somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» মোবাইলগ্রাফী-২০ (বৃষ্টি ধুয়া পাতা-ফুল)

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১।



সবুজ বুকে শুভ্রতা ফুটে আছে-দেখো কত মুগ্ধতায় ছেঁয়ে যাবে মন তোমার। না না ওগুলোতে হাত দিয়ো নে, যেখানে আছে সেখানেই সুন্দর-শুধু ছুঁয়ে দাও একবার- আমার মন ছুঁয়া হবে যাবে বদের বদ হাহা।
-------------------
ফের হাজির মোবাইলগ্রাফী নিয়ে........ । বরাবরের মতো এবারো বৃষ্টি ভেজা পাতালতার ছবি। কি করব বলেন -এসব দেখে ভালা লাগে যে, না তুলে পারি না। এমনিতে ঘর থেকে বের হওয়া হয় না-ছবি তোলার উদ্দেশ্যে-তবে ছেলেকে নিয়ে স্কুলে গেলেই মনটা উথাল পাথাল বৃষ্টি ভেজা দিনের স্নিগ্ধতায়। এসব সুন্দর তো আর ফালায় দিতে পারি না -তুলে রাখার জন্য ক্লিক তো করতেই হপে ফ্রান্স-তাই না? আমি কইলাম আন্নেদেরও ভালা লাইগবো-স্নিগ্ধতায় মন ভরে যাবে ইনশাআল্লাহ। মুগ্ধতায় ইচ্ছে হবে পাতাগুলো ছুয়ে দিতে- কি মিছা কইলাম নাকি? এগুলো আমার স্যামসাং এ সেভেন মোবাইল ক্যামেরায় তোলা। অনেকগুলোর মাঝে মাত্র একত্রিশটা দিলাম- বাকিগুলোও ফালাবো না-কষ্ট করে দেখাই ছাইড়মো হ্যহ হ্যহা হাহাহা। তো দেখা শুরু করুন-মাউজ স্ক্রল......... আঙ্গুলের ছোঁঁয়া পাক..................১, ২, ৩.........

২। এই শুনো না-দাও না এনে গোলাপী শাড়ী সবুজ পেড়ে
যাইবো নাকো যাইবো বদের বদ -আমি তোমায় ছেড়ে
এই দিবে কি খোঁপায় গুঁজে-ম্যাজেন্ডা রঙ ফুল
দেখতে তুমি দেখবে এবার -ভেঙ্গে যাবে তোমার মনে আছে যত ভুল।



৩। ঝুপ করে এলে বৃষ্টি লাজে বুঝি মরিস
ও বেলী তুই মনে মনে তখন কার কথাটা স্মরিস
সবুজ বসন ভিজে গেলো-লজ্জা বুঝি পাস না
কেউ এসে তোকে ছুঁয়ে দিক তাও কি বাপু চাস না?



৪। এমন একটি প্রহর আমায় দিবে বদের বদ লোক, যে প্রহরে ঝরবে শুধু স্নিগ্ধতা-এই যে দেখো চোখের জলে ভেসে গেছে শুভ্রতার পাপড়ি, তুমি মুছে দিবে এসে-আদরে বুলিয়ে হাত? না দিলে নাই-ভাগ্ বেটা



৫। থিরথিরিয়ে বৃষ্টি পড়ে-গাছের পাতায় পাতায়
পাতার নিচে জোনাক পোকা-জল পড়ে না মাথায়।
জোনাক পোকা বৃষ্টি হবি-জ্বলবি নিভবি-কাদা পথে
নিবি বৃষ্টি-হবি বৃষ্টি একটু আমার হতে?



৬। পাতায় পাতায় লেপ্টে আছো স্নিগ্ধতা- আর তোমার বুক'টা যেনো ইট পাথরের পথ। মুগ্ধ হতে আর পারি না-রক্তাক্ত হয়ে ফিরে আসতে হয় উল্টো রথে।



৭। জল পড়ে গো চোখে আমার জল পড়ে গো চোখে
হাত পেতে দাও-মর্ত্যে পড়া জল দাও তুমি রুখে
হাতের মুঠোয় চোখের জল-নাও তোমার মুখে
দেখবে তুমি স্নিগ্ধতাতে-থাকবে কি যে সুখে।



