সম্প্রদায়গুলো এক একটি পরিবারের মতো। ধর্ম হচ্ছে- সম্প্রদায় নামক পরিবারের মূল সহায়-সম্পত্তি। ধর্মবেত্তা হচ্ছেন তাত্ত্বিক গুরু। পরিবারে নানান ধরনের সদস্য থাকতে পারে। একটি বড় পরিবারে ভালো, মন্দ, পাগল, ছাগল, ধনী, গরীব থাকতে পারে; তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি কলহ-বিবাদ হতে পারে, কিন্তু প্রয়োজনে সবাই আবার এক। একটা ইউনিট। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম- আমার মামারা পাঁচ ভাই, সবার সাথে সবার ক্যাচাল আছে, মাঝে মাঝে ফাঁটাফাঁটিও আছে, কিন্তু কোন বহিঃশত্রুর (প্রতিবেশী/অন্য কোন পরিবার) সাথে যখন বিবাদ বাধে তখন সবাই এক। সম্প্রদায় বা জাতিস্বত্তার ব্যাপারটাও এরকমই। কাউকে মনে হতে পারে সে উদার, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সেও একটি সম্প্রদায়েরই প্রতিনিধিত্ব করে। যতই শিক্ষিত হোক, যতই উদার হোক সম্প্রদায় নিয়ে কটু কথা সে সহ্য করে না। সে হয়ত সরাসরি মারতে আসে না, কিন্তু পরোক্ষভাবে সেও জবাব দিতে চায়। মূল কথা হচ্ছে- পৃথিবীতে যতদিন এই ধর্মগুলো আছে ততদিন সম্প্রদায়গুলো আছে এবং ততদিন ফাইটিংও আছে, সেখানে আমার বন্ধু জব্বার বা সুনির্মল যতই উদার হোক না কেন দিনশেষে তারা এক একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধত্বই করে, নাকি?
[কোন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে না, সচেতনে অবচেতনে কোনভাবেই করে না, এমন লোক পৃথিবীতে এখন বিরল নয়, তবে বাংলাদেশে হাতে গোনা]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


