এটাকে তো ডিজিটাল বিড়ম্বনাই বলবো,তাই না? উদার আকাশ সংষ্কৃতির কারনেই হোক আর অন্য যেকোনো করনেই হোক সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণের ঘটনা সারাদেশে খুব বেড়ে গিয়েছে। শিক্ষক ছাত্রীকে, অফিস বস নিম্নপদস্থ মহিলা কর্মকর্তাকে, দোকানদার পথচারীকে, গৃহকর্তা বাড়ির কাজের বুয়াকে, যে যেখানে যেভাবে যাকে পারছে ধর্ষণ করছে। আর ধর্ষণ করেই শেষ নয়, মোবাইল ফোনে তা ভিডিও করছে। বীরত্ব দেখানোর জন্য রেকর্ড করে রাখা হচ্ছে। আবার একাধিকবার ফাঁদে ফেলার জন্য ব্ল্যাকমেইল করতেও ভিডিও করে রাখা হচ্ছে। এতে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির আত্নহত্যা করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকছে না।
আজ থেকে দেগ যুগ আগেও মোবাইল ফোনের অস্তিত্ব ছিল না। আর ভিডিও ক্যামেরার দাম ছিল আকাশ চুম্বি। বর্তমানে ভিডিও ক্যামেরা প্রত্যেকের মোবাইলে মোবাইলে। ডিজিটাল ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও অপশন রয়েছে। আর কমে এসেছে সাধারণ ভিডিও ক্যামেরার দামও। প্রযুক্তির এই সহজলোভ্যতা কেড়ে নিচ্ছে নিরীহ নারীদের প্রাণ। আর কতদিন চলবে এ অরাজকতা। টিন এজ মেয়েরাও এখন পর্ণ কি্লিপিংসস দেখে শিখছে ানেক কিছু। ছেলেরা তো বটেই। যে বয়সে যা জানা উচিৎ নয়, তাই শিখছে, জানছে। ডিজিটাল এ বিড়ম্বনার শেষ কোথায়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