৮। লাল শাড়ীটা সেই যে কিনবে বলে বায়না ধরেছিলাম-আজো দিলে না আমায় উপহার-চাইতে চাইতে থেমে গেছি। দেখো কেমন লাল জমিনে সবুজ পাড় শাড়ী-প্রকৃতি আমায় দিয়েছে উপহার। তুমি ঈর্ষাতে মরে যেয়ো না। বদ লোক তুমি তো দিবেই না আবার অন্যে দিলে রাগে ফেটে পরো-ঘুষি মেরে নাক ফাটায় ফেলবো কিন্তুক



৯। সবুজ পাতার বুকে দেখো সাদা ফুলের হাসি
আহা এমন দৃশ্য দেখতে আমি খুবই ভালবাসি
হাসিমাখা ফুলের ছবি তাইতো আনি তুলে
তোমা হতে মন ফিরিয়ে-মন রেখেছি ফুলে।



১০। নুয়ে পড়েছিস লজ্জ্বাবতী-বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়ে- উর্ধ্বমুখী মুখটা তুলনা দেখ্ আকাশ জুড়ে বৃষ্টি
বৃষ্টির জলে করবি গোসল? ভিজে যাবে অঙ্গ- লজ্জাবতী হলুদ পরী, করবি কত আর রঙ্গ।



১১। পাতাবাহারে পিঠে রেখেছি আমার দীর্ঘ অশ্রুর হাজার ফোঁটা- ও জল বাষ্প হয়ে উড়ে যা-বৃষ্টি হবি? হয়ে যা না,
বদ লোক আমার মন ভরে দিয়েছে তিক্ততায়- বুকের ভিতর হাম্বরের বাড়ি-চোখ ফেটে বের হয় কান্না। তুমি এসো দেখে যেয়ো, সকল কান্না জমিয়ে রেখেছি পাতাবাহারের পাতায়-তোমার তৃষ্ণা মিটবে হয়তো।



১২। আমি অপরাজিতা- জলে ভিজি রোদে শুকাই-তবুও নুয়ে পড়ি না। আমাকে দেখো শিখো, এভাবেই বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমি অপরাজিতা- পরাজয় আমার ধাতে নেই। দেখো আমি ভিজে আছি বৃষ্টির স্নিগ্ধতায়-ছুঁয়ে দাও আমায়- নিয়ে যাও একরাশ মুগ্ধতা।



১৩। সবুজ হলো আরো সবুজ
মনটা হলো আরো অবুঝ
তোমার প্রেমে ভিজতে ইচ্ছে
আর তুমি শেষ করে দাও প্রেমের কিচ্ছে-আজিব বদের বদ।



১৪। বেলী ফুলের মালা এনে দেনা বন্ধু খোপায় ভরে
একটি দুটি ফুল দিয়ে চুলগুলো সাজা থরে থরে
ভালবাসায় ভরে দিবো-হৃদয়খানি তোর
লাগাবো গো আমার প্রেমে তোকে ঘোর।



১৫। হাসছে বেলীর কলি-জলে ভিজে একাকার, পাতাগুলো ধুয়ে দিলো তার মলিনতা-আর তা দেখে আমার ক্লান্তি সরে গেলো দূর বহুদূরে......... ভাল লাগার একটি সকাল-বৃষ্টি ভেজা সকাল আমার সকাল



১৬। টুপি মাথায় উল্টো করে-জল গড়ায় না তাতে
আহা সুন্দর লাগছে কচু বৃষ্টি ভেজা প্রাতে।



১৭। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে বৃষ্টির জলের ফোঁটা
এমন সুন্দর দৃশ্য-না দেখিলে তার জীবনটা ঝোটা



১৮। বেলী ফুলের সকল ঘ্রাণ-ধুয়ে গেলো বৃষ্টির জলে
তাই না দেখে আমার দুচোখ হলো ছলোচ্ছলে।



১৯। এসো এখানটায়-একটু নুয়ে পড়-নয়তো বসে পড়ো-আরে এতো ঘেন্না ভাব দেখিয়ো না- দেখো কত মুগ্ধতা ছড়িয়ে আছে ঘাসে পাতায় লতায়-ছুঁয়ে দাও-েভরে যাবে মন-মুগ্ধতায় পাগল হবে? ধরো আমার হাত -চলো নগ্ন পায়ে হাঁটি কিছুক্ষণ।



২০। দেখো বৃষ্টির জলে ছোঁয়া পেয়ে পোকা লুকায় ফুলের বুকে
নাও না তুমি আমাকেও-এমন করে-দাও না প্রেমের মন্ত্র ফুঁকে।



