somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[ইনবক্স থেকে]

০৯ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক বন্ধুর প্রশ্ন : দ্বীপ, কই কিছুই তো হচ্ছে না!
আমি : কী হওয়ার কথা ছিল?
বন্ধু : তোমার আরো ভালো জায়গায় থাকা উচিৎ ছিল?
আমি : সেটা কী হতে পারত?
বন্ধু : ভাল একটা চাকরি।
আমি : আমার চাকরিটা কী খারাপ ছিল?
বন্ধু : ছাড়লে কেন?
আমি : কিছু করার জন্য।
বন্ধু : কী করার জন্য?
আমি : যা করছি?
বন্ধু : কী করছো?
আমি : যা আসলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এবং আমার বাস্তবতায় করা সম্ভব না।
বন্ধু : তাহলে?
আমি : জেনেশুনে ব্যর্থতার পথে হাঁটছি।
বন্ধু : কেন?
আমি : একটা জীবন, যা ভেবেছি, যেমন ভেবেছি সেভাবেই হাঁটছি। কোন বৃত্তের মধ্যে নেই, থাকতে রাজিও নই। কাউকে বৃত্ত বন্দী করতেও চাই না। কোন আদর্শের পক্ষে নেই, কোন আদর্শ বাতলাতেও চাই না। প্রত্যেকটা আদর্শই এক একটা ধর্ম, যা মানুষের উপর জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসে এক সময়। আমি মূলত, আদর্শ বিরোধী, তো সেক্ষেত্রে অগ্রগতি খুব টাফ হয়ে যায়, কারণ প্রত্যেকেই কোন না কোন আদর্শ অাঁকড়ে ধরে আছে। একটি গ্রুপের মধ্যে আছে, এবং একে অপরের স্বার্থ সংরক্ষণ করছে। এর বাইরে গিয়ে জীবনধারণ করা আমাদের সমাজে খুব কঠিন।
বন্ধু : জেনেশুনে বিষপান কেন?
আমি : একটু একটু করে পান করছি, বিষ হজম করার শক্তি অর্জন করতে পারলে তখন কিছু করা যাবে।
বন্ধু : আচ্ছা, তুমি আদর্শের পক্ষে না, কিন্তু মার্কসবাদও তো একটা আদর্শ?
আমি : আমি মার্কসবাদ মানি তোমাকে কে বলল? সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা রাষ্ট্রকে করতে হবে, এজন্য কোন বাদের দরকার নেই। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে, এজন্য কোন বাদের দরকার নেই। মানুষ সেই লেভেলে পৌঁছালে এমনিতেই হয়ে যাবে। মানুষের মনস্তত্ব তৈরি করাটা হলো আসল কাজ।
বন্ধু : তাহলে তুমি কী মানো?
আমি : নেচার মানি। থিওরি মানি। যেমন, আর্কিমিডিসের থিওরি। যেমন, নিউটনের থিওরি। যেমন, পিথাগোরাসের থিওরি। আইন মানি, এবং আইনের সংস্কার মানি।
বন্ধু : তাহলে, তোমার কাজের লক্ষ্যটা কী?
আমি : কাজের লক্ষ্য কাজ করা। যতটা পারা যায় কাজ করা। যা করতে চাই, তা করা। পাশাপাশি, কৌশলে আদর্শগুলোকে আঘাত করা, যাতে সেগুলো একসময় বিনাশ হয়।
বন্ধু : যারা সরাসরি আঘাত করে চলেছে?
আমি : তারা সাহসী। তবে ঠিক করছে না। এতে অনেকের মধ্যে ঐসব আদর্শের শীকড় আরো শক্ত হচ্ছে। ওরা আদর্শগুলোকে আরো শক্ত করে অাঁকড়ে ধরছে। এক ঝটকায় হবে না।
এক বন্ধুর প্রশ্ন : দ্বীপ, কই কিছুই তো হচ্ছে না!
