somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিষ্ঠুর নিয়তি ( ছেলে মেয়ে হয় না আপন বৃদ্ধকালে)

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মেহের নাম তার । গ্রামে বড় হওয়া আট দশটা মেয়ের মতই । দুধে আলতা গায়ের রঙ । আশে পাশের গ্রামেও এমন সুন্দরী পাওয়া যাবে না । যেমন সুন্দরী তেমন পড়ালেখায়ও অসম্ভব ভাল। পড়াশুনার পাশাপাশি গান, কবিতা আবৃত্তিতেও ছিল তার অসামান্য মেধা । স্কুল কলেজে বা গ্রামে কোন অনুষ্ঠান হলে তাকে নেয়া হতো উপস্থাপনার জন্য । একবার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গিয়েছিলেন তাদের স্কুলে । তখন তাকেই উপস্থাপনার কাজটা সাড়তে হয়েছিল । সুন্দর নীল শাড়ী পড়া মেয়েটিকে দেখে অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন এই নীল পরীটাই জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বুঝি ।
মেহের ছিলেন জমিদার পরিবারের মেয়ে । তখনকার দিনে এতটা স্বাধীনতা পাওয়া সবার ভাগ্যে হয়তো ছিল না । কিন্তু মেহেরের আত্মিক বাহ্যিক সৌন্দর্য্য আর মেধা দিয়ে তিনি অতি সহজেই পরিবার হতে স্বাধীন ভাবে চলাফেরায় উৎসাহ পেয়েছিলেন । মেধার জন্য অনেক সম্মানও কুঁড়িয়েছেন অনেক । তিনি কখনো অশালীনভাবে চলাফেরা করেননি । ধার্মিক মনোভাব নিয়ে তিনি বড় হয়েছিলেন ।
পড়াশুনার মাঝেই হঠাৎ একদিন বিয়ে হয়ে গিয়েছিল । ছেলেও বড় পরিবারের । সহায় সম্পদও কম ছিল না । শ্বশুড় বাড়িতেও তার রূপ আর মেধার আদরের কমতি ছিল না । সুন্দর সংসার পেয়েছিলেন । সবার সাথে আত্মিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন । বলতে গেলে অনেক সুখি পরিবার ছিল তাদের ।
সময় আর বয়স তো আর থেমে থাকে না । ঘর আলো করে এলো তাদের মেয়ে জারীন । এবার তো আরো হাসিখুশি পরিবার । জারীনকে নিয়ে সবাই আনন্দে মেতে থাকে । খুনসুঁটি দুষ্টামি দিয়ে ভরে রাখে ঘর জারীন সোনায় । জারীনের বয়স তিন বছর পার হলে মেহের আবারো মা হয় । তবে এবার জারীনের খেলার সাথি তার একটা নাদুস নুদুস ভাই আসে পৃথিবীতে । জিসান নাম রাখা হয় ছেলেটির । মেহেরের ছোট সংসারে সুখের নেই তুলনা । স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ভালবাসা আকাশছোঁয়া । একদিনের জন্যও কেউ কাউকে ছাড়া থাকেনি ।
তাদের সন্তান দুইজনেরই জানের টুকরা । ছোট থেকেই কোন কষ্ট দিতে দেননি মা বাবা দুজনেই । যা চেয়েছে তাই তাদের সাধ্যমত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন । মোটকথা কষ্টের অথবা না পাওয়ার বেদনা তাদেরকে কখনো ছোঁয়নি ।
মেহেরের দুই সন্তানই পড়াশুনায় তার মতই মেধাবী । ভাইবোন সব ক্লাসেই এক হয়ে উত্তীর্ন হতো । দেখতে দেখতে কেটে গেল অনেকটি বছর । জারীন স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে উচ্চ শিক্ষার আশায় চলে গেল আমেরিকা । তারপর মাত্র কয়েকবছর জিসানকে নিয়ে তারা মোটামুটি ভালই ছিল ।
আমেরিকা থেকে জারীন তার ভাইকেও নিয়ে গেল এক সময় । জিসান সেখানে থেকেই পড়াশুনা চালাবে এই আশায় । আর এদিকে মেহের আর তার বর দুজনেই একা হয়ে গেল ছেলে মেয়ে হারিয়ে । এটাকে তো হারানোই বলা যায় । একা একা তাদের সময় কাটছিল না । সম্পদের তো কমতি নেই । নেই কোন কিছুর অভাব । আসল অভাবটা তারা তখনই বুঝতে পারল যখন তাদের জারীন জিসান তাদের ছেড়ে পাড়ি জমাল বৈদেশে । এভাবেই মনের কষ্টে তাদের সংসার চলছিল । সন্তানরা মাঝে মাঝে ভিডিও কল করে অথবা ফোনে , নেটে তাদের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে নেয় ।
এক সময় জারীন আমেরিকাতেই বাংলাদেশী এক ছেলেকে বিয়ে করে সেখানে সংসার পাতে । তারপর থেকেই মা বাবার খবর নেয়া একটু কমিয়ে দেয় । জিসান নতুন চাকুরী পেয়েছে । সেও নতুন বাসা ভাড়া করে চলে গেছে বোনের কাছ থেকে । জারীনের নতুন সংসার তার স্বামীকে নিয়ে খুব আনন্দেই কাটাচ্ছিল ।
