>প্রশ্নটা এখন অহরহ সামনে আসছে!!!! প্রায় প্রতিদিন-ই এমন নিউজ পত্রিকায় আসছে!!! একজন শিক্ষক হিসেবে নিজেই লজ্জিত হই বারবার!
>ঘটনা- বিয়ের লোভ ও প্রশ্নপত্র দেয়ার প্রলোভনে ছাত্রীর সাথে যৌন সম্পর্ক ! যবিপ্রবির খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মাহফুজুল আল হাসান এর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমান সহ করেছেন এক-ই বিভাগের এক ছাত্রী ! (খবর- আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন- ৩ পৃষ্ঠা )
>সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন শ্রীপুর- কুশ লিয়া স্কুল এন্ড কলেজের দু’ শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে রবিবার! অভিযোগ - শ্রেনী পরিচালনা করার সময় তারা ৭ম শ্রেনীর ৩৫ জন ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করেন!! (খবর- আজকের ইত্তেফাক- ৭ পৃষ্ঠা )
> গত বুধবার চোখে কাজল দেয়ার অপরাধে মধ্যযুগীয় কায়দায় ৭ম শ্রেনীর এক ছাত্রীর উপর নির্যাতন করেছেন পিরোজপুর মঠবাড়িয়ার কে,এম,লতিফ, ইন্সটিউশন এর শিক্ষিকা আয়েশা আক্তার ! ( খবর- আজকের ইত্তেফাক- ৭ পৃষ্ঠা )
>> সত্যি- ই অবাক হতে হয়, লজ্জিত হই!একজন শিক্ষকের দায়িত্ব যেখানে ছাত্র/ ছাত্রীকে নৈতিকতা/ মানবিকতা/ সহনশীলতার শিক্ষা দেয়া সেখানে শিক্ষক নিজেই নৈতিকতা খুইয়ে বসে থাকছেন! একজন শিক্ষক যেখানে সহনশীল হয়ে ছাত্র/ ছাত্রীকে সব ধরনের শিক্ষা দিবেন, সেখানে তিনি নিজেই অসহনশীল হয়ে যাচ্ছেন!! একজন শিক্ষক যেখানে ছাত্র/ ছাত্রীর চরিত্রকে সুন্দর করে গড়ে তোলার পরমার্শ দিবেন, তাদের চরিত্র সংশোধন করবেন সেখানে শিক্ষকের চরিত্র নিয়েই প্রশ্ন উঠছে!!!! ছিঃ! ছিঃ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


