দুপুরে পেপার পড়ছিলাম বিছানায় শুয়ে! কানে আসছিলো কেজি পড়ুয়া পিচ্চি কাজিন হাসানের -“ পাঁকা পেঁপে পাখি খায়” এই ডায়লগ একাসাথে বারবার বলতে না পারার হাসি, সেই সাথে আমার ছোট বোনের ওকে আমার ঘরে পাঠিয়ে দেয়ার ফন্দি! যাক, দুষ্টু বান্দর ঘরে প্রবেশের আগেই আমি পেপার দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলি আর বান্দর হুরমুর করে ঘরে এসে বলে-
>খুব তো স্কুলে গিয়ে এইটা সেইটা প্রশ্ন করো এখন এইটা বলতো- “পাকা পেঁপে পাখি খায়” - দেখি কেমন পারো? আমি চুপ করে আছি! আর ও বলে চলেছে-পড়া পারে না, বলতে পারে না আবার মুখ ঢেকে রাখছে! এদিকে আমার হাসতে হাসতে দম বন্ধ হয়ে আসছিলো! ও আমার সাড়া শব্দ না পেয়ে চলে যায়! অমনি আমি ওকে ডাকি- হাসান্নন্নন্নন্নন্ন!
>ও আসে! এইবার ও বলে- খুব তো স্কুলে খাতা হাতে নিয়ে বোর্ডে লিখো আর বল- অ্যাই লিখো সবাই! এখন নিজে কিছু বলতে পারে না! আমি হাসি থামিয়ে বলি- আমার পা টিপে দে! বান্দর বলে- আমি কি তোমার চাকর না কি? বললাম- না চাকর না ভাই! টিপে দে! ও বলে- খালি পা টিপে দিতে বলে, আমারটা তো একদিনও দাও না! আমি খালি শুনি আর হাসি!
>আবার মাঝে মাঝে নিজে এসে বলবে- দাও তো দাও তো তোমার পা টিপে দেই! তুমি না কি অসুস্থ! এরপর থ্যাপ থ্যাপ করে পা টিপে দিয়ে, চকলেট বক্স থেকে দুইটা চকলেট নিয়ে দে দৌড় ! ছোট বোনকে গিয়ে বলবে- দেখো- চকলেট কামাই করে আসলাম, বয় আপুর পা টিপে দিয়ে! দুইটা নিয়ে চলে আসছি, তারপর কি হাসি!
> দুষ্টু এই বান্দরের কারনে আমরা মাঝে মাঝে নির্মল আনন্দ খুঁজে পাই!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


