somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গণমাধ্যমের দায়িত্ব হরতাল ও নৈরাজ্য

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গণমাধ্যম আমাদের দেশ বা বহিঃবৃশ্বে একটা দায়িত্ববান পেশা । নতুন নতুন টি.ভি চ্যানেল ও অনলাইনে নিউজ পোর্টালের আলোকে আমরা নতুন নতুন সাংবাদিক কর্মী ও ব্লগার পাচ্ছি । কিন্তু এই গণমাধ্যম কর্মীরা কতটা দক্ষ কতটা নিত্বি নৈতিকতা সম্বলিত সেটা নিয়ে আমার প্রস্ন ? সংবাদ সুধুমাত্র একটা পেশা নয়, এটিকে আমাদের শিল্প হিসাবে মূল্যায়ন করতে হবে । সুন্দর, রুচিশীল, নিষ্ঠাবান হওয়া বাঞ্ছনীয় । গণতান্ত্রিক দেশে মুক্ত স্বাধীনতার চর্চা হবে এটাই স্বাভাবিক । বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গণমাধ্যম কর্মী আমাদের জনগণের আলোকবর্তিকা হিসাবে অগ্রনী ভুমিকা পালান করবে এটাই সবার জন্য কাম্য । বর্তমানে প্রতীয়মান যে গণমাধ্যম কর্মীরা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছে না, বা জাতির কাণ্ডারি বা আলোকবর্তিকা হিসাবে কর্মে রত নয়, স্রতের দিকেই ধাবমান । নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন না করার অর্থ জনগনকে ধোঁকা দেওয়া । গণমাধ্যম কর্মীরা তার রুচিশীল লেখনি দ্বারা নোংরা সামাজকে সুশ্রী করতে পণ নেন । সবার কণ্ঠ যেথায় স্তব্ধ সেখেনেই সাংবাদিকতার শুরু, কিন্তু আমাদের সরকার সাংবাদিকদের পায়ে শিকল, হাতে কড়া, ও মুখে ও চোখেঁ কালো কাপড় পরাতে উদ্যত । সম্প্রচার নিতিমালার ফলে গনতন্ত্র ও জনগণকে জ্ঞানহিন বা পঙ্গু করতে চায় । এমাতাবস্থায় আমাদের করনিয় কি দেশাত্ববোধ থেকে আমাদের সিধান্ত নিতে হবে ।

সেদিন স্যামহোয়ার ব্লগে পড়লাম গণমাধ্যমে বিশেষ করে টি. ভি. চ্যানেলগুলি কেন মারামারি, হরতাল, নৈরাজ্যর সরাসরি সম্প্রচার করে, বহিঃ বৃশ্বে এই সমস্ত ছবিগুলি সরাসরি সমপ্রচার থেকে বিরত থাকে । তাতে নাকি তরুণ প্রজন্মের অধপতন ঘটতে পারে । আমার আজকের লেখাটার প্রতি মনোনিবেশ এই জায়গাটা থেকে ব্লগারের সাথে আমি কিছুটা একমত । আপনারা সবাই জানেন সরকারকে সংশোধন বা গনতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য বিরোধীদল নানা কর্মসুচি প্রদান করে থাকে যেটা আমাদের গনতন্ত্রিক অধিকার । সরকারকে বা গনতন্ত্রকে রক্ষা করতে হলে বিরোধীদলকে আন্দোলনের প্রয়োজন বিদ্যামান । প্রত্যেকেই প্রত্যেকের স্থান থেকে দেশের জন্য কিছু না কিছু করার চেস্ঠা করে । গণমাধ্যম কর্মীরা ও এর ব্যাতিক্রম নয় । গণতন্ত্র ও দেশকে রক্ষার্থে গণমাধ্যম কর্মীরা ও বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালন করে থাকে, তাদের লেখনি ও সরাসরি সম্প্রচার দ্বারা আর এখানেই তাদের পেশাদারিত্ব বজায় থাকে । গণমাধ্যম কর্মীরা দর্শকদের সর্বশেষ খবর জানাতে টি. ভি চ্যানেলগুলিতে সরাসরি কিছু কর্মসুচি হাতে নেয় দর্শকদের আপডেট রাখতে । আমার ব্লগার বন্ধু আরও লিখিছেন যদি গনমাধ্যম কর্মী না আসত তাহলে হরতাল গুলিতে তাহলে হরতাল কিভাবে পালান হত ? কারন রাজনৈতিক দলগুলির এসমস্ত কর্মসুচি গণমাধ্যমে প্রচার করাই মূল লক্ষ্য থাকে । যদিও বহিঃবিশ্বে এসমস্ত কর্মকান্ড প্রচার করা থেকে বিরত থাকে কিন্তু দেশ, কাল, জাতি ভেদে অনেক সমায় অনেক কিছু আবদার করে । একটি সুন্দর শাসন বাবস্থার জন্য জনগণ যখন চুপসে যায় বা জ্ঞানহীন হয়ে পড়ে তখন গণমাধ্যমের কর্মীরা জনগণকে জাগিয়ে তোলার জন্য ও গনতন্ত্রকে রাক্ষার জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নেয় । এমাতাবস্থায় মনে হয় সরাসরি কর্মসূচী বা রিপোর্টং তেমন বিরূপ প্রভাব ফেলে না । বৃহত্তর স্বার্থের জন্য মাঝে মাঝে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বার্থ জালানঞ্জলি দিতে হয় । রাজনিতি যে বোঝে না তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড দেখা নিসপ্রয়জন । গনতন্ত্র বা দেশের স্বাধীনতা যদি চলে যায় তবে তরুণ প্রজন্মের জন্য আপনি কি রেখে যাচ্ছেন নিজেকে প্রশ্ন করুন ? তাই আমি বলতে চাই হরতাল, নৈরাজ্য আবশ্যেই আমাদের অর্থনীতির জন্য শুভকর নয় । আমাদের মনে রাখা দরকার গনতান্ত্রিক আন্দোলনের সর্বচ্চ কর্মসুচি হরতাল । জনগণ যখন দেশাত্ববোধ, নিতি নৈতিকতা ভুলে যায় তখন গণমাধ্যম কর্মীদের দ্বারা সারাসরি স্পস্বকাতর কিছু রিপোর্টং করে যদি জনগণের গাঁয়ে একটু জ্বালা ধারানো যায় সত্যর পথে পরিচালনা করার জন্য তবে দোষ কি তাতে ?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৪২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্যায়া হুয়া ? হুক্কা হুয়া; হুক্কা হুক্কা হুক্কা হুয়া

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫


২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৬




বৃষ্টির ডায়েরি: অধ্যায় শূন্য


​আজকের বৃষ্টিটার কোনো ছন্দ নেই। কোনো ব্যাকরণ নেই। স্রেফ আকাশ ভাঙা জল, যা এই শহরের বুকে সশব্দে আছড়ে পড়ছে। মানুষজন তাড়াহুড়ো করে ছাতা মেলছে, আশ্রয়ের খোঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×