
স্বার্থের দোকান খুলে বসেছি এই, আমি আর আমাতে নেই,
যেদিকে তাকাই, কেবল ধাঁধা, পথঘাটে লেগে আছে স্বার্থের কাদা।
কাদায় যায় পিছলে পা, অন্তরে বাড়ে ঘা।
নিতে চাইলে, দিয়ে দেই কিছু, তবু স্বার্থ টেনে ধরে পিছু।
নেয়ার বেলায় অথৈ খুশি, তবে কীসের দুঃখ বুকে পুষি!
দিতে অপারগ মানুষ, উড়ায় কেবল স্বার্থের ফানুস,
আঁকড়ে রাখে, সব মুঠোয় বন্দি, আরও পেতে, আঁটে ফন্দি।
স্বার্থের ব্যাঘাতে মানুষ নাখোশ, চোখে ঝরে শত সহস্র আক্রোশ।
প্রয়োজনে দূরে পালায়, রেখে যায় স্বার্থ, ফুটো থালায়।
কথায় কথায় মানুষ দরদী হয়, কাজের বেলা সে দূরেই রয়।
যা সে নিজে করেনি কভু, সে নিয়েই চাঁপাবাজি তবু।
মানুষের মন বড় আজব সৃষ্টি, স্বার্থের বেলা চতুর ওদের দৃষ্টি।
গায়ের লেবাস টাটকা শুদ্ধ, অথচ মন স্বার্থের তালায় রুদ্ধ;
জীবন নিয়ে গবেষনার নেই অন্ত, মানে না তবু এ মনতো;
মানুষের মন হন্যে হয়ে খুঁজি, নির্বাক তাকিয়ে পলকে বুঝি,
কী আছে বাহির ভিতর, পড়ে ফেলে হই চকিতে নিথর ।
বুকের বাম অলিন্দ স্বার্থ ভর্তি, এ নিয়েই কত আমোদ ফুর্তি।
মানুষ বড্ড অচেনা লাগে, মানুষকে চিনি মানুষের মত করে
বড় ইচ্ছে জাগে।
মনের অলিগলিতে কেবল খুঁত, তাই মানুষকে চিনতে আর
পাই না যুৎ।
©কাজী ফাতেমা ছবি
২৯-০৫-২০১৯
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০২৫ বিকাল ৪:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


