
বোরখা সাধারণত কুচি দিয়ে পরতে দেখা যায় না। জনৈক মহিলা বোরখা কুচি দিয়ে পরেছেন। দেখতে বেশ লাগছিল।

ভদ্র মহিলাকে তো স্বদেশী মনে হচ্ছে না, যদিও বাঙ্গালী পোশাকে তাকে মানিয়েছে বেশ। সম্ভবত তিনি হরে কৃষ্ণ পার্টিতে যোগ দিয়েছেন।

এক বন্ধুর সাথে তর্কের শেষ নেই। ও কয় গাভী, আমি কই ষাঁড়। শেষ পর্যন্ত আধা কিলোমিটার পিছনে দৌঁড়ানোর পর রহস্য উন্মোচিত হল।

খুব ভাব নিয়ে উনি বিড়ি ধরালেন। দৃশ্যটা দেখার মত ছিল। এর আগে কলা পাউরুটি খেয়েছেন।

এ এক আজব চিজ। তখন ছিল রোজার মাস। ‘দই ফুচকা’ নতুন জিনিস, অর্ডার করলাম, দইয়ের মধ্যে ফুচকা, তার উপর আবার চানাচুর ছড়ানো! দোকানদাররে কইলাম, ‘ভাই, মগের মুল্লুক পাইছেননি?’ এক প্লেট একশো টাকা! বাঁশ!!!


মাওয়া ঘাট পেরোলে দেখা মেলে ওদের। জীবনের মায়া ত্যাগ করে চলন্ত লঞ্চে উঠে পড়ে। ব্যাগ বহন করে কিছু আয় করতে চায়। বিধ্বস্ত ছেলেটির মাথায় ব্যাগটি তুলে দিয়েছিলাম।


ঢাকা শহরের অতি পরিচিত দৃশ্য এটি। শিশুদের ব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি। শোনা যায়- শিশুদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নাকি শুইয়ে রাখা হয়। এই শিশুটিকে তেমন মনে হল।
এই কয়টা ছবি দিতেই আপলোড লিমিট ক্রস!!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




