রোগের ইতিহাস ও লক্ষণ
এ রোগের ইতিহাস মানবসভ্যতায় মতোই
প্রাচীন।
একে বলা যেতে পারে বাবাতঙ্ক।আক্কেল
দাঁত যেমন নির্দিষ্ট বয়সের পর ওঠে,এ
রোগও শৈশব পার হওয়ার পরদেখা যায়।
কেননা বাবা নামের যমের কাছ
থেকে শৈশব পর্যন্ত যাবতীয় বাঁদরামির
চর্চা অনুমোদন পায়।সন্তান সামান্যবড়
হলেই বাবারা এ রোগের ভাইরাস
সমূলে উত্পাটনে আত্মনিয়োগ করেন।
আওয়ামী লীগ বিএনপি হোক
কিংবা আর্জেন্টিনা ব্রাজিল হোক
দুনিয়ার সব বাবাই সন্তান দেরটাইট
দেওয়ার ব্যাপারে এক
পতাকাতলে অবস্থান করেন।একবার এ
ভাইরাস আক্রমণ করলে জের টানতে হয়
যৌবন পর্যন্ত।মানসিক এ
রোগে আক্রান্তরা নিজ নিজ
বাবাকে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের
সমগোত্রীয় মনে করে আর ভয় পায়।
তবে পিতৃহীন এতিমদের জন্য
বাঁচায়া তাদের এ রোগে ধরে না।বাবাই
যদি না থাকে তো ভয় পাবে কাকে?
চিকিত্সা..
বাবাতন্ক থেকে বাঁচতে চাইলে একটু
সদিচ্ছাই যথেষ্ট।নিজ নিজ পিঠ
বাঁচাতে এবং সঙ্গে সঙ্গে পেট
বাঁচাতে (যেহেতু বাবার হোটেল
ছাড়া কোন
গতি নেই!)চাইলে বাদরামি নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
স্কুল,কলেজ
পালিয়ে ভিডিওগেইম,সিনেমা বা আড্ডায়
যাওয়ার ঝুকি নেওয়া যাবে না!গার্লস
স্কুল/কলেজের সামনে রোদ
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভলান্টারি ট্রাফিক
কন্ট্রোলের জন্য
দাঁড়িয়ে থাকা চলবে না!বাবার পকেট
পাতলা করার মিশনে ক্ষান্ত দিতে হবে!
সাবধানতা:
বাবা আপাত দৃষ্টিতে সৈরাচার হলেও
তার কমান্ড মনে চলতে হবে !
মনে রাখতে হবে আজকের ছেলেও
ভবিষ্যত্ এ বাবা হবে,তখন তো নিজের
ছেলেকেও টাইট দিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



