অভিনেত্রী জয়া আহসান ভারতে মার্কেট পাবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে । যেখানে মুসলিম ছেলেদের হাঁটুর উপরে কাপড় উঠানো যায় না সেখানে, জয়া আহসান মার্কেট পাবার জন্য অনেক উপরে উঠিয়ে ফেলেছেন । যখন দেখলেন তাতেও মার্কেট পাচ্ছেনা তখন ভারতের দালালী করছেন । আরে ম্যাডাম আপনি বলেছে মুত্তা আলুতে পড়লাম বলেছে “১৯৪৭ সালের দেশ বিভাজনের কারণ খুঁজে পাননা এটা একটা দুঃখজনক ব্যাপার ৭১ সালের মোটামুটি খুঁজে পান” । তাহলে আপনাকে কিছু কারণ শুনাই,
১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে এই বাংলার মানুষ চাষা পুষা থাকবেনা । তখন তারা শিক্ষিত হয়ে উঠবে তাদের অধিকারের প্রতি সোজাগ হয়ে উঠবে । তখন আর রবীন্দ্রনাথের মতো জমিদাররা আমাদেরকে আর শোষণ করতে পারবেনা । এই কারণে আর ১৯৪৭ সালে আমরা চুপ করে থাকতে পারিনি, আমরা আমাদের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছিলাম । কিন্তু তা পশ্চিমবঙ্গের বাঙ্গালীদের পছন্দ হয়নি তার জন্য আমাদেরকে কচুকাটা করেছিলো ।
২. ১৯৪৭ সালের আগে যদি আমরা বাংলাদেশকে ভারতের সাথে মিলিয়ে দেই তাহলে আমাদেরকেও বাবরী মসজিদের মতো অনেক মসজিদ ভাঙ্গা সহ্য করতে হতো । হয়তো বা আমাদের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকারম এ হাজার বছর আগে মন্দির ছিলো বলে উগ্রপন্থী হিন্দুদের দিয়ে ভাঙ্গা হতো ।
৩. যদি আমরা ১৯৪৭ সালের আগে ফিরে যাই বাংলাদেশকে ভারতের সাথে মিলিয়ে দেই তাহলে আমাদের দেশের অভিনেত্রা-অভিনেত্রীরা নিজেকে মুসলিম বলতে পারতেনা । সালমান খানের মতো বলতে হতো “আমি হিন্দু ও আমি মুসলিমও আমি ঈদ করি পূজাও করি ।
৪. ১৯৪৭ সালে যদি দেশ বিভাজন না হতো তখন আপনাদের মতো মেয়েরা স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে পারতো না উগ্রপন্থী হিন্দুদের জন্য । তখন চলন্ত গাড়ীতে ধর্ষন এর অপবাদ আমাদেরকেও শুনতে হতো ।
৫. ১৯৪৭ সালে যদি দেশ বিভাজন না হতো তখন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী মুদি হতেন । তখন তিনি বলতেন “যেহেতু আমাদের পুর্ব ধর্ম হিন্দু তাই আমাদেরকে জোরকে হিন্দুতে পরিণত করতে কোনো অপরাধ নয় ।
জয়া আহসান আপনি মনে হয় জানেন না যে, আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্য ওপারের হিন্দু বাঙ্গালীদের ডেকেছিলাম । কিন্তু তারা তাদের হিন্দুত্বকে পায়োরোটি দিয়ে ভারতের সাথে রয়ে গিয়েছিলো । আমরা কিন্তু শখে আহ্লাদে ওদের কাছে থেকে আলাদা হইনি । আপনার মতো নত্তকি আমাদের এখানে দরকার নেই, ওখানে আপনাদের স্থান ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



