somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার জীবন - ৬

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই সিরিজটা সম্পূর্ণ আমার জীবনের গল্পে লিখা। পুরটাই বাস্তব। আগের লিখাগুলো লিখতে যেয়ে খুবই আবেগি হয়ে গেছিলাম। পাঠকদের উদ্দেশ্যে লিখা নয়।


আম্মা মারা যাওয়ার পর আমরা বড় ২ ভাই বোন দিশে হারা হয়ে পড়েছিলাম। আমি তো মানষিক ভাবে খুবই ভেঙ্গে পড়ে ছিলাম। সত্যি বলতে প্রথম ২ মাস আমার তেমন কিছুই মনে ছিল না। খুবই বেশী ডিপ্রেশনে ছিলাম। এই সময় আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল আমার মামাত ভাই।

আমার বোনের কথা বলি। সে তখন HSC পরীক্ষা দেয়। আমি আজও অবাক হই সে এই অবস্থাতে পরীক্ষা দিয়ে গোল্ডেন এ+ পায় এবং বোর্ড বৃত্তিও লাভ করে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস কোন ভাল ভার্সিটিতে ভর্তির সুজোগ পায়নি। আমি এর জন্য সরাসরি আমার আব্বা কে দ্বায়ী করি। কেন দ্বায়ী করি তা আজ বলছি।

আগে আমাদের বাড়ির বর্ননা দেই। আমার দাদা বাড়িটা রেখে যান তার বড় ছেলে মানে আমার আব্বার নামে। পরে আব্বা সেটা তার আরও ২ ভাই সহ ৩জনের নামে করে নেন। এতে তার ভাইএরা বিভিন্ন ঝামেলা করে। অব শেষে তার মেজ ভাইএর অংশ বাকি ২ভাই কিনে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। তাই আমাদের বাড়িটা ভাগ হচ্ছিল। দালান আলাদা হয়ে গেছিল শুধু উঠান বাকি ছিল। এই সময় আমার আম্মা মারা যান। তাই আমাদের সদর দরজা এখনও একই আছে।

এখন মূল ঘটনা বলি। আম্মা মারা যাওয়ার পর আমাদের বাসাই অনেক লোক আসত আমাদের শান্তনা দাওয়ার জন্য আর আমার ছোট ভাইটাকে দেখার জন্য। যারা আসত তাদের কে আমাদের দিকেই বসান হত। আর আমাদের দিকেই নাস্তা করান হত। মেহমান আসাটা খুবই ভাল। এতে আল্লাহ্‌ এর রহমত থাকে। কিন্তু তাদের মেহমানদারি করানর জন্য কখনই আমার চাচী এগিয়ে আসতেন না। আর আমার চাচাও অনেক ঝামেলা করতেন। যেমন চা কেন গরম নাই? বিস্কুট কেন নরম? এরকম আরও অনেক ঝামেলা। এসব শুনে আমার আব্বাও বকা দিত আমার বোন কে। তাকে ঠিক মত পড়ার সুজোগই দিতেন না আমার আব্বা।

আমিও তখন অনেক ডিপ্রেশনে ছিলাম। আমার উচিৎ ছিল এসব নিয়ে তাকে সাহায্য করা। আমি সেটা পারেনি। আর পরে আমি বাড়ি ছাড়লাম কারণ আমার পরীক্ষা ক্লাস এসব অনেক দিন বাদ গেছিল। সেই ইয়ারে আমার উপস্থিতি খুবই কম ছিল। সে সব পূরণ করা দরকার ছিল।

চলবে......

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৮০

লিখেছেন রাজীব নুর, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯



গতকাল রাত ১২ টায় খুব মেজাজ খারাপ হয়েছে।
বাসায় এসে বসেছি মাত্র। আর গলির ভিতর ঢুকেছে মিছিল। ধানের শীষের মিছিল। রাত ১২ টায় কেন মিছিল করতে হবে? ফাজলামোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

লিখেছেন নতুন নকিব, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৪

রক্তের গ্রুপ বৃত্তান্ত; জীবন রক্ষার স্বার্থেই জেনে রাখা দরকার রক্তের গ্রুপ

ছবি সংগৃহীত।

বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গেছে। দুই পরিবার আনন্দে ব্যস্ত। বর ও কনে দুজনেই সুস্থ, শিক্ষিত, স্বাভাবিক জীবনযাপনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাল হাদিস ধরার একটি এপ্লিকেশনের আইডিয়া নিয়ে কাজ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩২

জাল হাদিস ধরার একটি সফটওয়্যার নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এপ্লিকেশন বানানোর ছক আঁকার পরে এখন ইনভেস্টর খুঁজছি। দিন কয়েক আগের ঘটনা। সামুতে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম, অসুস্থ্য থাকায় আল্লাহর নির্দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে কারণে ১১ দলীয় বা জামায়েত ইসলাম জোটকে ক্ষমতায় আনা উচিৎ

লিখেছেন সূচরিতা সেন, ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৫


এটা সত্য যে জামায়েত ও এনসিপি দূরনীতি গ্রস্থ সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা তাদের নেই আর এইটাই তাদের সব থেকে বড় শক্তি। তারা বিশেষজ্ঞর জন্য ও সচ্চতা জন্য এবং সংস্কারের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

গদি লইড়া যাইতেসে রে.... :)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০


নিয়াজ স্যার জানেন কিনা জানি না, তবে ছাত্রদলের সেই বিখ্যাত স্লোগান: "নীলক্ষেতের ভিসি আপনি"—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোরে যতবার প্রতিধ্বনিত হয়েছে, ততবারই সাধারণ মানুষ চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে চেয়েছে যে ছাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×