somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়েছে।
মহাশূন্যে কোনো শব্দ নেই।
কোনো ধর্ম নেই।
কোনো যুদ্ধ নেই।
শুধু নিস্তব্ধতা।
এই নীরবতার মাঝেও আমি আজও একটি নাম শুনতে পাই—
কেয়া।
________________________________________
আমাদের পৃথিবী তিনটি বিশাল সাম্রাজ্যে বিভক্ত ছিল।
রাজা আহমাদ।
রাজা এভেদ হাসেম।
রাজা আল-মাসিহ।
তিনজনই ছিল চাচাতো ভাই।
আর তাদের সবার উপরে ছিলেন “রাজাদের রাজা”—
সম্রাট খলিলুল্লাহ।
তিনি ছিলেন সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা।
কিন্তু বিস্ময়করভাবে, একই রক্তের উত্তরাধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তাদের রাজ্যগুলোর মানুষ প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করত।
কার ধর্ম সত্য?
কার ঈশ্বর সঠিক?
কার রাজা সবচেয়ে শক্তিশালী?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ মরত।
________________________________________
চল্লিশ বছর আগে আমি জন্মেছিলাম রাজা আহমাদের রাজ্যে।
তখন পৃথিবী সুন্দর ছিল।
নদীগুলো শান্ত ছিল।
সমুদ্রের পানি ছিল নীল।
খোলা আকাশে পাখিরা উড়ত।
বসন্তে কৃষ্ণচূড়া ফুটত।
আমি বিজ্ঞান ভালোবাসতাম।
আর সেই বিজ্ঞানই একদিন আমাকে তার কাছে নিয়ে যায়।
________________________________________
হাইস্কুলের বিজ্ঞান মেলা।
আমি একটি ছোট্ট বুথে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
আমার প্রজেক্ট ছিল Space-Time Curvature নিয়ে।
চারপাশে মানুষের ভিড়।
কেউ হাসছে, কেউ প্রশ্ন করছে।
ঠিক তখনই—
আমি তাকে প্রথম দেখি।
একটি মেয়ে ধীরে ধীরে আমার বুথের দিকে এগিয়ে আসছিল।
মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবী হঠাৎ ধীর হয়ে গেছে।
তার লম্বা কালো চুল বাতাসে উড়ছিল।
তার চোখ দুটি ছিল গভীর রাতের মতো—শান্ত অথচ রহস্যময়।
তার ঠোঁটে ছিল একটুকরো কোমল হাসি, যেটা মানুষের হৃদস্পন্দন থামিয়ে দিতে পারে।
আমি শপথ করে বলতে পারি—
সেদিন বিজ্ঞান মেলায় সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি ছিল না কোনো রোবট, কোনো যন্ত্র কিংবা কোনো তত্ত্ব।
সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি ছিল কেয়া।
সে আমার প্রজেক্টের সামনে দাঁড়িয়ে খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতে লাগল।
তারপর ধীরে বলল—
“তুমি কি সত্যিই বিশ্বাস করো… সময়কে বাঁকানো সম্ভব?”
আমি উত্তর দিতে পারিনি।
কারণ তখন আমার চারপাশের সব শব্দ অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।
আমি শুধু তার চোখ দেখছিলাম।
সেই চোখে আমি পুরো মহাবিশ্ব দেখেছিলাম।
________________________________________
সেদিনের পর থেকে আমরা প্রায় প্রতিদিন কথা বলতাম।
বিজ্ঞান নিয়ে।
তারকা নিয়ে।
সময় নিয়ে।
স্বপ্ন নিয়ে।
কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝলাম—
আমি আর শুধু তার কথার প্রেমে পড়ছি না।
আমি তার হাসির প্রেমে পড়ছি।
তার রাগের প্রেমে পড়ছি।
তার চোখের নিচের ছোট্ট ক্লান্তির দাগের প্রেমে পড়ছি।
এমনকি তার নীরবতারও প্রেমে পড়ছি।
সে যখন হাসত, মনে হতো পৃথিবীর সব যুদ্ধ থেমে যেতে পারে।
সে যখন আমার দিকে তাকাত, মনে হতো আমি অমর হয়ে গেছি।
একদিন সন্ধ্যায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে বসে আকাশ দেখছিলাম।
কেয়া বলেছিল—
