
ঈদের পর থেকেই চলছে কড়া লকডাউন/শাটডাউন পর্ব। এই কড়া লকডাউনে হাঁটি হাঁ টি পা পা করে কলোনীতে হাঁটতে যাই। অবশ্য মতিঝিলের এ জায়গায় পুলিশ সেনাবাহিনী কম আসে। তবে নটরডেম কলেজের সামনে অনেক পুলিশি বসে থাকে সারাদিন। বিকেল পাঁচটায় হাঁটতে যাই ঈদের পর কয়েকদিন অনেক নিরবতা ছিলো রাস্তাঘাটে। কেমন যেন ভুতূড়ে পরিবেশ বিরাজ করছিলো। হাঁটি আর ফটো তুলি প্রতিদিনই। আকাশটাও বেশ সুন্দর। আকাশের ফটো দিলাম না এইবার। এই লকডাউনে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তদের দুরাবস্থার সীমা নাই। আগে মানুষ টাকা চাইতো এখন চায় খাবার। তবে টাকার চেয়ে খাবার কিনে দিতে পারলে আমার বেশী ভালো লাগে।
কিছু মানুষ ফুটপাতের কিনারে চায়ের দোকান দিত। কিন্তু তারা এখন আর বসতে পারছে না। ক্রেতার সমাগমও কম। কী যে কষ্টে আছে মানুষ। ভাল্লাগে না কিছু । কবে যে আল্লাহ রহমত করবেন জানি না। এবার কী সরকার ত্রাণ দিচ্ছে না? আমি জানি না সঠিকটা। যদি সবার ঘরে দুই ওয়াক্তের খাবারও দেয়া হতো প্রশাসনের পক্ষ হতে তাহলে মানুষ কাজের সন্ধানে বা খাবারের সন্ধানে বের হইতো না বলে বিশ্বাস।
০২। সবাই বাসায় অবস্থান করলেও এরা সব সময়ই ফুটপাত রাস্তায় হাঁটাহাটিঁ করে। এরা মুখেও মাস্ক পরে না।

০৩। লকডাউনে ফলের দোকান। এমন মোমেন্টে ছবি কয়জন তুলতে পারে হাহাহা। ক্রেতা নাই তেমন এই পথে।

০৪। পায়ে হেঁটে যাত্রা। যে যার গন্তব্যে এভাবে পা হেঁটেই পাড়ি দিচ্ছে।

০৫। ছবি তুললাম ব্যাংকের সামনে। চবি এডিট করতে গিয়া দেখি তাসীনের বাপ সামনে হাহাহা। ছবি দেখে হাসতেই আছি। পিছনে তাকাইয়া যদি দেখতো আমারে যে আমি ছবি তুলতাছি কী জানি কী কইতো কে জানে। কোনোদিকে তাকায় না। দ্রুত বাসায় যাচ্ছে তামীম তিনটা পর্যন্ত না খেয়ে থাকে এই চিন্তায়। আর আমি ছবি তুলতেতুলতে বাসায় যাই । গিয়ে দেখি খাওয়াচ্ছে ছেলেকে আলহামদুলিল্লাহ smile

০৬। সবুজ সবজি, দেখলেই ভালো লাগে, তবে ক্রেতা খুবই কম এজন্য কষ্ট লাগে।

০৭। লকডাউনে শাপলা চত্তর।

০৮। ব্যাংকের সামনে ছবি তুলছি দুইটা, দুইটাতেই তাসীনের বাপ। আর আমি গান গাই মনে মনে এই ছবি দেইখ্যা
বন্ধু আমায় একলা থুইয়া সামনে দিয়া হাঁইটা যায়
বুকটা ফাইট্টা যায় smile

০৯। ফলের দোকান। ক্রেতা নাই। ছবিগুলো তুলেছি আসলে হাঁটতে হাঁটতে । সরাসরি তুলতে লজ্জা লাগে আর মাইনষে কী কইবো । এজন্য ছবিগুলো তেমন সুবিধার হয়নি। সরি

১০। ইহা ঈদের আগের দিন মতিঝিলের ছবি। করোনা যেদিন বন্দি ছিলো

১১। ছবি তুলতে গেলেই দেখি মানুষ চাইয়া থাকে। এই রিক্সাওয়ালা কেমন তাকায় আছে হুহ

১২। অধিকাংশ রিক্সা খালি আসা যাওয়া করে। যাত্রী কম। এদেরও যে কী কষ্ট। কেউ শহরে পরিবার নিয়া থাকে। আবার কারো গ্রামে পরিবার শহর থেকে রুজি করে সেখানে টাকা পাঠাতে হয়।

১৩। খালি মতিঝিল

১৫। এদের মত কিছু ছেলেপেলে দেখি যুগান্তর গলিতে এক হাতে সিগারেট আর অন্য হাতে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আড্ডা দেয়। এদের মুখে মাস্ক থাকে না sad ।

১৬। এই লকডাউনে উনাদের গন্তব্য কোথায় কে জানে।

১৭। ফলের দোকান । ক্রেতা নাই বললেই চলে।

১৮। সব রকমের দোকানেই ক্রেতা নাই। বেচাকেনা না হলে উনাদের কী চলে sad

১৯। আমাদের ব্যস্ত শাপলা চত্বর।

২০। আমাদের শহর খালি এখন

২১। এটা সেনাকল্যাণ ভবনের সম্মুখ।

২২। আমাদের অফিসের সামনে।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


