somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শীতকালে কিছুক্ষণ টিউবওয়েলে চাপ দেওয়ার পর গরম পানি বের হয় আর গরমকালে ঠান্ডা পানি। কিন্তু কেন?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শীত যত তীব্র হয় নলকূপের পানি তত গরম মনে হয়, আর গরম যত তীব্র হয় নলকূপের পানি তত ঠান্ডা মনে হয়।
সত্যি কি নলকূপের পানির তাপমাত্রা শীতের সময় বৃদ্ধি পায়, আর গরমের সময় হ্রাস পায়?

উত্তর : আসলে না, নলকূপের পানির তাপমাত্রা শীত গ্রীষ্মকাল সারাবছরই একইরকম থাকে। তাহলে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে নলকূপের পানি শীতের সময় গরম, আর গরমের সময় কেনো ঠান্ডা মনে হয়?
উত্তর টি হলো নলকূপের পানির তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়না, পরিবর্তন হয় বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রা।

জ্বর হলে কেনো আপনার শীত লাগে? জ্বর হলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় ফলে গরম লাগার কথা, কিন্তু গরম না লেগে কেনো শীত লাগে?

এবার আসা যাক আসল কথায়, নলকূপ /কল/ভূগর্ভের পানির স্বাভাবিক তাপমাত্রা সারাবছর +২৫°সে. থাকে।এখানে আমাদের দেশে শীতের সময় সাধারনত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা +০৫°সে.থেকে +১৫°সে. এর ভেতরে থাকে, আর তখন আমাদের দেহের বাইরের অংশ যেমন হাত পা বা হাত পায়ের ত্বকের তাপমাত্রাও ঐ সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কাছাকাছি চলে আসে, আর ঐ অবস্থায় আমরা যখন নলকূপের পানি স্পর্শ করি তখন সেই পানিকে বেশ গরম মনে হয়, কারন তখন নলকূপের পানির তাপমাত্রা থাকে +২৫°সে. ও একই সময় আপনার শরীরের বাইরের অংশের তাপমাত্রা থাকে +০৫°সে. হতে +১৫°সে. এর আশে পাশে। অপরদিকে আবার গরমের সময় আমাদের দেশের তাপমাত্রা বেশিরভাগ সময়ে +৩৫°সে. থেকে +৪৩°সে. এর আশেপাশে থাকে। আর এই অবস্থায় আমাদের শরীরের বাইরের অংশের তাপমাত্রাও, পরিবেশের তাপমাত্রার আশেপাশে থাকে, আর তখনও নলকূপের তাপমাত্রা +২৫°সে. ই থাকে, আর তখন আপনি যখন ঐ পানি স্পর্শ করবেন তখন ঐ পানিকে বেশ ঠান্ডা মনে হবে। যেহেতু ভূগর্ভের পানির তাপমাত্রা সারাবছর +২৫°সে. ই থাকে।
এজন্য শীতের সময় শীতের তীব্রতা যত বৃদ্ধি পাবে, আপনার দেহের বাইরের অংশের তাপমাত্রা তত হ্রাস পাবে, আর কলের পানির তাপমাত্রা আপনার কাছে ততই বেশি গরম মনে হবে, কারন কলের পানির তাপমাত্রা তো তখনও +২৫°সে. থাকে।

একইদিকে এই ব্যাপার টি গরমের সময়ও শীতের উল্টাটি ঘটে।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৯:৩৭
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি অমর দিশারী

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


তুমি সূর্য কিনারায় উঁকি দিয়েছ বলে-
মা.. তুমি সূর্য আলো!
তোমার জন্মদিনে চাঁদ পৃথিবী হাসছে
আমরা যে গর্বিত গর্বিত-
মা.. তুমি সূর্য আলো;

তোমার অনুশাসন
আমাদের প্রেরণার উড়ন্ত পায়রা
শান্তির জ্বলন্ত মশাল
তোমার জন্ম সাতশত মহীয়ান-
আমরা শুধু গর্বিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth-রূপের বৈচিত্র্য ও আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

প্রশ্ন ও প্রারম্ভিক জিজ্ঞাসাঃ
আমাদের মনে কি এমন প্রশ্নের উদয় হয় না যে,"আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অবয়ব, গায়ের রঙ, চুল কিংবা পুরুষদের মুখের দাড়ি-গোঁফের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×