>>সেহরিতে বাপি দুধ/ভাত সাথে আম খায়। আমের রস না একটা ইয়া বড় সাইজের আম টুকরো টুকরো করে কেটে দেয়া হয় সেই আম দুধে নিয়ে ভাত দিয়ে খায়, আমের আটিটা খায় না । আমি জাউ (মাড়) ভাত কোন রকমে খেয়ে ঊঠি! একদিন বাপি আমের প্লেটে দুই টুকরো আম রেখে দেয়, আমি কি মনে করে ভাত খেয়ে সেই আম খাই, পরের দিন দেখি ৪ টুকরো আম রেখেছে, আমি ভাত খেয়ে সেই আম খাই, এরপরের দিন দেখি- ৬ টুকরো ! ঘটনা কালকের- আমি বললাম- কি ব্যাপার বাপি ? তুমি আম না খেয়ে প্রতিদিন দেখি রেখে দাও?
>>বাপি বলে- আমার না খাওয়ার বাতিক মেয়েটা নিজে থেকে কিছু খাচ্ছে দেখে আমি রেখে দেই! চোখের পানি কোনরকমে আটকালাম, বললাম- আমের তো অভাব নাই, আমি খাই না দেখে মামনী আমাকে কেটে দেয় না! খেতে চাইলে তো দিবেই তুমি না খেয়ে আমার জন্য রাখো কেন? অথচ কিছুদিন আগেই ডিম খাওয়া নিয়ে বাপির সাথে ঝগড়া করেছি, বাপির কোলেস্ট্রোল এর সমস্যার কারনে ডাক্তার ডিম খেতে নিষেধ করেছে, কিন্তু বাপি ডিম খাওয়া ছাড়ে না, প্রতিদিন ডিম দিতেই হবে, রোজার কারনে ইফতারীতে ডিম তো খায়-ই আবার রাতের খাবারের সাথে ডিম খেতে চেয়েছে দেখে বকেছি!
>>বাবা, মা’রা এভাবেই নিজেদের খাবার সন্তানের মুখে তুলে দেয়, আর আমরা কি করি? বেশ কিছুদিন থেকে পেপারে বাবা-মা কে খেতে দেয় না, বাবা-মা’র মুখের খাবার কেড়ে নিয়ে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এমন নিউজ পড়ি, আবার মৃত বাবার লাশ আটকিয়ে রাখে, মাটি দিতে দেয় না সন্তান, সম্পতি দেয়নি দেখে ! এই বাবা- মা’কেই কোন কোন সন্তানের কারনে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয়! কত নিষ্ঠুর আমরা সন্তানেরা হয়ে যাই বড় হলে, পাখনা গজালে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




