ঢাকা-কাঠমুন্ডু বাস সার্ভিস।পর্যটকদের কাছ থেকে এভারেস্ট দেখার সুবর্ণ সুযোগ(প্রথম পর্ব)
সর্বশেষ তথ্যমতে আজকের নেপাল রাজধানী কাঠমুন্ডুর ছায়াতলে আলাদা ৭টি Provincial Capital এর মাধ্যমে সাত সাতজন Provincial Governors দ্বারা প্রাদেশিক দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে।৭টি প্রদেশে থাকছে ৭৭টি বৃহত্তর জেলা।


নেপালের পূর্বাঞ্চল তথা province-1 ১৪টি জেলা নিয়ে গঠিত। province-1 এর একেবারে পূর্ব-দক্ষিণ কোণের জেলাটির নাম ঝাপা(Jhapa)জেলা।আর ঠিক উত্তর-পশ্চিম কোণের জেলাটির নাম সোলুখুম্বু (Solukhumbu)।য়ার একেবারে উত্তর-পশ্চিম কোণে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর বরপুত্র মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest).

ঝাপা জেলার পূর্ব সীমান্তের মাঝ বরাবর নেপালের কাকরভিটা ইমিগ্রেশান পয়েন্ট।

বৃহৎ ভারতে যে কয়েকটি প্রধান মহাসড়ক (National Highway) রয়েছে ২৭ নং (NH 27) মহাসড়কটি তার মধ্যে অন্যতম।কেননা এই একটি মাত্র রোড যার মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি মূল ভারতের সঙ্গে গেঁথে আছে।
ভারতের ২৭ নং মহাসড়কটি শিলিগুড়ির ঘোশপুকুর(Ghoshpukur)মোড় পার হ’তে গিয়ে একবার আবার বাগডোগরা মোড়(Bagdogra Bihar More) পার হ’তে গিয়ে আরেকবার সীমান্তের পানিটাংকি(Panitanki) চেকপোস্টে চলে গেছে।
এপাড়ে ভারতের পানিটাংকি ওপাড়ে নেপালের কাকরভিটা আর মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত নেপাল -ভারতের আন্তঃসীমান্তনদী মেচী নদী(Mechi River)। মেচী নদী নেপালের মহাভারত শৈলশ্রেণী থেকে উৎপন্ন হয়ে দু’দেশের আন্তঃসীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভারত-বাংলাদেশেশের(তেঁতুলিয়া/বাংলাবান্ধা) সীমান্ত থেকে ছুটে আসা মহানন্দা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
পানিটাংকি ও কাকরভিটাকে যুক্ত করেছে ৫৬০ মিটার(১৮৩৭ ফিট) দীর্ঘ মেচী সেতু (Mechi Bridge)। মেচী সেতুর উপর দিয়ে ধাবমান প্রবাহমানকাল থেকে নেপালের সবচেয়ে দীর্ঘ East-West Highway.
নেপালের East-West Highway নিম্নভূমি তরাই(Terai) অঞ্চল পার হয়ে আস্তে আস্তে উঁচুভূমির দিকে উঠে

গেছে।কাকরভিটা থেকে মিরছায়া (Mirchaiya) দূরত্ব ২২৩ কিলোমিটার।আর কাকরভিটা থেকে সোলুখুম্বু (Solukhumbu) জেলাসদর Salleri এর দূরত্ব ৩৮৫ কিলোমিটার।
ঢাকা-কাঠমুন্ডু বাস Mirchaiya মোড়ে যাত্রা বিরতি দিবে না।কিন্তু Mirchaiya মোড়ে নেমে

Salleri এর গাড়ী পাওয়া যায়। Mirchaiya মোড় থেকে Salleri রোডটিকে সাগরমাথা মহাসড়ক(Sagarmatha Highway) বলে। ১৮৫২ সালে জর্জ এভারেস্ট নামের একজন ব্রিটিশ নাগরিক নেপাল ও তিব্বতকে দু’পাশে রেখে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গকে নাম দেন চূড়া ১৫। বহুদিন এটা চূড়া ১৫ নামেই পরিচিত ছিল। ১৮৬২ সালে জর্জ এভারেস্টের সম্মানে চূড়া ১৫র নামকরণ হয় মাউন্ট এভারেস্ট। মাউন্ট এভারেস্ট নাম পাওয়ার আগে নেপালিরা এই পাহাড়টির নাম রেখেছিলেন সাগরমাথা (আকাশের দেবী)। নেপালিদের কাছে এটি এখনও সাগরমাথা নামেই পরিচিত। তাই এভারেস্টমুখি মহাসড়কটিকে Sagarmatha Highway রাখা হয়েছে।Mirchaiya মোড় থেকে Salleri এর দূরত্ব ১৬২ কিলোমিটার।

