>আজ আম্মিদের ( বোনের জমজ বাচ্চাদের) টিকা দিবে... সকাল থেকে উঠেই ওদের মুখ দেখে কান্না পাচ্ছে! ভয়ে ওদের সাথে ক্লিনিকে গেলাম না! এমনিতেই আমি ইঞ্জেকশন ভয় পাই, আর টিকা ওরে বাপ যে জোরে দিবে কেমন করে যেন দেয়, ঘা হতেই হবে! এরপর বাচ্চুদের হবে জ্বর !! বিশেষজ্ঞরা কেন যে এইসব ইঞ্জেকশন আবিষ্কার করছিলো... এর থেকে পানির মত মেডিসিন করলে কি হত শুনি...? একদম ভালো লাগছে না...!
> আমি এখনো ব্লাড পরীক্ষা করতে গেলে, মামনীর হাত ধরে চোখ বন্ধ করে, যারা ব্লাড নেয় তাদের বারবার বলি, ভাই/আপু আস্তে দিয়েন... এরপর যেই ইঞ্জেকশন পুষ করে ওমনি অইরকম চিৎকার দিয়ে কাইন্দা তারপর থামি... ! সব সময় পায়ে ইঞ্জেকশন নেই... হাতে খুব কম ইঞ্জেকশন পড়ছে! টনসিল অপারেশনের সময় ওটিতে যখন ডাক্তার আসে অ্যানেস্থিয়া করতে আমি ডাক্তারকে বলেছিলাম, ডাক্তার আমাকে অজ্ঞান করে এরপর স্যালাইন দিয়েন ... চুন্দর ডাক্তারের সে কি হাসি... এরপর বলে, আরে বোকা মেয়ে তোমাকে স্যালাইন দিয়েই তো অজ্ঞান করবো... এরপর আমি কান্তেই থাকি... ডাক্তার বলে, তুমি কাঁদলে কিন্তু আরো দুইটা ইঞ্জেকশন দেবো... সে কি কাহিনী...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


