somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নীরা ‘র বিয়ে

২০ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে


(৩) নীরার হলুদঃ ( ৩য় অংশের পর) ১৪/০৫/২০০৩

হলুদের দিন আবার বড় আপা সাজাতে বসল । আজকে মাকে বলে পারলার থেকে চুল বাধানর টাকা নিয়ে নিয়েছে আপা । পারলারে যাওয়ার আগে বড় আপা নীরার কানে কানে বলল “ তোর কাছে কোন টাকা থাকলে সাথে নিয়ে নে । জিবনে বিয়ে তো একবার ই করবি , ভালো করে সেজে নে ।“ “আমার কাছে কোন টাকা নেই “ নীরা জানাল । “ আচ্ছা তাহলে আমার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার নে , পরে দিয়ে দিস “ “ নাহ লাগবে না। মা দেখলে রেগে যাবে । তুই ই সাজা” নীরার কেনো যেন মনে হচ্ছে এই টাকা নিলে, ঋণ সে কোনদিন শোধ করতে পারবে না ।

দুপুর থেকে সেজে গুজে বসে আছে সে । পাত্র পক্ষ আসবে সন্ধ্যা ছয়টায় । এখন এই ঘরে নীরা আর তার কম্পিউটার । নীরা নিজের মনে ভাবে “আচ্ছা রাজিবের কি হল? কখনো তো এমন হয়না । গত ১ বছরে এক দিনের জন্য ওদের কথা হয়নি এমন এক দিন ও নেই । “ রাজিবের জন্য মনটা কেমন যেন করে ওর । এই ছেলেটার সাথে আসলেই কোনদিন বৃষ্টি তে ভেজা হল না, অথবা পূর্ণিমার রাতে কফি খেতে খেতে চাঁদ ও দেখা হলো না । আচ্ছা রাজিবের সাথে বিয়ে হলে রাজিব কি ওকে তখন পাগলী বলেই ডাকতো? নীরার মনটা হুহু করে ওঠে ।

রাত ৮ টা বাজে । পাত্র পক্ষ তখনও আসেনি । ঘরে এখন মানুষ ভরা । নীরার ঘুম পাচ্ছে । এমন সময় বাইরে গাড়ির শব্দ শোনা গেল । সবাই নিচে গেল পাত্র পক্ষ কে অভ্যর্থনা জানাতে । আবার নীরা রাজিবকে নিয়ে ভাবতে লাগলো ।

পাত্র পক্ষ নীরার জন্য যেই শাড়ি নিয়ে এসেছে, মায়ের সেটা পছন্দ হয়নি একদম । মায়ের জন্য, বোনদের জন্য ও কোন শাড়ি নেই ডালাই । “ একদম একট ছোটলোকের জাত, দেখলি? ফকিরের বাচ্চাদের কাছে এর থেকে আর কি বেশি আশা করা যাই?” মা বড় আপার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । বড় আপা না শোনার ভান করে শাড়ি গুছাছে । মনে হয় নীরাকে কষ্ট দিতে চায় না ।

হলুদের অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১ টা । তখন ও রাজিবের জন্য মন কেমন করছে । এর মধ্যেও মায়ের কিছু কথায় নীরা মনে মনে হেসেছে অনেকবার । রেজা সাহেবের বোনের জামাই নাকি আগে মডেল ছিল ( মায়ের ভাষায় লুঙ্গি মুঙ্গি র মডেল) । সেই মডেল সাহেব সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এমন গুরু গম্ভির হলুদের অনুষ্ঠানে ও নাচতে শুরু করেছিল গানের তালে তালে । মা নীরার কানের কাছে কয়েকবার এসে বলে গেছে “ এই বান্দর টারে পাঠায় সে কে? দেখলেই লাথথি মারতে ইচ্ছা করছে ।“

রাত ২ টায় নীরা ইয়াহু মেসেঞ্জারে আবার বসে । রাজিব আজকেও নেই অনলাইনে । ........................................চলবে
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট ব্যবসা, বড় আইডিয়া: প্রযুক্তি না নিলে পিছিয়ে পড়বেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩



বাংলাদেশে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা (SMEs) মানেই হচ্ছে “চা খেতে খেতে বিজনেস প্ল্যান” - কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন শুধু চা আর আড্ডা দিয়ে ব্যবসা চলে না, দরকার প্রযুক্তির ব্যবহার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সন্তানকে দ্বীনদার হিসেবে গড়বেন যেভাবে

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৪৯

মুসলিম বাবা-মা হিসেবে কখন থেকে বাচ্চাকে ইসলাম সম্পর্কে ধারনা দিবো? এজ আর্লি এজ পসিবল।
মনে হতে পারে বাচ্চা বুঝবে না, কিন্তু ব্রেইন ঠিকই ক্যাচ করে নিবে।
একটা রাফ গাইডলাইন আছে এখানে বাচ্চার... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেল Last Afternoon

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

এই পৃথিবীতে শেষ বিকেলে আমরা কেটে ফেলি দিনগুলো
আমাদের শরীর থেকে, আর গুনি সেই হৃদয়গুলো যা আমরা নিয়ে যাব
এবং যেগুলো যাব এখানে রেখে। সেই শেষ বিকেলে
আমরা কোনো কিছুকে বিদায় বলি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×