“জানো, মানুষ যদি একদিন অন্য গ্রহে গিয়েও বাস করে… তবুও মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রেমে পড়বে।”
আমি হেসে বলেছিলাম—
“আর আমি সব গ্রহে গিয়েও শুধু তোমার প্রেমেই পড়ব।”
সে হেসেছিল।
তারপর মাথা আমার কাঁধে রেখে বলেছিল—
“তুমি অদ্ভুত।”
আমি উত্তর দিয়েছিলাম—
“তুমি না থাকলে আমি শুধু একা এক বিজ্ঞানী হতাম।
তুমিই আমাকে মানুষ বানিয়েছ।”
________________________________________
গ্র্যাজুয়েশনের পর আমি দুটি সিদ্ধান্ত নিই।
আমি কেয়াকে বিয়ে করব।
আর Theory of Relativity নিয়ে PhD করব।
এক বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে তাকে ডাকি।
বাতাসে লাল ফুল উড়ছিল।
সূর্যের আলো তার মুখে পড়ছিল।
আমি হাঁটু গেড়ে বসে একটি কৃষ্ণচূড়া তার দিকে বাড়িয়ে দিই।
“কেয়া… তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?”
তার চোখে একসাথে লজ্জা, বিস্ময় আর ভালোবাসা দেখেছিলাম।
সে কাঁপা গলায় বলেছিল—
“হ্যাঁ… আমি তোমাকেই বিয়ে করব।”
তারপর সে আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল।
সেই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল—
পুরো মহাবিশ্বকে জয় করার চেয়েও সুন্দর হলো একজন মানুষকে সত্যিকারের ভালোবাসা।
________________________________________
বিয়ের দিন।
বসন্তের সকাল।
চারদিকে আলো, সঙ্গীত, মানুষের হাসি।
কেয়া কনের সাজে প্রস্তুত হচ্ছিল।
আমি তাকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে উঠছিলাম।
আমি ভাবছিলাম—
আজ পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারীটি আমার স্ত্রী হবে।
কিন্তু—
হঠাৎ পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে গেল।
একটি ক্ষেপণাস্ত্র আমাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে আঘাত করেছিল।
আগুন।
চিৎকার।
রক্ত।
ধ্বংসস্তূপ।
আমি যখন জ্ঞান ফিরিয়ে দেখি, আমি হাসপাতালের বাইরে পড়ে আছি।
সবাই মারা গেছে।
সবাই।
________________________________________
আমি কেয়ার কথা জিজ্ঞেস করেছিলাম।
কেউ উত্তর দেয়নি।
আমি তার কবর দেখতে চেয়েছিলাম।
কেউ আমাকে দেখায়নি।
মনে হচ্ছিল, পৃথিবী থেকে শুধু মানুষ নয়—
আমার আত্মাটাও হারিয়ে গেছে।
________________________________________
এরপর শুরু হয় Armageddon।
রাজ্যগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে পড়ে।
একদিন এভেদ হাসেমের সেনাবাহিনী আমাকে বন্দি করে নিয়ে যায়।
আমি মৃত্যুকে ভয় পাইনি।
বরং চেয়েছিলাম firing squad-এর গুলিতে সব শেষ হয়ে যাক।
কিন্তু তারা আমাকে হত্যা করেনি।
তারা আমাকে পাঠিয়েছিল একটি গোপন বিজ্ঞান গবেষণাগারে।
সেখানে আমি জানতে পারি—
এই যুদ্ধের কারণ শুধু একটি প্রশ্ন—
“কার ধর্ম সত্য?”
প্রতিটি রাজ্যের মানুষ বিশ্বাস করত, তাদের রাজাই একদিন ত্রাণকর্তা পাঠাবে।
আর সেই ত্রাণকর্তা পুরো পৃথিবী জয় করবে।
আমি ধীরে ধীরে মানুষকে ঘৃণা করতে শুরু করি।
________________________________________
এক রাতে পরীক্ষাগারে কাজ করতে করতে আমি আবিষ্কার করি একটি গোপন যন্ত্র।
Time Dilation Device।
এর মাধ্যমে আমি সময়ের প্রবাহ ভেঙে অন্য মাত্রায় প্রবেশ করতে পারতাম।
প্রতিদিন মধ্যরাতে আমি মহাশূন্যে চলে যেতাম।
তারাদের মৃত আলো দেখতাম।
আর কেয়ার কথা ভাবতাম।
যদি যুদ্ধ না হতো…
