> মাথা মোটাটার মেসেজ... অই অই চা বানা...
চা বানিয়ে ঝুল বারান্দায় ঝুলে থাকা দোলনায় গিয়ে বস...
পায়ে নূপুর পড়িস কিন্তু... চায়ের মগটা হাতে নেয়ার আগে
হাতে চুড়ি পড়ে নিবি... বুঝলি রে গাধি...
>আজ চাঁদ না চাদনীকে দেখতে এত আয়োজন...
পা গুলি মাঝে মাঝে দোলাবে যেন নূপুরের ছন্দে আমার বুকে ঢেউ উঠে... তুই তো আমার চাদনী... আমি পুকুরের পাড়ে বসে...
দূর আকাশের চাঁদের আলোর বৃষ্টিতে আমার চাদনীর মুখটা দেখবো...
তার প্রতিটি নড়াচড়া আমার বুকে আলোড়ন সৃষ্টি করবে...
তুই আলতো করে চায়ে চুমুক দিবি...
মনে করবি আমি পেছন থেকে তোর পিঠে
আলতো করে হাত রেখে দুলাচ্ছি...
>চায়ের কাপ এহাত হতে ওহাতে নিতে গিয়ে...
এলো চুল গুলি সরিয়ে ঠিক করতে তোর চুড়িতে রিনিকঝিনিক শব্দ হবে...
মাঝে মাঝে তুই পা নাচাবি... নুপুরের ঝম ঝম শব্দ হবে ...
আমি আকশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে একে একে
শুধু নিস্পলক দৃষ্টি দিয়ে নাটকের এক একটা দৃশ্য দেখে যাবো...
তোর চারপাশে থাকবে নীরবতা বারান্দার লাইট অফ করে দিবি...
আজ চাঁদের আলোয় আমার চাদনীর গায়ে চলবে লুকোচুরি খেলা...
পায়েলের ঝঙ্কার... চুড়ির রিনিকঝিনিক...
চায়ের মগে চুমুকের শব্দ... তোর বুকের দ্রিম দ্রিম শব্দ...
এমন কি অবাক এই তুইটার চোখের মধ্যে যে মুগ্ধতার পলক পড়বে
তার সব কিছুই আমি রেকর্ড করে নেবো এই হৃদয়ে ... বুঝলি রে গাধি...
তোকে আমাদের পুকুরের পাড়ে আনতে না পারলে কি হবে...
এই বুকেই তো বানিয়েছি জ্যোৎস্নার আকাশ...
আজ সেই আকাশে তুই উড়ে বেড়াবি...
আমি শুধু মুগ্ধতার ঘোরে তলিয়ে যাবো...
>>সবাইকে দেখিয়ে দেবো কতটা ভালবাসলে এমন ভাবে ভাবা যায়...
কতটা ভালবাসলে এমন ভাবে লেখা যায়...
খুক খুক... জানি তো কতজনে কত কি বলবে... ব্যাপান্না...
কত জনে জ্বলে পুড়ে মরবে... ব্যাপান্না...
তুই আমি আজ জ্যোৎস্না আলোয় ভিজবো...
সুখ সুখ কষ্টে ডুব দেবো...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


