
২৪ বছর ধরে ঢাবিতে অনার্স পড়ছে; তা-ও নাকি ভাষা শিক্ষা বিভাগে উর্দূ নিয়ে !!! আজতক তার পড়া শেষ হয় নাই !!! এ ভার্সিটিতে নাম লিখালে পন্ডিত মশাই'রা কি কোনও কোনও ছাত্রকে ইচ্ছে করেই পাশ করায় না !!?? নাকি মাসুদ রানা বইতে লিখা সেই- ভবিষ্যতের ডীপ কভার এজেন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্য ঘুম পারিয়ে রাখে !!?? কঠিন কিছুই নয় !! কারন বাংলাদেশের মতো, এতো এতো বেশী গাদ্দার আর মীর জাফর পৃথিবীর আর কোনও দেশে জন্মায় নাই !!!
এটা হতেও পারে, জিন্নাহ-কে চেতনায় ফিরিয়ে আনার এটা এ মহা পরিকল্পনা !!!
অতীতের তথ্য এটাই বলে; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাবি প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করেছিলো। তা হলে রবীন্দ্রনাথের ছবি ঢাবিতে ঝুলিয়ে রাখা কেন ?? আজ জিন্নাহ'র ছবি নিয়ে যে নাটক চলছে; এমনকি মগজশুন্য নব্য বিএনপি ওয়ালা'রা যেভাবে জিন্নাহ'র ছবির বিরুদ্ধে যে রুদ্র রোষে ঝাপিয়ে পড়ছে- ভবিষ্যতে তার মাশুল বিএনপিকেও দিতে হতে পারে না কি !!??
ঘটনা পরম্পরায় জিন্নাহ মিয়ার ছবি ছিড়া আর তাকে নিয়ে হাকডাক-টানাটানিতে আর যা-ই হোক লোকটাকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ; বিশেষ করে কিশোর-যুবক'রা কিস্তি টুপিওয়ালা জিন্নাহ-কে নিয়ে নতুন করে জানাজানি শুরু করতে পারে !! কাজটা কি ঠিক হলো ??
বিভিন্ন চেতনার দাবীদার, পরজীবি উদ্ভিদেরা কি বলে !!!
এ প্রেক্ষাপটে বলতে হয়, বাংলাদেশের ৯০ ভাগ কবি, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মিডিয়া- তাদের নতজানু মানসিকতা, হালুয়া-রুটির ভাগের কারনে এবং মিথ্যার পক্ষপাতিত্ব করায়; এ দেশের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে !! এ দেশের জনগনের প্রকৃত ইচ্ছা, আশা'র বিষয়গুলো চেপে রেখে এরা ভিন্ন স্বজাত্যবোধ ও দেশপ্রেমকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে অন্যের পদলেহন করে যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