যদি সে এখনো বেঁচে থাকত…
________________________________________
বছরের পর বছর গবেষণার পর অবশেষে আমি সময় ভ্রমণ করতে সক্ষম হই।
আমি অতীতে ফিরে যাই।
বিয়ের দিনের ঠিক আগে।
সবাইকে সতর্ক করি।
সবাই পালিয়ে যায়।
আমি ভেবেছিলাম এবার কেয়া বেঁচে যাবে।
কিন্তু—
দুটি ড্রোন আকাশ থেকে নেমে আসে।
বিস্ফোরণ।
আবার অন্ধকার।
আবার হাসপাতাল।
আবার শূন্যতা।
________________________________________
আমি হাল ছাড়িনি।
আবার অতীতে যাই।
এইবার বিয়ের এক সপ্তাহ আগে।
আমি কেয়াকে সব সত্য বলি।
আমরা বিয়ের স্থান বদলাই।
কিন্তু ফল একই।
যেন মহাবিশ্ব নিজেই কেয়ার মৃত্যুকে লিখে রেখেছে।
তখন আমার মনে পড়ে যায় Orpheus আর Eurydice-এর গল্প।
Orpheus মৃত্যুর দেশ থেকে তার প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি।
আমিও পারিনি।
________________________________________
এক রাতে আমি Time Device খুলে সাত আকাশের ওপরে সম্রাট খলিলুল্লাহর জগতে প্রবেশ করি।
সেখানে দেখি—
তিন রাজা আর সম্রাট একসাথে বসে নৈশভোজ করছে।
তারা যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করছে।
হাসছে।
খাচ্ছে।
তাদের চোখে কোনো অনুশোচনা নেই।
সেই মুহূর্তে আমার ভিতরে আগ্নেয়গিরির মতো ক্রোধ জন্ম নেয়।
মনে হলো, কেয়ার কণ্ঠ আমার কানে ফিসফিস করছে—
“সম্রাটকে হত্যা করো…”
________________________________________
আমি অতীতে ফিরে যাই।
সেই মুহূর্তে—
যখন খলিলুল্লাহ তার নাতিদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিচ্ছিল।
আমি আমার Kalashnikov তুলে ধরি।
গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে ইতিহাস।
সম্রাট খলিলুল্লাহ মারা যায়।
তিন রাজাও মারা যায়।
এবং একটি নতুন টাইমলাইন জন্ম নেয়।
________________________________________
এই নতুন পৃথিবীতে কোনো ধর্ম ছিল না।
কোনো তিন রাজ্য ছিল না।
আমি ভেবেছিলাম এবার পৃথিবীতে শান্তি আসবে।
কিন্তু কয়েক দশক পর দেখি—
মানুষ আবার যুদ্ধ করছে।
এইবার ধর্মের জন্য নয়।
জাতি, বর্ণ, সম্পদ আর ক্ষমতার জন্য।
তখন আমি বুঝতে পারি—
সমস্যা শুধু ধর্মে নয়।
সমস্যা মানুষের ভিতরে।
মানুষ বিশৃঙ্খলা ভালোবাসে।
লোভের জন্য, ক্ষমতার জন্য, অহংকারের জন্য—
মানুষ সবকিছু ধ্বংস করতে পারে।
এমনকি প্রেমও।
________________________________________
এখন আমি মহাশূন্যে একা ভাসি।
দূরে পৃথিবী জ্বলছে।
আর আমি শুধু কেয়ার কথা ভাবি।
ইশ…
আমরা যদি মানুষ না হতাম।
আমরা যদি দুটি পাখি হতাম—
তাহলে হয়তো কোনো যুদ্ধ আমাদের আলাদা করতে পারত না।
আমরা শুধু আকাশের ওপরে উড়ে বেড়াতাম চিরকাল আর ভালোবাসতাম একে অপরকে।
________________________________________
আর তখনই আমার মনে একটি প্রশ্ন জাগে।
যদি মানুষ সত্যিই ঈশ্বরের “সেরা সৃষ্টি” হয়—
তাহলে মানুষ এত নিষ্ঠুর কেন?
কেন মানুষ ভালোবাসার চেয়ে ঘৃণাকে বেশি বেছে নেয়?
কেন মানুষ শান্তির চেয়ে বিশৃঙ্খলাকে বেশি ভালোবাসে?
মানুষ কি সত্যিই ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি?
নাকি—
মানুষই ঈশ্বরের সবচেয়ে ভয়ংকর সৃষ্টি?
আমি উত্তর জানি না।
আমি শুধু জানি—
একজন মানুষ একসময় একটি মেয়েকে খুব ভালোবেসেছিল।
আর সেই ভালোবাসাকে হত্যা করেছিল মানুষেরই সৃষ্টি করা যুদ্ধ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সী পার্ল এবং চারপাশ

