পরীক্ষার হলে গিয়ে যখন প্রশ্নটা হাতে লই,
মনে পড়ে যায় আমার ক্যালকুলেটরটা কই?
অনেক হিসাব-নিকাশ করেও ভেবে পাই নারে ভাই,
চল্লিশ পাওয়ার জন্য আর বাকি নাম্বার কই পাই?
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
চোখের জলে ভেজা।
কত ঘুম জাগা রাত্রির,
কত দ্বীর্ঘশ্বাস ফেলা!
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
লেকচার ফটোকপি,
“দোস্ত,একটু বুঝায়্যা দেনা...”
কত কাকুতি-মিনতি!
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
কত নামায-রোযা,
এবারের মতো উঠাইয়া দাও,
আর এমন হবেনা খোদা!
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
কত চা-কফি,
হতচ্ছাড়া ঘুমটা আর
সময় পেলো না বুঝি!
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
পাশ-ফেলের কারবার,
জুনিয়ররা জানতে পারলে,
প্রেস্টিজ পাংচার!
হায়রে আমার সেমিস্টার ফাইনাল!
“স্যার,আপনি অনেক ভালো...”
দয়া করে ক্লিয়ারেন্স এর মুখ আমারে,
দেখায়েন না এবারো!
(বিঃদ্রঃ আমার এক বন্ধুর inspiration এ কবিতাটা লেখা।আমার বন্ধুটি পরীক্ষা নামক ভয়াবহ বিভীষিকা নিয়ে আমাকে একটি গল্প লিখতে বলেছিল।গল্প আমার মাথায় আসেনি,তবে এই কবিতাটা লিখেছি।
আমার এই কবিতাটি আমি আমার সেই বন্ধুটিকে উৎসর্গ করলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

