somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশঃ কাহিনীর অন্তরালে

১০ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পুলিশ অফিসারদের দৈনন্দিন পুলিশি কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য ১৯৪৩ সালে "Police Regulations Bengel (P.R.B)" নামে একগুচ্ছ বিধান প্রণয়ণ করা হয় ।
সকল পর্যায়ের পুলিশি কার্যকলাপ, বাহিনীর শৃংখলা, নিয়মানুবর্তিতা ও পুলিশ ব্যবস্থাপনাসহ পদ্ধতিগত আইনের সরল ব্যাখ্যা ইত্যাদি পি আর বি তে লিপিবদ্ধ ।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেক সদস্যের জন্য এই প্রবিধান (P.R.B) মাণ্য করা আবশ্য কর্তব্য এবং এই প্রবিধানের যে কোন বিধির লংঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলিয়া গণ্য ।
সাম্রাজ্যবাদী বৃটিশ কর্তৃক রচিত স্বাধীন রাষ্ট্রের অনুপযোগী মান্দাতা আমলের এই প্রবিধান ঘষামাজা করে গুরুত্বপৃর্ণ একটি বাহিনী পরিচালনার মুলনীতি হিসেবে আজো ব্যবহৃত হচ্ছে ।
এই প্রবিধানের অধিকাংশ বিধি সময়ের সাথে সংগতিহীন ও বাস্তবতা বিবর্জিত পাশাপাশি কালের আবর্তনে অপ্রয়োজনীয় হওয়া সত্ত্বেও এর দৃশ্যমাণ কোন পরিবর্তন বা সংশোধন আজও হয়নি ।
আরেকটা বিষয় বাদ পড়ে গেছে তা হচ্ছে ১৮৬১ সালের "পুলিশ আইন" এটি শাষিতকে আরো বেশি শোষণ ও নির্যাতনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রণয়ণ করা হয় ।
এই কালো আইন পুলিশ বাহিনীর যাবতীয় ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণকে শাসকরুপী শোষকদের হাতে তোলে দিয়েছে ।
এর ফলে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় পুলিশ একটা নির্দিষ্ট গোষ্ঠি ও শ্রেণীর সেবাদাসের ভূমিকা পালন করতে বাধ্য হচ্ছে ।
ভাবতেই অবাক লাগে সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ২০০ বছর আগে প্রণীত একটি আইন কোনরুপ সংশোধনী ছাড়া এখনও কি করে স্বাধীন সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাহিনী পরিচালনার মূল দলিল হিসেবে কার্যকর থাকে !
পাছে লাঠিয়াল বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হয় এই আশংকা থেকে কোন সুশীল বুদ্ধিজীবী অথবা দেশদরদী সরকার রাজনৈতিক দল এবং নেতা অনুপযোগী এইসব আইন ও বিধি সংশোধন/ নতুন আইন ও বিধি প্রণয়ণের দাবী জানাননি চেষ্টাও করেননি ।
কিন্তু বাস্তবতা এবং যুক্তির দাবী হচ্ছে স্বাধীন রাষ্ট্রের উপযোগী, জনবান্ধ, সময় ও চাহিদার সাথে সংগতিপূর্ণ কার্যকর একটি পুলিশ আইন ও প্রবিধান প্রণয়ণ ।
কথা হচ্ছে কে করবে এই কাজ ?
যে যায় লংকায় সেই হয় রাবন ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরীর ছোট গল্প "নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:১৩

নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি
মঞ্জুর চৌধুরী

নীরা কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না। তাঁর স্বামী আরমানের আরেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল? এই আরমান কিনা সবসময়ে আবৃত্তি করতো "এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ, আমি কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৭



আমাদের সেই পুরনো ভিটেটার অস্তিত্ব  এখন আর নেই। তবে বুকের গহীনে ভিটেমাটির মায়াটুকু  ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে। কত স্মৃতি, কত গান, কত গল্প-কোলাহল,  মান- অভিমান ! চাইলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×