
আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বলতে গেলে সব মিডিয়াতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। উহা দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার ০০০ কোটি টাকা ও সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করে সেখানে বিলাসবহুল ভিলা ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেছে তারমধ্যে পর্তুগালে জমি ক্রয়, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ ও সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা উল্লেখযোগ্য। উহার দুই বোন জামাই ও ভাগ্নের মাধ্যমে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছে। উহার বাবা বিল্লাল হোসেন ও এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় প্রশাসনের উপর প্রভাব খাটিয়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে।
সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও ডিসি পদায়ন, ঢাকা ওয়াসার এমডি নিয়োগ, এলজিইডির চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ, বিভিন্ন পদে নিয়োগ-বদলি, পদোন্নতি বাণিজ্য, টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গেও উহার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে উহার বিরুদ্ধে।
উহা ক্ষমতায় থাকা কালেই উহার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছি তবে সেই সময় সেট তেমন গুরুত্ব পায়নি এখন ক্ষমতায় নেই তাই বিষয়টি অনেক গুরুত্বের সংগে দেখা হচ্ছে।
তবে উহা পাচারের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে দুদককে। যেহেতু ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ তুলেছে তাই দুদককে এটা প্রমান করে তাকে আইনেই আওতায় অবশ্যই আনতে হবে।
আম্লিগের সময় আমর দেখেছি ভুয়া ঘষামাজা ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে তারেক রহমানকে জেলের সাজা ঘোষনা করেছিল আওয়ামী বিচারক আবারো যেন সে রকম নাটকের অবতারণা না হয়।
যেহেতু উহার বিরুদ্ধে টাকা পাচারের অভিযোগ তুলেছে দুদক সেহেতু উহা যেন বিচার শেষ না হওয়ার পর্যন্ত বিদেশে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করতে হবে নতুবা সাধুবাবা বেনজীরের মতো পগার পার হয়ে যাবে।
তবে একটা বিষয় লক্ষনীয় এখানে যারা হৈ হৈ রৈ রৈ করে গলা ফাটাচ্ছে এরা কিন্তু আম্লিগের বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা পাচারের কথা শুনতেই নারাজ। সেটা বিশ্বাসও করেনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