কিছুদিন এভাবে কাটার পর মেহের তার মেয়েকে ফোন করে বলে আমরা তোদের ছাড়া থাকতে পারছি না রে । এখানে খুব একা একা লাগে । আমি আর তোর বাবা ঠিক করেছি আমরাও আমেরিকা চলে আসবো তোদের কাছে । আর আমাদের সহায় সম্পত্তি তোদের চাচারা দেখাশুনা করবে । তৎক্ষণাত জারীন কিছু বুঝে উঠতে পারেনি । সহসাই রাজী হয়ে যায় । ফোন রেখে সে জিসান কে ফোন করে বলে মা বাবা আমেরিকা আমাদের কাছে থাকতে চায় কি করা যায় বলতো?
জিসান তো রেগে আগুন । আমাকে না জিগ্যেস করে তুই রাজী হলি কিভাবে । তারা বৃদ্ধ মানুষ এখানে এসে কোথায় থাকবে বল? তোর বাসায় রাখবি?
-না । তা কিভাবে সম্ভব!!
-তাহলে? কি করবি বল এখন
-কেন! তুই তো একাই থাকিস । তোর কাছে মা বাবাকে রাখবি । এখানে তো কোন অসুবিধা দেখছি না।
-তুই বুঝবি না আমার অসুবিধা আছে। আমি আগামী মাসে বিয়ে করবো আমার অফিসের কলিগ জুয়ানাকে ।
-কি বলিস!!!! আমাকে তো জানালি না আগে?
-জানাব জানাব ভাবছিলাম কিন্তু সময় করে উঠতে পারিনি কথাটা বলার
-আসল কথায় আয়, মা বাবা কোথায় থাকবে বল?
-তাহলে বিরাট সমস্যা দেখা দিল । এক কাজ করি চল । মা বাবাকে আলাদা বাসা ভাড়া করে দেই । সেখানেই না হয় ওরা থাকবেন । তুই আর আমি মিলে খরচ বহন করবো ।
-কিরে! রাজি তো?
-কি আর করা যাবে । ওকে ডান.......
আগে থেকেই ভাই বোন মিলে তাদের আদরের মা বাবা যারা তাদেরকে কষ্টের ছোঁয়া পেতে দেননি তাদের থাকার জন্য বাসা ভাড়া করল অগ্রিম টাকা দিয়ে । হায়রে নিয়তি!! যারা একা থাকা থেকে বাঁচার জন্য তাদের অতি আদরের সোনার টুকরা সন্তানদের কাছে আসতে চাচ্ছেন সেই তারা আবারো একা থাকার আরেকটি স্কোপ পেয়ে যাচ্ছেন অনায়াসেই । অথচ মা বাবা জানতেই পারেননি যে, জারীন জিসান তাদেরকে কাছে না রেখে আলাদা বাসা ভাড়া করেছে ।
অবশেষে মেহের তার স্বামীকে নিয়ে আমেরিকা এলেন । জারীন জিসান তাদেরকে এয়ারপোর্টে রিসিভ করলেন । ভাই বোন কানাঘুষা করতে লাগলেন কিভাবে কথাটা মা বাবাকে জানাবে । তখন মেহের বললেন-কিরে কি কথা হচ্ছে তোদের মধ্যে
-ইয়ে না মানে
-আরে বল না । কেমন আছিস তোরা? রান্না করতে পারিস তো জারীন ? কাপড় ধুতে পারিস? জিসানকে কি এখনো খাইয়ে দিস? কোন কষ্ট হয়নি তো এতদিন তোদের?
-আরেরর মা, এত্তগুলা প্রশ্ন একসাথে করলে কোনটার উত্তর দিব বল?
-আচ্ছা উত্তর দিতে হবে না । আমি গিয়েই তো দেখব কেমন আছিস, কেমন থাকিস তোরা আমেরিকায় । আচ্ছা কি জানি বলছিলি দুইজন মিলে । বলনা এবার!!
-আমতা আমতা করে জারীন বলল মা, আমার নতুন সংসার । ছোট দুইটা রুম । একটা ড্রয়িং আর একটা বেডরুম । সেখানে আলাদা করে কারো থাকার জায়গা হয় না মানে থাকাটা খুব কষ্টকর ।
-ও। তোর ভাই তোর সাথে থাকে না?
-না মা ও আলাদা বাসা ভাড়া নিছে ।
-ও তাই বল! কিন্তু তোরা তো এ খবরটা জানাস নি আমাদের । ঠিকাছে তবে কি আমরা জিসানের কাছেই আপাতত উঠছি কি বলিস!
-তখন জিসান বলতে লাগল মা আমারও ছোট একটা সমস্যা হয়ে গেছে মা,
- কি বলিস খোকা, কি সমস্যা হয়েছেরে তোর! কখনো জানাস নি তো! বল না বাপ কি সমস্যা তোর
- না মা তেমন সমস্যা না, মানে মানে আমতা আমতা ভাব
-আরে বলনা , এত ভনিতা করিস না বাপ, আমার খুব ভয় লাগছে,
(জারীনের বাবা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলেন বোধয়, তিনি থ হয়ে দাঁড়িয়ে মা সন্তানদের কথা শুনছিলেন)
- আমি যে বাসা ভাড়া নিয়েছি সেখানেও দুইটাই রুম, আর মা, আর একটা কথাও তোমাদের জানানো হয়নি সেজন্য আমি খুবই দু:খিত ও লজ্জিত
- হ্যা বল, কি জানাস নি?
-মা আমি আগামী মাসে আমার অফিস কলিগ নাম জোয়ানা দেশ কানাডায় তাকে আমি বিয়ে করতে যাচ্ছি। এক নি:শ্বাসে কথাগুলো বলে ফেললো জিসান।