১৯৯৪ সালে সাগরমাথা মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং সুদীর্ঘ ২৩ বছর নির্মাণকাজ শেষ করে ২০১৭ সালে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

Mirchaiya মোড় থেকে ৭১.৯ কিলোমিটার পর Sunkoshi নদী পার হওয়ার আগে নদীর দক্ষিণপাড়ের জায়গাটি Ghurmi. এখানেই রাজধানী কাঠমুন্ডু থেকে আসা মহাসড়কটি Sagarmatha Highway এর সাথে মিশে Sunkoshi নদী পার হয়েছে।


পিছনে ফেলে আসা তরাই অঞ্চল পার হতে’ই চারিদিকের পাহাড়শ্রেণীর অপরুপ সৌন্দর্য পথ চলার সাথী হয়েছে।Sunkoshi Bridge ব্রীজ পাড় হলে গাড়ী আস্তে আস্তে রাস্তার নতুন উচ্চতায় উঠতে থাকে।সেই সাথে গায়ে থাকা জ্যাকেটটির কদরও বাড়তে থাকে।এভাবে চলতে চলতে গাড়ী একসময় পৌছে যায় ছোট্র শহর ওখালডুঙ্গা’তে।ততক্ষণে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে উচ্চতা উঠেছে ১৮০০ মিটার(5905ft)।
ওখালডুঙ্গা জেলায় বিখ্যাত আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী রাই এবং সুনুয়ারের বসবাস।সেই সাথে অন্য আদিবাসী এবং পাহাড় জাতিও এই জেলায় বাস করে।তবে জেলা শহরটাতে নিম্নভূমি তরাই ও কাঠমুন্ডু থেকে আসা বণিক শ্রেণীর আগমনে একটা সুন্দর সহাবস্থান তৈরী হয়েছে।

ওখালডুঙ্গা (Okhaldhunga) জেলা অতিক্রম কালে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। Pattale পৌছে হাড় কাঁপানো শীতে মনে হবে ইউরোপের কোন শীত প্রধান দেশে প্রবেশ করেছেন।
Pattale অতিক্রম কালেই সামনে-ডানে-বামের ভূবনভেদী সুউচ্চ পর্বতমালার বরফ মোড়ানো রাজ পর্বতশৃঙ্গগুলি চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকে।একটা দুটো নয় পৃথিবীর রাজপুত্র Mt.Everest বেনি গাঁথা ফুলের মালার মত Mt. Lhotse, Mt. Makalu, Mt. Nuptse, Mt. Gaurishankar, Mt. Kanchanjunga, Mera peak সবগুলো শৃঙ্গকে সাথে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে যেন আপনারই অপেক্ষায়।দূরে নয় কাছেই,মনে হয় পরের পাহাড় পেরুলেই সৌন্দর্যের রাণীদের ছোঁয়া যাবে।


Pattale পেরুলে অল্প কিছু দূর পর থেকে সোলুখুম্বু (Solukhumbu) জেলার সীমানা শুরু হয়েছে। Pattale থেকে সোলুখুম্বু জেলা শহর Salleri এর দূরত্ব ২৭ কিলোমিটার্।নামানুসারে , সোলুখুম্বু জেলা দুটি উপঅঞ্চল সোলু (Solu) ও খুম্বু(khumbu)নিয়ে গঠিত।
সোলুখুম্বু জেলার প্রধান অধিবাসী শেরপা উপজাতি সম্প্রদায়।নেপালিরা পৃথিবীতে কষ্টসহিষ্ণু জাতি বলে স্বীকৃত। নেপালিদের এই খেতাব যাদের কাছ থেকে এসেছে তারা হ’ল শেরপা উপজাতি ।শেরপারা পাহাড় নেই, পর্বত নেই, উঁচুনিচু নেই, পিঠে করে গন্তেব্যে মালবহন করে নিয়ে যায়।

পর্বতারোহণ পৃথিবীর কিছু মানুষের অদম্য বাসনা।এর শিখর চূড়ায় অভিযাত্রীদের পদচারণ যাদের কল্যাণে আজ সহজতর হয়ে উঠেছে তারা হ’ল শেরপা জনগোষ্ঠী।বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের সম্মান সবার আগে লাভ করেছিলেন যে দু’জন পর্বতারোহী, তারা হলেন স্যার এডমন্ড হিলারি ও শেরপা তেনজিং নোরগে।বলা বাহুল্য তেনজিং নোরগের জন্ম ভূমি সোলুখুম্বু জেলা।

