
একে একে খসে পড়ছে হিংস্র সব শকুনের ডানা, একে একে
বিধবা পল্লীর সেইসব নারী- আবার মুছতে শুরু করেছেন
তাদের অশ্রু। একে একে এই বাংলার সকল কবি একেকটি
শব্দ কুড়িয়ে ছুটে চলছেন সোহাগ পুরের দিকে।ছবি আঁকতে
বসেছেন যেসব চিত্রশিল্পী- তাদের আঁলপনায় বার বার ফিরে
আসছে একাত্তরের লাল। রক্তে ভেজা ঘাসের সবুজ শুশ্রূষা।
আমি তাকিয়ে আছি নিউইয়র্কের আকাশের দিকে। জানালার
ছায়া থেকে রশ্মি ছড়িয়ে উড়ে যাচ্ছে যে মেঘ- তার গন্তব্য
এখন পূর্বে। বাংলাদেশ- যেখানে মোনাজাতরত আমার মা,
দুহাত তুলে বলছেন- তুমি মহান হে প্রভু, তুমিই সর্বশক্তিমান,
যে তোমার কৃপা একদিন রক্ষা করেছিল একাত্তরের বাংলাদেশ।
যে হায়েনাদের থাবা থেকে তুমিই রক্ষা করেছিলে নারীর সম্ভ্রম,
নদীর স্রোত, নগরের সৌন্দর্য, নান্দনিক ফুলের পাপড়ি ও পরাগ।
আমি দেখছি আকাশের প্রতিটি পরতে পরতে উড়ছে তিরিশ লাখ
শহীদের পরাণপাখি। আর তারা বলছেন- প্রিয় বাংলাদেশ,
তুমি ভালো থেকো। থাকো শকুন মুক্ত ভোরের আলোয়। থাকো,
প্রজন্মের হাত ধরে যেমন হাঁটে সময়ের বাণী ও বন্দনা।
[]নিউইয়র্ক / ১১ এপ্রিল ২০১৫, দুপুর ২:৩৫ মিনিট []

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




