঘাতে । আর বাকিরা চরম আতংকে দিন যাপন করছে । এইসব ঘটনায় কয়জনকে আটক করা হয়েছে কিন্ত তারাই যে প্রকত দোষী তার ব্যাপারে স্পষ্ট জানা যায়নি । যাতে ফেসবুক, ভাইবার এর মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বন্ধ হবার ঘটনা ঘটে ।
শিশু নির্যাতন ছিল খুবই হৃদয়বিদারক । রাজন, রাকিব, সাঈদ এর কথা এখন সবারই জানা । তাছাড়া সরকার দলীয় বেক্তিদের আচারন ছিল ঊদবেক জনক । ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সাথে সংঘর্ষে মায়ের পেটে শিশুর গুলিবিধও হওয়া , সাংসদের গুলিতে শিশুর আহত হওয়া । প্রভাবশালি বেক্তির অপ্রাপতবয়স্ক ভাতিজার বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে পথচারী আহত হবার ঘটনা ঘটে ।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