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৪


খুব ভোরে ঘুম ভাঙ্গল। সূর্য তখনও জাগেনি। ব্যালকুনিতে গিয়ে বসলাম কিছুক্ষন। সামনে সাগর আপনমনে ঢেউ তুলে নাচছে। একজন মানুষও নাই সাগরপাড়ে। এমন নিরিবিলি সাগরপাড়ই চেয়েছিলাম। যেখানে পুরোটাই আমার থাকবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয়

লিখেছেন এমএলজি, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

= ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয় =

বিশ্বখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি এনভিডিয়া (NVIDIA)-তে কর্মরত, বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানী ড.... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলসার আসর

লিখেছেন নিচু তলাৱ উকিল, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

রঙ্গিন শহররের বুকে তাম্বু টাঙিয়ে বসিয়েছি জলসার আসর।
ধর্মীয় বয়ানের ফাঁকে;
গলির মাথায় বেজে উঠছে উলুধ্বনি।
এদিকে তুমি আর আমি ডুবে আছি কলকির ধোঁয়ায়।
নোনতা ঘামের ব্যবচ্ছেদে পুটিমাছের বুক চিরে মেখে দিয়েছি পাঁচ প্রহরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ শেষ জীবনে

লিখেছেন সামিয়া, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯



ঘুমিয়ে থাকা একজন মানুষ কখনো কখনো জেগে থাকা একজন মানুষের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকতে পারে? কথাটা শুনতে অদ্ভুত। কিন্তু বয়স হলে মানুষ অনেক অদ্ভুত কথাই বিশ্বাস করে চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতি পদে আনভীর সোবহানকে দেখতে চাই।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২


সায়েম সোবহান আনভীর। এক বিশাল বিজনেস টাইকুন, বসুন্ধরা গ্রুপের যোগ্য কান্ডারী। আহা, কী তার ব্যক্তিত্ব! দেখতে যেমন সুন্দর, চরিত্রও যেন মাশাআল্লাহ্ ফুলের মতো পবিত্র। আর বসুন্ধরা গ্রুপের কথা তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×