somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নীরা ‘র বিয়ে

২০ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কালো রাজনীতি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



হাজার হাজার বছর ধরে কালো রাজনীতি বহমান। কোনো ধর্ম কোনো রাজনৈতিক প্রধান হাতিয়ার বা রাজনৈতিক প্রধান সূত্র হতে পারে না, হওয়া উচিত না। বলা হয়ে থাকে ধর্মের কাজ নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিচার চাই, আবার বিচার চাই না !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩২


গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ল্যান্ডস্লাইড ভিক্টরি পেয়ে বিএনপি-জোট ক্ষমতায় এসেছে। বাংলাদেশের মানুষ কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে যে একটা পরিচিত দল নির্বাচিত সরকার হিসাবে পুনরায় দেশের ক্ষমতায় এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা’তেই আস্থা । আওয়ামী লীগ তার নিজের শক্তিতেই ফিরে আসে।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:১৯



এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার একটি ভাষণ দেখছিলাম। বক্তব্যের বিষয় ছিল আওয়ামী লীগ। তার দাবি—
জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিল, আর সেই সুযোগ দেওয়ার কারণেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ তিন পুরুষ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫


কলিং বেল বাজাবে, না-কি ফোন দেবে? এ ব্যপারটা নিয়ে রায়হান খানিকক্ষণ ভাবলো।কিছুটা সঙ্কোচ আর  কিছুটা দ্বিধা কাজ করছিল তার মধ্যে ।একবার তো ভাবলো ফিরেই যাবে। এত দিনের অনভ্যাস,সম্পর্কটাও যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পাঁচ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৫



আজ শনিবার দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিটে কে বা কারা ইরানের পাঁচটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায় নি। ইরান এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×