সোলুখুম্বু জেলা শহর Salleri এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২৩০০ মিটার(7545ft)। কিন্তু Highway ধরে মাত্র সাড়ে তিনমাইল সামনে এগিয়ে গেলে Phaplu Airport. যার উচ্চতা আরও বেশি ২৪১৩ মিটার (7916ft)। Salleri ছোট্র একটা শহর। Highway এর দু’পাশেই কেবল এর ব্যপ্তি।হীমঝরা শীতল বাতাসে মনে পড়ে তুষার দেবীরা বেশি একটা দূরে নয়।আশংকাটা মিথ্যে নয়। Salleri এর সবচেয়ে নিকটাত্বীয় Pikey Peak উচ্চতা ৪০৬৮ মিটার (13346ft) শহরবাসীর একেবারে ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে।অভিযাত্রীদের যে কেউ ই্চ্ছে করলেই Pikey Peak জয় করতে পারে।

নেপাল এমন একটা দেশ যেখানে বিধাতা তার প্রকৃতি উজাড় করে ঢেলে দিয়েছে। তামাম পৃথিবীর পর্যটনপ্রিয় মানুষের পদভারে সারাবছই নেপালের অলিগলি, পাহাড়-পর্বত ব্যস্ততায় ঢেকে থাকে।কিন্তু শুনতে এখনও আশ্চর্য লাগে, নেপালে কেউ যদি কোন পর্বত চূড়া বা Everest Base Camp Treckking করে ফিরে আসতে চায় তাকে কমপক্ষে ১ মাস সময় ধরে রাখতে হয়।কারণ যানবাহন চলাচলে রাস্তার অপর্যাপ্ততা।যা করতে হয় পায়ে হেঁটে।কিন্তু নেপালের জায়গায় ইউরোপ বা আমেরিকার কোন দেশ হলে রাস্তার এই দৈন্যতা দেখতে হ’ত না।যেটা পার্শবর্তী চীন করে দেখিয়েছে।চীনের পাশ থেকে গাড়ি চালিয়ে এখন প্রায় Everest Base Camp পর্যন্ত চলে আসা যায়।অথচ নেপালে কল্পণাও করা যায় না।
অনেক দেরীতে হলেও নেপালের বোধোদয় হয়েছে। Everest মুখী Highway তৈরীর কাজ এগিয়ে চলেছে জোরেশোরে।এখন পর্বত শহর Salleri তে গাড়ী দাপিয়ে চলে যাওয়া যায়।যেখানে আগে Phaplu Airport বা Lukla Airport ছিল একমাত্র ভরসা। অথচ Phaplu Airport বা Lukla Airport বিশ্বের বিপজ্জনক বিমানবন্দরগিুলির প্রথম কাতারে।বিশ্বের এমন সব বিমানবন্দর রয়েছে যেগুলো বিমান ওঠানামা করাতে গেলে পাইলটকে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয়। তারপরও থেকে যায় অসংখ্য ঝুঁকি। রানওয়েতে খানিক দূর গিয়ে তারপর আস্তে আস্তে আকাশে ওড়ে বিমান। পাইলটরা রানওয়েতে নির্দিষ্ট দূরত্বের চেয়েও অনেক সময় বিমানকে এগিয়ে নিয়ে তারপর আকাশে ওড়েন। কিন্তু এসব বিমানবন্দরে এমন কাজ মোটেই সম্ভব

নয়। এমনকি সম্পূর্ণরূপে খেয়াল রাখলেও থাকে দুর্ঘটনারআশঙ্কা। ক্রিকেট খেলার পিচের মত ছোট্র বিমানবন্দর।সামনে পিছনে একেবারে নাকের ডোগায় হাজার হাজার ফুট উচ্চতার বিশাল বিশাল পাহাড়।এ জন্য এর রানওয়েতে কোনো বিমানই সোজা অবতরণ করতে পারে না। ওই পাহাড়গুলো পেরোনোর পরপরই দ্রুত বিমান অবতরণ করাতে হয়।
বলছিলাম নেপালের Everest মুখী Highway এর কথা। Solu এলাকা নেপাল Highway দ্বারা যুক্ত করে ফেলেছে।যেটা বেয়ে আমরা Salleri পর্যন্ত এসেছি। Salleri থেকে বের হয়ে রোডটি Phaplu Airport ও Phera এর ডানপাশ ঘেঁষে Dudhakunda পর্যন্ত চলে গেছে।

২০১৫ সালের আগস্টে The Kathmandu Post এ একটা খবর পড়েছিলাম “Highway to Everest: Road to cross Dudh Koshi by year-end”. Highway to Everest: Road to cross Dudh Koshi by year-endSalleri থেকে বের হওয়া রোডটি Takasindu পার হয়ে Lukla Airport কে ডানে রেখে Chaurikharka পর্যন্ত চলে গেছে।

সমুদ্রপৃষ্ট থেকে Chaurikharka’র উচ্চতা, 3,719 মিটার (12201.44) ফিট। Chaurikharka থেকে Sagarmatha national park যাত্রা শুরু করতে হয়। Sagarmatha national park is the highest national park in the world.যার ডান প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর বরপুত্র মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest).



