একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বিএনপির অধিকাংশ সিনিয়র নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন দলের কোনো কোনো সিনিয়র নেতা এমন আশঙ্কার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এদের মধ্যে কারো কারো মতে, দলত্যাগের বিষয় নিয়ে বিএনপির শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ দলত্যাগ বা ভাঙন বিএনপিকে কখনোই দুর্বল করতে পারেনি।
গত নির্বাচনে তারেক রহমানের পছন্দের প্রায় 40 জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের বিপুল বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে তারেক রহমানের প্রভাব আরো বেড়ে যায়। এর ফলে মন্ত্রিসভায় কমপক্ষে 20 জনকে স্থান দেয়া হয়েছে তারেক রহমানের পছন্দ অনুসারে। এ কারণেই মন্ত্রিসভার আকার অস্বাভাবিক বড় হয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। মন্ত্রিসভা বিশাল আকৃতির হলেও এতে বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা কর্নেল অলি আহমেদ, কে এম ওবায়েদুর রহমান, তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীসহ প্রায় 10 জন সিনিয়র নেতার স্থান হয়নি। এমনকি, জামায়াত ছাড়া জোটের আর কোনো শরিক দলেরও স্থান হয়নি।
মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ায় সিনিয়র নেতারা দলীয় কর্মকাণ্ডেও গুরুত্ব পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, গত নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত উপনির্বাচন এবং মহিলা আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য কথিত মনোনয়ন বোর্ডে বসে 'ফটোসেশন' করা ছাড়া দলে আর কোনো কাজে আমাদের ডাকা হয়নি। এ নেতার মতে, সরকারের মেয়াদ যতো শেষ হয়ে আসবে এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ততোই প্রকাশ পেতে থাকবে। এ ক্ষোভই রূপ নেবে বিদ্রোহে। তখন খালেদা জিয়া বা আমাদের আর কিছু করার থাকবে না। উল্লেখ্য, তারেকবিরোধী সিনিয়র নেতাদের ওপর সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নজর রাখছে বলে জানা গেছে।
ঃ আলম রায়হান
দৈনিক আমাদের সময়
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




