
যা হোক ঢাকা মেডিকেলের ৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ভিডিও পুরো অনলাইনে ভাইরাল হয়েছে অনেক আগেই । কথা সত্য
এখানে ডি এম সি কে দোষারপ করার কোন যৌক্তিকতা থাকতে পারে নাহ । কোন প্রতিষ্ঠানই
কখোনই বলে না এসব করতে ।তবে তুলাধুনো করার এহেন সু্যোগ হাতছাড়া
করার মত মোটাবুদ্ধির লোক সুযোগ সন্ধানীরা নয় । এটা জানা কথা । তাই তাদের নাক সিটকানো
আমাদের বিশেষ চিন্তার উদ্রেক করে না। তবে হ্যা আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন কথাটা
একটা সময় তৃণসম ছিল বলেই হয়ত বা আমাদের কোনো মাথা ব্যাথা ছিল নাহ কিন্ত আজ তা বিশাল মহিরূহে
পরিণত হয়ে তার বিশ্রী ফুলের উৎকট গন্ধ ছড়িয়ে সমাজ কে করছে কলুষিত । এর অর্থ এই নয় যে
আমরা বিশ্বপ্রযুক্তি থেকে দূরে থাকব , কিন্তু এটিও মনে রাখতে হবে যে , ক্যান্সার রোগীকে
রেডিওথেরাপি দেওয়ার সময় তা যেমন শরীরের ক্যান্সার সেল( cell - কোষ) গুলোকে ধংসের
পাশাপাশি কিছু ভাল সেলকে ধংস করে ঠিক তেমনি নিজ কৃষ্টি কালচার কে সিকোঁয় তুলে আমদানি
করা সংস্কৃতির ম্যালিগন্যান্ট দিক গুলো কিন্তু আজ স্পষ্ট প্রতীয়মান ।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের , এমনকি আমাদের দেশেরও অনেক মডেলের নামে বেনামে অতীতে
এরকম ঘটনা দেখা গেলেও ঢাকা মেডিকেলের এই ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতার সার্বিক
প্রতিফলন নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই পারে । তাই একতরফা ভাবে ডি এম সি বা মেডিকেল সেক্টর কে
চিহ্নিত করা সমীচীন হবে কি ? বন্ধুবর একজনের উক্তি মনে পড়ল , '' তলে তলে সবাই গাড়ী চালায় , আর
আমরা জিগাইলে কয় হরতাল '' যা হোক আমি সবাই কে খারাপ বলছি নাহ , গুটিকতক মানুষের জন্য পুরো
সমাজেই অনৈতিকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়তে পারে ।

পুনশ্চ , সুশিক্ষার সাথে সুস্বাস্থ্য আর সুচিন্তার সাথে সুন্দরমনের হাতে হাত রেখে পথ চলাটা একান্ত প্রয়োজন ।
নতুবা আবেগের এমন নগ্ন বিস্ফোরন ঘটা সময়ের ব্যাপার মাত্র ।

#ZNH
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