মা, বাবা দুজনেই স্তব্ধ হয়ে গেলো মুহুর্তেই। যেনো তাদের সাজানো পুরু পৃথিবীটাই নড়ে চড়ে উঠলো। একি শুনছে তারা, নাকি ভুল কিছু শুনছে। জারীনের বিয়ের আগে মা বাবাকে তার বিয়ে আর থাকার অসুবিধার কথা জানিয়েছিল। তখন মেয়ের সুখ শান্তির কথা ভেবে রাজী হওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ভেবেছিল ছেলের বিয়ে ধুমধাম করে দিবে । দেশের মেয়ে তারা নিজেরা পছন্দ করে টুকটুকে একটা বউ ঘরে আনবে। সব আশা আকাঙ্খাই বুঝি মুহুর্তেই ধুলায় মিশে গেল।

জিসান আবার বলতে শুরু করল, এজন্য মা বাবা তোমাদের জন্য আমরা ভাই বোন মিলে আলাদা সুন্দর প্লেসে বাসা ভাড়া করেছি। আশা করছি তোমাদের কোন সমস্যাই হবে না। আর আমরা তো আছিই তোমাদের পাশে।

ছেলের কথা শুনে মেহের কি বলবেন বুঝতে পারছিলেন না। তাদের বাবা তখন মুখ খুললেন। তোমরা যখন আমাদের থাকার ব্যবস্থা করেই ফেলেছ তখন কি আর করার আছে এই বিদেশ বিভূঁইয়ে এসে। নিয়ে চল সেখানে আপাতত।
মেহের আর কিছু বললেন না। চুপচাপ তাদের অনুসরণ করে চললেন।

বাসায় পৌঁছতে একটু রাত হয়ে গেল। জিসান বাহির থেকে রেডি খাবার মা বাবাকে খাওয়ালো, তারপর জারীন জিসান কিছুক্ষন থেকে গল্প সল্প করে কাল আবার আসবে বলে যে যার বাসায় চলে গেল।
সেই একাকিত্বের জীবনে ফিরে গেলেন আবার মেহের আর মাহতাব হোসেন। দুজনেই চুপ। কেউ কিছু না বলে শুধু তাকিয়ে আছেন একজন আরেকজনের দিকে।

রাত বাড়ছে চোখে ঘুম নেই বৃদ্ধ বৃদ্ধার। দুজনেই আড়ালে মুখ লুকিয়ে চোখের পানি ফেলছেন । কেউ কাউকে বুঝতে দেননি তখন । নিস্তব্ধতায় মিশে গেছিল তাদের সেদিনের কান্না ।
মেহের মুখ খুললেন এবার, শুনছ,
-হ্যা বল

এসেই যখন পড়েছি তখন তো আর কালই চলে যেতে পারব না। দিন পনের থেকে চল দেশে চলে যাই। আমাদের তো থাকা খাওয়ার অভাব নেই দেশে, বরং এখানের চেয়ে ভালই থাকব। দেশের মানুষ সবাই আপন। এখানে বাংলায় কথা বলা যাবে না প্রাণ খুলে। আর ছেলেমেয়েই কাছে থাকল না। আর এখানে থেকে কি লাভ, কি বল তুমি!
-হ্যাগো তোমার কথাই ঠিক। আমরা বরং দেশেই ফিরে যাব।
শেষ পর্যন্ত মেহের আর মাহতাব দেশে ফিরে এসেছিলেন। তাদের একাকিত্বের ভুবনে....... সাজানো ছোট নীড়ে ।

(December 30, 2013 at 11:18 PM )

(২০১৩ এর লেখাটি আসলে কারো কাছে সত্য ঘটনা শুনে লিখেছিলাম। আমি গল্প লিখতে পারি না। ধারাবাহিক বর্ণনা জীবনের । জীবন এমনই আমাদের। এটি আমাদের জীবনেরই একটি অংশ)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম .........।

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।

কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমুদ্রের নীল খাম

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২


এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮



জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×