সেই Pattale থেকেই Mt.Everest,Mt. Lhotse, Mt. Makalu, Mt. Nuptse, Mt. Gaurishankar, Mt. Kanchanjunga, Mera peak এমনকি Cho Oyuসহ সবগুলো শৃঙ্গ আপনাকে দৃষ্টিসীমায় নিয়ে নিয়েছে।পথচলায় প্রতিপদে প্রতিক্ষণে কথনও পাহাড়ের আড়াল থেকে উঁকি দিয়ে আবার কখনও মুক্ত বিহঙ্গে সপাদ সামনে দাঁড়িয়ে আগত অতিথিকে আলিঙ্গন করতে চায়।

Mirchaiya মোড়ে ঢাকা-কাঠমুন্ডু বাস থেকে নেমে Sagarmatha Highway ধরেছিলাম।Mirchaiya মোড় থেকে সোজা পশ্চিমে ৪৬ কিলোমিটার দূরত্বে Bardibas Bus Stop মোড়ে East-West Highway আরও পশ্চিমে চলে গিয়ে ভারত(Bihar)-নেপাল সীমান্তের Sirsiya Bridge থেকে উৎপন্ন Tribhuvan Highway এর সাথে মিশে রাজধানী কাঠমুন্ডু চলে গেছে।ঢাকা-কাঠমুন্ডু বাস ঐ ঘুরপথে যাবে না।রাজধানী কাঠমুন্ডুর উপকন্ঠের Banepa মোড় থেকে উৎপন্ন(প্রথম পর্বে বলে এসেছি) হওয়া B.P. Highway উত্তর দিক থেকে নেমে এসে Bardibas Bus Stop মোড়ের কাঠমুন্ডুগামী যানবাহনগুলোকে বয়ে নিয়ে গেছে।


Bardibas Bus Stop মোড় থেকে B.P. Highway ধরে সোজা উত্তরে Khurkot মোড়।ঢাকা-কাঠমুন্ডু বাস এখানে যাত্রা বিরতি দিবে।


Bardibas থেকে B.P. Highway ধরে সোজা উত্তরে Khurkot মোড় দূরত্ব মাত্র ৭৫ কিলোমিটার।কিন্তু এই ৭৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগবে কমপক্ষে আড়াই ঘন্টা।কারণটা আঁকাবাঁকায় পরিপূর্ণ Highway.
Sagarmatha Highway অতিক্রমকালে চারিদিকের পাহাড়শ্রেণীর অপরুপ সৌন্দর্যের কথা বলেছিলাম।সেই পাহাড়শ্রেণী Sagarmatha Highway এর পশ্চিমপাশ থেকে উঠে পুরো সিন্ধুলী(Sindhuli) জেলাকে ঝেঁকে ধরেছে। Bardibas Bus Stop থেকে Khurkot মোড় পর্যন্ত রোড সিন্ধুলী জেলাকে পুরো দু’ভাগ করে ফেলেছে।

সিন্ধুলী(Sindhuli)’র Chiyabari Bus Stop থেকে Guang Khola নদী পার হতেই Highway এত পেঁচানো যে রাস্তার সাপও এত দক্ষতায় পেঁচিয়ে চলতে পারে না। সিন্ধুলী’র পুরো সৌন্দর্য যা দু্ই পাশের পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে লুকিয়ে আছে তা যেন নিংড়ে পড়েছে ঐ পেঁচানো গিট্টুতে।

Khurkot নদী তীরবর্তী পাহাড়ের পাদদেশ সদৃশ ভূ-মন্ডলীয় অতি গুরুত্ববহ জায়গা।নেপালের চারটি গুরুত্বপূর্ণ Highway Khurkot এসে মিলিত হয়েছে। রাজধানী কাঠমুন্ডুর উপকন্ঠের Banepa মোড় থেকে ধেয়ে আসা B.P. Highway Khurkot পার হয়ে Bardibas চলে গেছে। Khurkot থেকে একটা Highway বের হয়ে Koshi নদীর তীর ঘেঁষে এগিয়ে গিয়ে Ghurmi'তে (Sunkoshi ব্রীজের কাছে) Sagarmatha Highway cross করেছে।

Khurkot থেকে আরেকটা Highway বেরিয়ে Jiri চলে গেছে। এই সেই Jiri যার প্রকৃতিকে Swizerland এর সাথে তুলনা করা হয়।স্যার এডমন্ড হিলারি ও শেরপা তেনজিং নোরগে Jiri থেকেই এভারেস্ট যাত্রা শুরু করেছিলেন। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে 1,941 মিটার (6,368 ফিট) উচ্চতায় Jiri ‘র অবস্থান।

Jiri ‘র কিছু ছবি



Peak View from Jiri--




Khurkot থেকে কাঠমুন্ডু ১১৫ কিলোমিটার।

(শেষ)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


