

OMG!! প্রাণিটিকে দেখে তো প্রথমে আমিও ভয় পেয়ে গিয়ে ছিলাম। এ্যায়ী এ্যায়ী হচ্ছে মূলত ইদুঁরের প্রায় সম গোত্রীয় প্রাণী। এদের আবাস মূলত মাদিগাস্কার দ্বীপে। এদের নখ এতই ধারালো ও মজবুদ যে বড় বড় গাছ কেটে ফেলতে সক্ষম এরা।
২। ব্লব ফিশ (Blob Fish)


এরা সাধারণত অস্ট্রলিয়া সংলগ্ন প্রশান্ত মহাসাগরে বসবাস করে। এরা অত্যন্ত অদ্ভুত প্রাণী। পানির ভিতরে অবস্থান কালে এদের আকৃতি এক রকম এবং পানির বাইরে বের করে আনলে আরেক রকম। পানির ভিতরে এদের দেখতে প্রায় মাছের মতই। কিন্তু পানির বাইরে এরা বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত প্রাণী।
৩। ওকাপি (Okapi)

ওকাপি প্রাণীটি দেখতে হলে আপনাকে চলে যেতে হবে কঙ্গোর উত্তর-পশ্চমাঞ্চলের রেইন ফরেস্টে গুলোতে। এটি হচ্ছে জিরাফের সমগোত্রীয় প্রাণী। কিন্তু এর জেব্রার পা কোথা থেকে আসল? এরা লাজুক প্রকৃতির প্রাণী যার জন্যই একে ১৯৯০ এর আগে আবিষ্কার করা সম্ভব হয় নি। কিন্তু ধারণা করা হয় এদের বয়স বাঘের থেকেও বেশি।
৪। অ্যালপাসা (Alpaca)

এই প্রাণিটিকে তো আমার স্বপ্নের পঙ্খীরাজের ঘোড়ার মত লাগছে।কিন্তু এরা ভেড়ার সমগোত্রীয়। এদের লম্বা গলা এদের স্বন্ত্রত্রতা দিয়েছে। এদের মূলত বৃহত্তর আমেরিকা মহাদেশে পাওয়া যায়। এদের শরীর থেকে প্রাপ্ত পশম ব্যবহার করে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি উল প্রস্তুত করা হয়।
৫। এক্সলোটল (The Axolotl)

এদের মেক্সিকোতে দেখতে পাওয়া যায়। এরা তাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ পুনরুৎপাদন করতে সক্ষম। যার কারণে এদের মূলত বৈজ্ঞানীক গবেষণার কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবরহৃত হয়। আশ্চর্যের এদেরকে বিভিন্ন দেশে শখ করে পালনও করা হয়।
৬। প্রবোসকিস বাঁনর (Proboscis Monkey)

বলার অবকাশ রাখে না যে, এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এদের বিশাল নাক(মুলত পুরুষদের)। এদের যত বয়স বাড়ে নাক আরো বেশি লম্বা হতে থাকে। একমাত্র বর্ণীয় দ্বীপে এদের পাওয়া যায়। এরা বিলুপ্ত প্রায় প্রাণী।
৭।The Babisura

-------------------------------
দীপ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