২১। টিয়া সবুজ পাতাগুলো-বৃষ্টির জলে ধুয়া
তাই না দেখে স্নিগ্ধাতাতে গেলো মনটি খোয়া
ইচ্ছে লাগে সারাটি দিন ঘুরি বনে বনে
বৃষ্টির জলের ছোয়া নিয়ে মন কাপাই শিহরণে।



২২। আহা চোখ জুড়িয়ে যায় এমন স্নিগ্ধতার স্পর্শে। কত সুখ ছড়িয়ে আছে এখানে-ওখানে, বৃষ্টিতে কিংবা চৈত্রের খরায়। আর তুমি শুধু ঘর আর অফিসই চিনলে-চিনলে না শুধু আমাকে আর আমার আবেগটাকে-বদামির একটা সীমা আছে-তুমি সীমা ছাড়িয়েছো-তোমার একদিন কি আমার একদিন দেখে নিয়ো-ক্যাকটাস ফুলের কাঁটা দিয়ে তোমার চোখ তুলব আজ হাহাহাহ



২৩। গুড়ুম গাড়ুম আকাশ ডাকে-পাতা কাঁপে থরথরিয়ে
কোথা হতে হঠাৎ বৃষ্টিগুলো পড়ে দেখি ঝরঝরিয়ে
পাতাগুলো স্বস্তিতে হায়-শুধু দুদ্যোল দুলে
ধুলো ময়লা যায় ভেসে যায়- হাসে গাছের ফুলে।



২৪। এই এসো না নগ্ন পায়ে হাঁটি দূর্বাঘাসে
এই দেখো না দূর্বাঘাসে বৃষ্টির ফোঁটা হাসে
এই চলো না-পায়ের পাতায় নেই মোরা একটু জলের ছোঁয়া
হারাই দুজন হারাই-এখানতে যাক না মনটা খোয়া।



২৫। পাতাগুলো নুয়ে পড়ে মর্ত্যের দিকে-তুমুল বৃষ্টির তোড়ে
ফুলগুলো গাছে বুসে চুপচাপ থাকে সুখের ঘোরে।



২৬। জবাপাতা বৃষ্টির জলে ভিজে জবুথবু
বৃষ্টি হলে বাইয়ে যেয়ো মিস করো না কভু
মহান আল্লাহ বৃষ্টি দিয়ে রহমত ঢালেন ধরায়
রোদে ঢালেন বৃষ্টির ফোঁটা আর বাতাস ঢালেন খরায়।



২৭। সাজনার পাতায় পাতায় বসে আছে চুপটি করে বৃষ্টির জলের মুক্তো। ছুঁয়ে দিলেই টুস করে ঝরে পড়ে আঙ্গুলে-আঙ্গুলের মাথায় বসে থাক মুক্তো। এই তোরা আমার নাকের ফুল হবি-নাকি কানের দুল? ভালবাসি তোদের খুব।



২৮। বৃষ্টি এলেই ভাল লাগায় মনটা যায় ভরে
সবুজ পাতায় বৃষ্টির ফোঁটা ছবিতে রাখি তাই ধরে।



২৯। থাক বসে থাক বৃষ্টির ফোঁটা- যাস না উড়ে হাওয়ায়
যাস যদি উড়ে তবে-এসে বসিস আমার দাওয়ায়।



৩০। নয়নতারার ফুলে ফুলে-বৃষ্টির জলের ফোটা-আহা কি স্নিগ্ধতা-মন প্রাণ ভরে যায়। আর তোমাকে দেখালেই বলবে এ আর কি। এটা কিচু সুন্দর হলো -আজিব মানুষ স্বাধে কি আর বদ ডাকি তোমারে। আস্ত একটা বদ মানুষ।



৩১। চিপায় দেখো-কামিনীটা লুকিয়ে আছে একা
আমি ছাড়া তার কেউ পাবে না দেখা।



আবোল তাবোল লেখা ছবির সাথে সাথে লিখছি এখন-মাত্রা টাত্রা গুনতে যাইবেন না কইলাম-ক্যাকটাস ফুলের কাঁটা আছে কিন্তু হাহাহাহা smile
ভাল থাকুন সবাই-ফি আমানিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৭
২৯টি মন্তব্য ২৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শরিয়াতন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ ও নৈতিক দেউলিয়াপনা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৭


পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা বাড়ছে। এই বিদ্বেষ শুধু ইসরায়েল বা তার পৃষ্ঠপোষক ডানপন্থী দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কানাডার মতো তুলনামূলকভাবে মধ্যপন্থী এবং ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন থাকা আয়ারল্যান্ডের মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×