আমি : কী হওয়ার কথা ছিল?
বন্ধু : তোমার আরো ভালো জায়গায় থাকা উচিৎ ছিল?
আমি : সেটা কী হতে পারত?
বন্ধু : ভাল একটা চাকরি।
আমি : আমার চাকরিটা কী খারাপ ছিল?
বন্ধু : ছাড়লে কেন?
আমি : কিছু করার জন্য।
বন্ধু : কী করার জন্য?
আমি : যা করছি?
বন্ধু : কী করছো?
আমি : যা আসলে আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এবং আমার বাস্তবতায় করা সম্ভব না।
বন্ধু : তাহলে?
আমি : জেনেশুনে ব্যর্থতার পথে হাঁটছি।
বন্ধু : কেন?
আমি : একটা জীবন, যা ভেবেছি, যেমন ভেবেছি সেভাবেই হাঁটছি। কোন বৃত্তের মধ্যে নেই, থাকতে রাজিও নই। কাউকে বৃত্ত বন্দী করতেও চাই না। কোন আদর্শের পক্ষে নেই, কোন আদর্শ বাতলাতেও চাই না। প্রত্যেকটা আদর্শই এক একটা ধর্ম, যা মানুষের উপর জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসে এক সময়। আমি মূলত, আদর্শ বিরোধী, তো সেক্ষেত্রে অগ্রগতি খুব টাফ হয়ে যায়, কারণ প্রত্যেকেই কোন না কোন আদর্শ অাঁকড়ে ধরে আছে। একটি গ্রুপের মধ্যে আছে, এবং একে অপরের স্বার্থ সংরক্ষণ করছে। এর বাইরে গিয়ে জীবনধারণ করা আমাদের সমাজে খুব কঠিন।
বন্ধু : জেনেশুনে বিষপান কেন?
আমি : একটু একটু করে পান করছি, বিষ হজম করার শক্তি অর্জন করতে পারলে তখন কিছু করা যাবে।
বন্ধু : আচ্ছা, তুমি আদর্শের পক্ষে না, কিন্তু মার্কসবাদও তো একটা আদর্শ?
আমি : আমি মার্কসবাদ মানি তোমাকে কে বলল? সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা রাষ্ট্রকে করতে হবে, এজন্য কোন বাদের দরকার নেই। মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াবে, এজন্য কোন বাদের দরকার নেই। মানুষ সেই লেভেলে পৌঁছালে এমনিতেই হয়ে যাবে। মানুষের মনস্তত্ব তৈরি করাটা হলো আসল কাজ।
বন্ধু : তাহলে তুমি কী মানো?
আমি : নেচার মানি। থিওরি মানি। যেমন, আর্কিমিডিসের থিওরি। যেমন, নিউটনের থিওরি। যেমন, পিথাগোরাসের থিওরি। আইন মানি, এবং আইনের সংস্কার মানি।
বন্ধু : তাহলে, তোমার কাজের লক্ষ্যটা কী?
আমি : কাজের লক্ষ্য কাজ করা। যতটা পারা যায় কাজ করা। যা করতে চাই, তা করা। পাশাপাশি, কৌশলে আদর্শগুলোকে আঘাত করা, যাতে সেগুলো একসময় বিনাশ হয়।
বন্ধু : যারা সরাসরি আঘাত করে চলেছে?
আমি : তারা সাহসী। তবে ঠিক করছে না। এতে অনেকের মধ্যে ঐসব আদর্শের শীকড় আরো শক্ত হচ্ছে। ওরা আদর্শগুলোকে আরো শক্ত করে অাঁকড়ে ধরছে। এক ঝটকায় হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১:২০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:১৪

শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীকে এতো ভয় কেন?
--------------------------------------------------------------------
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রিকে কেন্দ্র করে ইউপিএলের বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, কর্মীদের আটকে রাখার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ
একটি বইকে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×