somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আন্তর্জাতিক রাজনীতি প্রসঙ্গে ভবিষ্যৎ বাণী

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইরান,সিরিয়া,ইসরাইল,ইউক্রেনে,যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বর্তমান বিশ্বকে এক মহা বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাবে । যুক্তরাষ্ট্রের উচিৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা স্মরণে রাখা উচিৎ । তৎকালীন জার্মানের সর্বচ্চো সামরিক আক্রমন প্রতিহত করে রাশিয়ার বিজয় ছিল রাজনৈতিক কৌশল জনিত কারন । রাশিয়ার উপর জার্মানির সর্বাত্মক ভয়াবহ সামরিক আক্রমন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক এবং সামরিক হুমকি অবশ্যই আক্রমণাত্মক এবং কৌশলগত হুমকি । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন রাশিয়ার রাজনৈতিক ,কূটনৈতিক,অর্থনৈতিক এবং সামরিক সামর্থ্য বর্তমানে অনেক বেশি । বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সমর্থন দুর্বল হয়ে এসেছে তেমনি বর্তমান বিশ্বে রাশিয়া Brick সহ আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন । অন্যদিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বামপন্থী দলগুলো ক্ষমতায় আগমন বর্তমান বিশ্বে রাশিয়ার কূটনৈতিক সাফল্যই প্রমান করে । অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সাফল্যের ব্যার্থতা পরিলক্ষিত হয় । অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক কুটকৌশল রাজনৈতিক অবস্থানকে দিন দিন দুর্বল করে ফেলছে তার প্রমান আই,এস এর ব্যাপক ব্যাপক উত্থান এবং তৎপরতা । সিরিয়ার বর্তমান শাসক আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের সর্বাত্মক প্রয়াস রাশিয়া এবং আই.এস ের কারণে হোঁচট খেয়ে বসে আছে এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব রাজনৈতিক দিশেহারা হইয়া পরেছে যা কিনা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করলে ইসরাইলের অস্তিত্ব হুমকির মধ্যে এসে পরবে এবং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের পারমানবিক বোমার আক্রমণসহ ভয়াবহ ধ্বংসাত্মক ক্রিয়া সংঘঠিত হইবে এবং হিরোশিমা - নাগাশাকির মত মানবিক বিপর্যয়ের মত ঘটনার মত দুর্যোগ নেমে আসবে । বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় যখন বিশ্ব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মত ভয়াবহ ধ্বংসের হাত থেকে মুক্ত হয়ে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছিল তখনই যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব ইউরোপভুক্ত রাশিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত বন্ধু রাষ্ট্র ইউক্রেনে ২০১৪ সালে রাজনৈতিক এবং সামরিক হস্তক্ষেপজনিত কারণে ইউক্রেন ৩টি অংশে বিভক্ত হইয়া গিয়াছে । ইউক্রেন বিভক্ত হওয়ার দায়-দায়িত্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে জার্মান এরাতে পারে না । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুই বন্ধু রাষ্ট্র রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেঙ্কে কেন্দ্র করে পরস্পরের মুখোমুখি সামরিক অবস্থানে অন্যদিকে জার্মান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে তার পরাজয়ের কারন রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৈরি সম্পর্কের কূটনৈতিক সাফল্যে ইউরোপের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তৃতীয় বিশ্ব শক্তির উথানের ইঙ্গিত বহন করে । রাশিয়ার সাবেক বন্ধু রাষ্ট্র ইউক্রেনে পশ্চিমা বিশ্বের হস্তক্ষেপজনিত কারণে রাশিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক ো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ জনিত কারণে মধ্য প্রাচ্য দাবানলে পরিনত হয়েছে । জার্মানের বুদ্ধিমত যুক্তরাষ্ট্রের কখনই উচিত হয় নাই ইউক্রেনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা । যার কারণে ক্ষুব্ধ রাশিয়া বিশ্বের সর্বত্রই যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যাপক হস্তক্ষেপ সংঘটিত করিবে । রাশিয়াকে সামরিক ক্ষেত্রে দুর্বল করার পরিকল্পনায় রাশিয়ার অর্থনীতি বিপর্যস্ত করার লক্ষে ইরানের উপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ না করে ইরানের সহিত পারমাণবিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে । ইহাতে বিশ্বের তেলের মূল্য নিম্নমুখি থাকিবে । যদি ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ সংঘটিত হইত তাহা হইলে বিশ্বে তেলের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাইত । ইহাতে রাশিয়া অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হইত । কেননা রাশিয়া জ্বালানি রপ্তানি বাবদ তার বাজেটের ৪০ ভাগ পূরণ করিয়া থাকে । তেলের মূল্য হ্রাস পাওয়ার কারণে রাশিয়া অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন । যার কারণে চাকুরি ক্ষেত্রে বেতনের ১০ ভাগ হ্রাস করা হইয়াছে । যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বিষয়ক যে সিধান্ত তাহা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইল এবং পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বুমেরাং হইয়া দাড়াইবে । যুক্তরাষ্ট্রের উচিৎ বিশ্বে নিজের আধিপত্য অব্যাহত রাখার প্রয়োজনে রাশিয়ার সহিত কৌশলগত বন্ধুত্ব পূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা । কেননা বর্তমানে বিশ্বের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস ভবিষ্যতে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা বিশ্ব ,চীন এবং ভারতসহ প্রত্যেক দেশে ভয়াবহ ঘটনা সংঘটিত করিবে । সুতরাং ভবিষ্যতের নিরাপদ বিশ্বের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উচিৎ রাশিয়ার সহিত সুসম্পর্ক তৈরি করিয়া ভবিষ্যৎ পৃথিবীর নিরাপত্তায় এখন হইতেই প্রস্তুত হওয়া । যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার শুভ বুদ্ধির উদয় হইবে এই কামনা করিয়া সমাপ্ত করিলাম ।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ভালোবাসার কাব্য=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:১১


মন পিঞ্জরে করবো বন্দি, পালাবি আর পাখি?
জানিস কী তুই তোকে নিত্য, নজরবন্দি রাখি!

স্বাধীন ডানায় উড়িস ঘুরিস, আমায় দূরে ফেলে,
আমারও তো ইচ্ছে লাগে, উড়ি ডানা মেলে!

মনের ভিতর ঘূর্ণি তুফান, বেসুরো সুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।

কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৭

" অদেখা দূরত্ব "

তুমি ছিলে আমার সেই নাম যা আমি উচ্চারণ করতে পারিনা,
তবে বুকের ভিতর হাজার বার জপ করি।
তুমি আমার সেই আলো যা আমি চোখে দেখিনা,
লুকিয়ে রাখি হৃদয়ের অভ্যন্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×