>অই যা যা খবরদার একটা কথাও বলবি না... যা ভাগ আমার সামনে থেকে...
দূরে গিয়ে বসে তেলাপোকা/ টিকটিকি দিয়ে ঘাস/লতা-পাতার মিশ্রনে মুড়ি খা গা আর নয়ত তোর শাঁকচুন্নিদের সাথে আর কটকটিদের সাথে গিয়ে ঢলাঢলি কর বদের হাড্ডি!
খবরদার ফোন করবিনা, মেসেজ দিবি না... জাহান্নামে যা জাহান্নামী পোলা...
>কি হইছে বলবি তো? আজিব তো রে বাপ!
>বলছি কাট কাট ! শেষ ! আর কোন কথা আছে...
>আরে কি করছি বলবি তো?
>কাট কাট মানে বুঝিস নাই... তাহলে টুট টুট শোন এখন...
ওপাশে ফোন রেখে দেয়ার শব্দের সাথে সাথে টুট টুট শোনা যায়...
ছেলেটা ভাবতে থাকে কি হল...এরপর কতবার ফোন না মায়াবতীর মায়াবী কন্ঠ শোনা যায় না
বারবার তোতাপাখির বুলি... এই মুহূর্তে ... !
ধুস্ শালা...! রাত গভীর হতে থাকে... ছেলেটা ডিউটিতে মন বসাতে পারেনা...মেয়েটার সব কাজ এলোমেলো... বিছানায় শরীর এলিয়ে দিয়ে ছেলেটা বারবার মুঠোফোনটার দিকে তাকায়...
এপাশ ওপাশ করে একটা মেসেজ লিখেই ফেলে- “ অই অই ফোনটা একবার ধর না রে? তোর ওখানে বৃষ্টি হচ্ছে তাই না...?
আমি বৃষ্টির জলে ডুব দেবো... ঘোরলাগা মুগ্ধতায় বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ শুনবো... শুনাবি?
দিবি আমায় বৃষ্টির জলে ডুব দিতে... ভিজবি আমার সাথে...?
কেউ জানে না হাজার হাজার মাইল দূরে থাকা দু’জন মানুষের একজন তার একলা ছোট্ট ঘরে জানালার পাশে বসে কানে ফোন ঠেকিয়ে একজনের ভালোবাসার আকুতির নানা শব্দ শুনছে ...
এলোমেলো ঝড়টা তখন মৃদু বাতাসে হাহাকারের মত শোনাচ্ছে...
আর একজন বিছানায় উপর হয়ে শুয়ে কানে ফোন ঠেকিয়ে বৃষ্টিতে ডুব দিচ্ছে... ভিজে চলেছে ...
অই মুহূর্তে দু ‘প্রান্তে থাকা দুজনের একজনের চোখেই বৃষ্টি নেমেছিলো...অন্যজনের বুক থেকে বেরিয়ে আসা দীর্ঘশ্বাসটাই মৃদু বাতাসে শন শন শব্দে হাহাকারের মত ছিল...
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



